Key takeaways
- ২০২৬ সালে সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কুয়েত, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ওয়ার্ক ভিসা বন্ধ বা সীমিত করেছে।
- ভিসা বন্ধের প্রধান কারণ: স্থানীয় কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক সংস্কার, অবৈধ অভিবাসন রোধ।
- বিকল্প দেশ হিসেবে পোল্যান্ড, রোমানিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরে কাজের সুযোগ রয়েছে।
- বিদেশ যাওয়ার আগে বিএমইটি নিবন্ধন, ভিসা শর্ত বোঝা ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সি বেছে নেওয়া জরুরি।
- ভিসা জালিয়াতি এড়াতে অফিসিয়াল চ্যানেল ব্যবহার করুন এবং অগ্রিম বড় টাকা দেবেন না।
২০২৬ সালে বেশ কয়েকটি দেশ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ওয়ার্ক ভিসা দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ বা কঠোর করেছে। এর মধ্যে সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কুয়েত, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত উল্লেখযোগ্য। তবে বিকল্প হিসেবে পোল্যান্ড, রোমানিয়া, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় কাজের সুযোগ রয়েছে। নিচে বিস্তারিত কারণ ও বিকল্প পথ তুলে ধরা হলো।
২০২৬ সালে কোন কোন দেশ ওয়ার্ক ভিসা বন্ধ বা সীমিত করেছে?

নিম্নোক্ত পাঁচটি দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ওয়ার্ক ভিসা দেওয়া বন্ধ বা সীমিত করা হয়েছে। প্রতিটি দেশের ভিসা নিষেধাজ্ঞার কারণ ও বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো।
সৌদি আরব: নিটামারত সিস্টেম আপডেটের কারণে নতুন ভিসা ইস্যু সাময়িক বন্ধ
সৌদি আরব তাদের নিটামারত সিস্টেম আপডেট করছে, যার ফলে নতুন ওয়ার্ক ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। নিটামারত হলো একটি ইলেকট্রনিক সিস্টেম যা বিদেশি কর্মীদের নিবন্ধন ও ট্র্যাকিং করে। আপডেটের সময় নতুন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছে সৌদি সরকার। বাংলাদেশি কর্মীরা যারা ইতিমধ্যে ভিসা পেয়েছেন, তাদের ভিসা বৈধ থাকবে, তবে নতুন আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে না।
মালয়েশিয়া: বাংলাদেশি রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি নিয়ে জটিলতায় ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত
মালয়েশিয়া বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগে দীর্ঘদিন ধরে জটিলতা চলছে। ২০২৬ সালে মালয়েশিয়ার সরকার বাংলাদেশি রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করে। বিশেষ করে পাম অয়েল ও নির্মাণ খাতে কর্মী নেওয়া বন্ধ রয়েছে। মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স পুনর্বিবেচনা না হওয়া পর্যন্ত নতুন ভিসা দেওয়া হবে না।
কুয়েত: নির্দিষ্ট কিছু পেশায় ভিসা কোটা পূর্ণ হওয়ায় নতুন আবেদন বন্ধ
কুয়েতে নির্দিষ্ট কিছু পেশার জন্য ভিসা কোটা পূর্ণ হয়ে গেছে। বিশেষ করে গৃহকর্মী, নির্মাণ শ্রমিক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য নতুন ভিসা বন্ধ রয়েছে। তবে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে দক্ষ কর্মীদের জন্য ভিসা চালু আছে। কুয়েত সরকার জানিয়েছে, কোটা পুনর্বিবেচনা করা হবে, তবে তা কবে হবে তা স্পষ্ট নয়।
ওমান: অর্থনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে নিম্ন-দক্ষ কর্মীদের ভিসা সীমিত
ওমান তাদের অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করার লক্ষ্যে নিম্ন-দক্ষ কর্মীদের ভিসা সীমিত করেছে। দেশটি স্থানীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি গ্রহণ করেছে। ফলে নির্মাণ ও খুচরা খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রকৌশল খাতে দক্ষ কর্মীদের জন্য ভিসা চালু আছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত: কিছু ক্যাটাগরির ভিসার নিয়ম কঠোর করা হয়েছে
সংযুক্ত আরব আমিরাত কিছু ক্যাটাগরির ভিসার নিয়ম কঠোর করেছে। বিশেষ করে নিম্ন-দক্ষ কর্মীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়ায় কঠোরতা আনা হয়েছে। আবেদনকারীদের বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ভিসা জালিয়াতি রোধে ডকুমেন্ট যাচাই প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে।
কেন এই দেশগুলো ভিসা বন্ধ দিয়েছে?

