Key takeaways
- ২০২৬ সালে EP ন্যূনতম বেতন S$৫,৬০০ এবং এস পাস S$৩,৩০০।
- কমপাস স্কোর ৪০ পয়েন্ট EP-র জন্য বাধ্যতামূলক।
- বাংলাদেশ থেকে আবেদন শুধু নিয়োগকর্তার মাধ্যমে সম্ভব।
- ওয়ার্ক পারমিটের জন্য ন্যূনতম বেতন S$২,৫০০।
- স্ক্যাম এড়াতে অগ্রিম ফি দেবেন না।
সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬ সালে পেতে হলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন বেতনসীমা ও কঠোর যোগ্যতার শর্ত মেনে চলতে হবে। এ বছর থেকে এমপ্লয়মেন্ট পাসের (EP) ন্যূনতম বেতন বেড়ে দাঁড়িয়েছে S$৫,৬০০, আর এস পাসের জন্য লাগবে S$৩,৩০০। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হচ্ছে কমপাস (COMPASS) স্কোর ৪০ পয়েন্ট—যা ছাড়া EP পাবেন না। এই গাইডে ২০২৬ সালের সব নতুন নিয়ম, বেতনের হিসাব, ভিসার খরচ এবং স্ক্যাম এড়ানোর উপায় ধাপে ধাপে জানানো হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের অর্থনীতি আবার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে, আর সঙ্গে পরিবর্তিত হচ্ছে বিদেশি কর্মী নীতিমালা। ২০২৬ সালে সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক ভিসা সংক্রান্ত নিয়মে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে যা সরাসরি বাংলাদেশি আবেদনকারীদের প্রভাবিত করে। নিচে সংক্ষেপে জেনে নিন সব আপডেট।
মূল বিষয়বস্তু এক নজরে:
- EP-র ন্যূনতম বেতন S$৫,৬০০, আর্থিক খাতে S$৬,২০০—যোগ্যতা ও কমপাস স্কোর ৪০ পয়েন্ট আবশ্যক।
- এস পাসের জন্য বেতন S$৩,৩০০, কোটা ও লেভি প্রযোজ্য।
- ওয়ার্ক পারমিটের জন্য S$২,৫০০ বেতন ও নিয়োগকর্তার আবাসন-বীমা বাধ্যতামূলক।
- বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য চাকরির প্রস্তাব, নিয়োগকর্তার মাধ্যমে আবেদন, এবং কমপাস ফ্রেমওয়ার্কে সাফল্য জরুরি।
- স্ক্যাম থেকে বাঁচতে অগ্রিম ফি পরিহার ও অফিসিয়াল সোর্স যাচাই করুন।

সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬: এক নজরে নতুন নিয়ম
সিঙ্গাপুর সরকার ২০২৬ সালে কর্মী নিয়োগ ও ওয়ার্ক পাস ব্যবস্থায় বেশ কিছু সংশোধন এনেছে। এখানে প্রধান পরিবর্তনগুলো তুলে ধরা হলো:
- EP ন্যূনতম বেতন: সাধারণ খাতে S$৫,৬০০, আর্থিক খাতে S$৬,২০০ (২০২৫-এ যা ছিল S$৫,০০০)
- এস পাস ন্যূনতম বেতন: S$৩,৩০০; বয়স্ক অভিজ্ঞ কর্মীদের জন্য আরও বেশি
- কমপাস (COMPASS) ফ্রেমওয়ার্ক: সব নতুন EP আবেদনের জন্য ৪০ পয়েন্ট বাধ্যতামূলক
- নতুন ‘জব-স্কিলস ইন্টিগ্রেটর’ স্কিম: বিদেশি কর্মী ও স্থানীয় শূন্য পদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে চালু হয়েছে
- এফসিএফ (FCF) বিজ্ঞাপন: EP আবেদনের আগে MyCareersFuture পোর্টালে অন্তত ১৪ দিন জব পোস্টিং বাধ্যতামূলক
- এস পাস লেভি ও কোটা: পরিষেবা খাতে লেভি S$৫৫০, কোটা ১০%-এ অপরিবর্তিত
- ওয়ার্ক পারমিট: ন্যূনতম বেতন S$২,৫০০, কিন্তু নিয়োগকর্তাকে আবাসন ও চিকিৎসা বীমা দিতে হবে
এই পরিবর্তনগুলোর অর্থ হচ্ছে, বাংলাদেশি কর্মীদের এখন আরও ভালো বেতনের চাকরি ও উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে যদি তারা সিঙ্গাপুরে কাজ করতে চান। বিশেষ করে EP ও এস পাসের ক্ষেত্রে শর্ত কঠোর হয়েছে।
নিচের টেবিলে ২০২৫ ও ২০২৬ সালের মূল পার্থক্য দেখানো হলো:
| পাসের ধরন | ২০২৫ (সর্বনিম্ন বেতন) | ২০২৬ (সর্বনিম্ন বেতন) | অন্যান্য পরিবর্তন |
|---|---|---|---|
| এমপ্লয়মেন্ট পাস (EP) | S$৫,০০০ | S$৫,৬০০ | কমপাস স্কোর আরও কঠোর মূল্যায়ন |
| এস পাস | S$৩,১০০ | S$৩,৩০০ | লেভি ও কোটা অপরিবর্তিত |
| ওয়ার্ক পারমিট | S$২,৩০০ | S$২,৫০০ | আবাসন ও বীমার শর্ত জোরদার |