ভিসা বন্ধের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। নিচে সেগুলো আলোচনা করা হলো।
স্থানীয় কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য সরকারি নীতি
অনেক দেশ তাদের নিজস্ব নাগরিকদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য বিদেশি কর্মী নিয়োগ সীমিত করছে। সৌদি আরবের নিটামারত সিস্টেম ও ওমানের ওমানিজেশন নীতি এর উদাহরণ। স্থানীয় শ্রমবাজারে চাপ কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অর্থনৈতিক মন্দা ও তেল নির্ভর অর্থনীতির সংস্কার
তেল নির্ভর দেশগুলো অর্থনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে বিদেশি কর্মীদের ভিসা কমিয়েছে। তেলের দাম ওঠানামার কারণে তারা অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করতে চায়। ফলে নিম্ন-দক্ষ কর্মীদের প্রয়োজন কমছে।
অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি রোধে কড়াকড়ি
অনেক দেশে অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি বেড়ে যাওয়ায় কঠোর নিয়ম আনা হয়েছে। মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশেষ করে জালিয়াতি রোধে ভিসা প্রক্রিয়া কঠোর করেছে। বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য এতে করে বৈধ পথে যাওয়া আরও কঠিন হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাজনিত কারণে
মহামারি পরবর্তী সময়ে অনেক দেশ স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক হয়েছে। কিছু দেশ স্বাস্থ্য পরীক্ষার নিয়ম কঠোর করেছে, যা ভিসা প্রক্রিয়াকে ধীর করে দিয়েছে। তবে এটি সাময়িক বন্ধের চেয়ে বেশি প্রক্রিয়াগত বাধা সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য এর প্রভাব কী?

ভিসা বন্ধের কারণে বাংলাদেশি কর্মীরা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। নিচে প্রধান প্রভাবগুলো উল্লেখ করা হলো।
অনেক কর্মী ইতিমধ্যে ভিসা পেয়েও দেশে আটকে আছেন
যারা ইতিমধ্যে ভিসা পেয়েছেন, কিন্তু প্রক্রিয়াজাতকরণ বন্ধ থাকায় দেশে আটকে আছেন। বিশেষ করে সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি। তারা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে দেশে যেতে না পারলে ভিসা বাতিল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
প্রবাসী আয় কমার আশঙ্কা
বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের একটি বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়া থেকে। ভিসা বন্ধের কারণে নতুন কর্মী যেতে না পারলে প্রবাসী আয় কমতে পারে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পেয়েছে, যা ২০২৬ সালে কমতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিকল্প দেশ খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন কর্মীরা
অনেক কর্মী এখন বিকল্প দেশ খুঁজছেন। ইউরোপ ও এশিয়ার কিছু দেশে কাজের সুযোগ বেড়েছে। তবে সেখানে ভাষা ও সংস্কৃতিগত বাধা রয়েছে। এছাড়া খরচও বেশি হতে পারে।
ভিসা প্রক্রিয়ায় প্রতারণার ঝুঁকি বেড়েছে
ভিসা বন্ধের সুযোগ নিয়ে প্রতারকরা কর্মীদের টোপ দিচ্ছে। তারা ভুয়া ভিসা অফার করে টাকা আদায় করছে। বিএমইটি ও দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকে হালনাগাদ তথ্য যাচাই না করলে প্রতারণার শিকার হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
বিকল্প পথ: কোন দেশে এখনো ওয়ার্ক ভিসা পাওয়া যাচ্ছে?

ভিসা বন্ধের মধ্যেও কিছু দেশ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ওয়ার্ক ভিসা দিচ্ছে। নিচে সেগুলোর তালিকা দেওয়া হলো।
| দেশ | খাত | ভিসা প্রক্রিয়া | খরচ (আনুমানিক) |
|---|---|---|---|
| পোল্যান্ড | নির্মাণ, উৎপাদন, কৃষি | ওয়ার্ক পারমিট + ভিসা | ১-২ লাখ টাকা |
| রোমানিয়া | নির্মাণ, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ | ওয়ার্ক পারমিট + ভিসা | ১.৫-৩ লাখ টাকা |
| জাপান | টেকনিক্যাল ইন্টার্ন, নির্মাণ, কৃষি | টেকনিক্যাল ইন্টার্ন ট্রেনিং প্রোগ্রাম | ২-৪ লাখ টাকা |
| দক্ষিণ কোরিয়া | উৎপাদন, নির্মাণ, কৃষি | ইপিএস সিস্টেম | ১-২ লাখ টাকা |
| সিঙ্গাপুর | নির্মাণ, জাহাজ শিল্প, সেবা | ওয়ার্ক পারমিট | ১-৩ লাখ টাকা |
উপরের দেশগুলোতে কাজের সুযোগ থাকলেও ভাষা ও সংস্কৃতিগত চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি দেশের নিজস্ব নিয়ম ও শর্ত রয়েছে। বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের ওয়েবসাইট দেখুন।
নতুন দেশে যাওয়ার আগে করণীয় কী?