এমপ্লয়মেন্ট পাস (EP) ২০২৬: বেতন, যোগ্যতা ও আবেদন

এমপ্লয়মেন্ট পাস হলো উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন পেশাদারদের জন্য সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক ভিসা। ২০২৬ সালে সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক ভিসা EP-র জন্য নিম্নলিখিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য:
- ন্যূনতম বেতন: সাধারণ খাতে S$৫,৬০০, আর্থিক খাতে S$৬,২০০। অভিজ্ঞদের জন্য আরও বেশি (যেমন ৪০-এর বেশি বয়সী: দ্বিগুণের কাছাকাছি হতে পারে)
- কমপাস স্কোর: ৪০ পয়েন্ট (নিচে বিস্তারিত)
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি। ব্যতিক্রমী দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা থাকলে সমমানের সার্টিফিকেটও গ্রহণযোগ্য
- কাজের অভিজ্ঞতা: সাধারণত প্রাসঙ্গিক খাতে কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা প্রত্যাশিত
- আবেদনকারী: শুধু নিয়োগকর্তা (কোম্পানি) আবেদন করতে পারবেন
- প্রক্রিয়াকরণ সময়: সাধারণত ৩-৮ সপ্তাহ
EP পাসের একটি বড় সুবিধা হলো পরিবার নিয়ে আসার সুযোগ। যদি আপনার মাসিক বেতন S$৬,০০০-এর বেশি হয়, তাহলে আপনি স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য ডিপেন্ডেন্ট পাস এবং বাবা-মায়ের জন্য লং-টার্ম ভিজিট পাস (LTVP) আবেদন করতে পারবেন। তবে আইনজীবী, ডাক্তার বা গৃহকর্মী হিসেবে নয়। আরও জানতে MOM-এর অফিসিয়াল EP পেজ দেখুন।
মনে রাখবেন, নিয়োগকর্তাকে অবশ্যই ফেয়ার কনসিডারেশন ফ্রেমওয়ার্ক (FCF)-এর আওতায় MyCareersFuture পোর্টালে ১৪ দিনের জন্য বিজ্ঞাপন দিতে হবে, এবং প্রমাণ করতে হবে যে স্থানীয় কেউ এই পদের জন্য যোগ্য ছিল না। এই প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ না করলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
আপনি যদি EP আবেদনের পরিকল্পনা করেন, তাহলে আমাদের EP চেকলিস্ট দেখে নিতে পারেন।
ইপি আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:
- পাসপোর্টের কপি (কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ)
- শিক্ষাগত সার্টিফিকেট ও মার্কশিট (ইংরেজি অনুবাদসহ)
- পূর্ববর্তী চাকরির অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট
- কোম্পানির পক্ষ থেকে নিয়োগপত্র ও বিস্তারিত চাকরির বিবরণ
- সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি
এস পাস (S Pass) ২০২৬: নতুন বেতন সীমা ও কোটা

এস পাস হলো মধ্যম দক্ষতার বিদেশি কর্মীদের জন্য। ২০২৬ সালে এস পাসের জন্য ন্যূনতম বেতন S$৩,৩০০ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় S$২০০ বেশি। বয়স ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী এই সীমা আরও বাড়তে পারে।
এস পাসের জন্য কোটা (quota) এখনও পরিষেবা খাতে ১০% এবং অন্যান্য খাতে ১৫%। নিয়োগকর্তাকে প্রতি মাসে লেভি দিতে হবে: পরিষেবা খাতে S$৫৫০, অন্যান্য খাতে S$৪৫০। লেভি ও কোটা সম্পর্কে বিস্তারিত MOM-এর এস পাস পেজে দেখুন।
এস পাসের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা: ডিপ্লোমা বা সমমানের সার্টিফিকেট। তবে কাজের অভিজ্ঞতা বেশি থাকলে তা বিবেচনায় নেওয়া হয়। আবেদন প্রক্রিয়া EP-এর মতোই, নিয়োগকর্তার মাধ্যমে করতে হয়।
এস পাসের সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা:
- পরিবার আনতে গেলে সাধারণত বেতন S$৬,০০০-এর বেশি হতে হবে, তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে।
- পাসের মেয়াদ সাধারণত ২ বছর, নবায়নযোগ্য।
- এস পাসধারীরা আবাসন ভাতা পান না, তবে নিয়োগকর্তা বীমা দিতে বাধ্য।
কমপাস (COMPASS) স্কোর: কীভাবে ৪০ পয়েন্ট পাবেন?

কমপাস (COMPASS) হলো ২০২৩ সালে চালু হওয়া একটি পয়েন্ট-ভিত্তিক সিস্টেম, যা EP আবেদনের জন্য বাধ্যতামূলক। ২০২৬ সালেও এটি কার্যকর। মোট ৪০ পয়েন্ট পেতে হলে নিচের মানদণ্ডগুলো পূরণ করতে হবে:
| মানদণ্ড | পয়েন্ট (সর্বোচ্চ) | মন্তব্য |
|---|---|---|
| বেতন (Salary) | ২০ | প্রদত্ত বেতন সেক্টরের মধ্যমানের তুলনায় বেশি হলে |
| শিক্ষাগত যোগ্যতা (Qualifications) | ২০ | স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি |
| কর্মীদের বৈচিত্র্য (Diversity) | ২০ | কোম্পানিতে বিদেশি কর্মীর অনুপাত |
| স্থানীয় কর্মসংস্থান (Local employment) | ২০ | কোম্পানিতে স্থানীয় কর্মীর সংখ্যা |
| দক্ষতা (Skills) | ২০ | দুর্লভ দক্ষতা থাকলে বোনাস |
| কৌশলগত অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার (Strategic) | ১০ | সরকারের অগ্রাধিকার খাতে কাজ করলে |
এই পয়েন্টগুলো যোগ করে ৪০ পেতে হবে। বেতন ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি থাকা জরুরি।
উদাহরণ: ধরুন, একজন বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার সিঙ্গাপুরের একটি টেক কোম্পানিতে মাসিক S$৬,০০০ বেতনে চাকরি পেয়েছেন। তার কমপাস স্কোর হতে পারে:
- বেতন: সেক্টর মধ্যমানের উপরে, তাই ২০ পয়েন্ট।
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত ডিগ্রি, ২০ পয়েন্ট।
- কর্মীদের বৈচিত্র্য: কোম্পানি ইতোমধ্যে অনেক বিদেশি নিয়োগ দিলে পয়েন্ট কম, কিন্তু যদি মোটামুটি ভারসাম্য থাকে, ১০ পয়েন্ট পেতে পারেন।
- স্থানীয় কর্মসংস্থান: স্থানীয় নিয়োগের হার ভালো হলে আরও ১০ পয়েন্ট। মোট ৬০ পয়েন্ট, তাই সহজেই পাস। কিন্তু শুধুমাত্র বেতন বা ডিগ্রি দুর্বল হলে পয়েন্ট কমে যেতে পারে। তাই সব দিক সামলে আবেদন করতে হবে।
কমপাস ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে আপনি নিজেই আপনার সম্ভাব্য স্কোর যাচাই করতে পারেন MOM-এর COMPASS টুল থেকে।
ওয়ার্ক পারমিট (Work Permit) ২০২৬: নিম্ন দক্ষ কর্মীদের জন্য
ওয়ার্ক পারমিট মূলত নির্মাণ, জাহাজ নির্মাণ, পরিষেবা ও উৎপাদন খাতে নিম্ন দক্ষ কর্মীদের জন্য। ২০২৬ সালে ন্যূনতম বেতন S$২,৫০০ নির্ধারিত, তবে নিয়োগকর্তাকে আবাসন ও চিকিৎসা বীমা দিতে হবে।
ওয়ার্ক পারমিটের জন্য বয়সসীমা সাধারণত ১৮-৫০ বছর, তবে খাতভেদে ভিন্ন হতে পারে। আবেদন প্রক্রিয়া নিয়োগকর্তার মাধ্যমে। বাংলাদেশ থেকে আসা অনেক কর্মী এই ভিসায় আসেন।
ওয়ার্ক পারমিটের জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, তবে শারীরিক সুস্থতা ও দক্ষতা প্রয়োজন। নিয়োগকর্তাকে অবশ্যই কর্মীর জন্য আবাসন (কর্মচারী আবাসনে) এবং মেডিকেল ইন্স্যুরেন্স দিতে হবে।
ওয়ার্ক পারমিটের বৈশিষ্ট্য:
- বেতন থেকে আবাসন ফি কাটা যায় (সর্বোচ্চ S$৩০০)।
- পরিবার আনা যায় না।
- বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য বীমা ও নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ।
- পাসের মেয়াদ ২ বছর, খাতভেদে নবায়নযোগ্য।
বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুর ভিসা: আবেদন প্রক্রিয়া ও খরচ
বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরে কাজ করতে গেলে প্রথমে একটি চাকরির প্রস্তাব (job offer) থাকতে হবে। এরপর নিয়োগকর্তা আপনার জন্য ভিসা আবেদন করবেন। আপনার নিজে থেকে ভিসা আবেদন করার সুযোগ নেই।
আবেদন প্রক্রিয়ার ধাপগুলো:
- চাকরি খুঁজুন: অনলাইন জব পোর্টাল বা রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে।
- নিয়োগকর্তার আবেদন: নিয়োগকর্তা MOM-এ আপনার জন্য পাস আবেদন করবেন।
- অনুমোদন: পাস অনুমোদিত হলে আপনি ইন-প্রিন্সিপাল অ্যাপ্রুভাল (IPA) পাবেন।
- ভিসা স্ট্যাম্পিং: সিঙ্গাপুরে প্রবেশের আগে বাংলাদেশে সিঙ্গাপুর হাইকমিশন থেকে ভিসা স্ট্যাম্প করতে হবে।
- প্রবেশ ও মেডিকেল: সিঙ্গাপুরে প্রবেশের পর মেডিকেল পরীক্ষা ও বায়োমেট্রিক করতে হবে।
খরচের মধ্যে রয়েছে: ভিসা ফি (S$৩০), মেডিকেল পরীক্ষা (S$৬০-১০০), এবং ফ্লাইট টিকিট। এছাড়া এজেন্সি ফি দিতে হতে পারে, তবে সতর্ক থাকুন, অতিরিক্ত ফি চাইলে তা প্রতারণা হতে পারে।
বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার জন্য MOM-এর FAQ দেখতে পারেন।
ভিসা স্ট্যাম্পিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
- আইপিএ লেটার
- বৈধ পাসপোর্ট (৬ মাসের বেশি মেয়াদ)
- চাকরির অফার লেটার
- মেডিকেল রিপোর্ট (কিছু ক্ষেত্রে আগাম)
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি
প্রক্রিয়াটি মোটামুটি ৪-১২ সপ্তাহ সময় নেয়।
সিঙ্গাপুরে কাজের খরচ: থাকা, খাওয়া ও অন্যান্য
সিঙ্গাপুরে থাকার খরচ তুলনামূল
Frequently asked questions
সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬-এ কি নতুন নিয়ম আছে?
হ্যাঁ, ২০২৬ সালে EP-র ন্যূনতম বেতন S$৫,৬০০ এবং এস পাসের S$৩,৩০০ করা হয়েছে। কমপাস স্কোর ৪০ পয়েন্ট বাধ্যতামূলক।
বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরে কাজের ভিসা পেতে কত খরচ?
ভিসা ফি S$৩০, মেডিকেল S$৬০-১০০, ফ্লাইট টিকিট। এজেন্সি ফি আলাদা, তবে অতিরিক্ত ফি এড়িয়ে চলুন।
সিঙ্গাপুরে পরিবার নিয়ে যেতে পারব?
EP ধারীরা বেতন S$৬,০০০-এর বেশি হলে ডিপেন্ডেন্ট পাস পেতে পারেন। এস পাস ও ওয়ার্ক পারমিটে সাধারণত সুযোগ নেই।
কমপাস স্কোর কীভাবে পূরণ করব?
বেতন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কোম্পানির বৈচিত্র্য, স্থানীয় কর্মসংস্থান, দক্ষতা ও কৌশলগত অগ্রাধিকার থেকে পয়েন্ট যোগ হয়। ৪০ পয়েন্ট পেতে হবে।
ওয়ার্ক পারমিটের জন্য কী কী শর্ত?
ন্যূনতম বেতন S$২,৫০০, বয়স ১৮-৫০, শারীরিক সুস্থতা। নিয়োগকর্তাকে আবাসন ও বীমা দিতে হবে।