নতুন দেশে যাওয়ার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। নিচে সেগুলো উল্লেখ করা হলো।
বিএমইটি নিবন্ধন ও অনুমোদন নিশ্চিত করা
বিদেশে যাওয়ার আগে অবশ্যই বিএমইটি (বureau of manpower employment and training) থেকে নিবন্ধন ও অনুমোদন নিতে হবে। বিএমইটি ছাড়া বিদেশে যাওয়া অবৈধ। বিএমইটির ওয়েবসাইট থেকে নিবন্ধন ও ভিসা যাচাই করা যায়।
ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের শর্ত ভালোভাবে বোঝা
প্রতিটি দেশের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের শর্ত আলাদা। কাজের ধরন, মেয়াদ, বেতন ও অন্যান্য সুবিধা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন। দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকে অফিসিয়াল তথ্য সংগ্রহ করুন।
দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকে হালনাগাদ তথ্য যাচাই
ভিসা নিয়ম প্রায়ই পরিবর্তন হয়। তাই যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকে হালনাগাদ তথ্য যাচাই করুন। উদাহরণস্বরূপ, পোল্যান্ডের জন্য পোল্যান্ড দূতাবাসের ভিসা পেজ দেখুন।
প্রতারণা এড়াতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্সি বেছে নেওয়া
শুধুমাত্র বিএমইটি অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কাজের জন্য যান। বিএমইটির ওয়েবসাইট থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সির তালিকা পাওয়া যায়। কোনো এজেন্সি অগ্রিম বড় অঙ্কের টাকা চাইলে সতর্ক হোন।
সতর্কতা: ভিসা জালিয়াতি থেকে বাঁচার উপায়
ভিসা বন্ধের সময় প্রতারণার ঝুঁকি বেড়ে যায়। নিচে কিছু সতর্কতা দেওয়া হলো।
অনলাইনে ভুয়া ভিসা অফার থেকে সাবধান
সোশ্যাল মিডিয়া বা ইমেইলে আসা ভিসা অফার সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। অফিসিয়াল চ্যানেল ছাড়া কোনো ভিসা অফার গ্রহণ করবেন না।
কখনো অগ্রিম বড় অঙ্কের টাকা দেবেন না
ভিসা প্রক্রিয়ায় অগ্রিম বড় অঙ্কের টাকা চাইলে বুঝবেন এটি প্রতারণা। বৈধ এজেন্সি সাধারণত কাজের পর বা কিস্তিতে টাকা নেয়।
বিএমইটি ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন
সন্দেহ হলে বিএমইটির হটলাইন ১৬২৬৩ বা প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন। তারা আপনাকে সঠিক তথ্য দিতে পারবে।
ভিসা স্ট্যাটাস যাচাই করতে দেশটির ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন
ভিসা পেলে দেশটির ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে গিয়ে ভিসা স্ট্যাটাস যাচাই করুন। উদাহরণস্বরূপ, সৌদি আরবের জন্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
২০২৬ সালে সৌদি আরবে কি নতুন ওয়ার্ক ভিসা দেওয়া হচ্ছে?
না, ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সৌদি আরব নিটামারত সিস্টেম আপডেটের কারণে নতুন ওয়ার্ক ভিসা ইস্যু বন্ধ রেখেছে। তবে পুরনো ভিসা বৈধ রয়েছে।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা কবে খুলবে?
মালয়েশিয়া সরকার রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি নিয়ে জটিলতা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছে। কবে খুলবে তা নিশ্চিত নয়। বিএমইটির ওয়েবসাইটে হালনাগাদ তথ্য দেখুন।
বিকল্প দেশে যেতে কত খরচ হতে পারে?
খরচ দেশ ও এজেন্সির উপর নির্ভর করে। সাধারণত ১-৪ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। তবে প্রতারণা এড়াতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সি বেছে নিন।
ভিসা বন্ধ থাকলে কি আগের ভিসা বৈধ থাকবে?
হ্যাঁ, ভিসা বন্ধ থাকলেও ইতিমধ্যে ইস্যু করা ভিসা তার মেয়াদ পর্যন্ত বৈধ থাকে। তবে ভিসার শর্ত অনুযায়ী দেশে প্রবেশের সময়সীমা আছে, তাই দ্রুত ব্যবস্থা নিন।
Frequently asked questions
২০২৬ সালে সৌদি আরবে কি নতুন ওয়ার্ক ভিসা দেওয়া হচ্ছে?
না, ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সৌদি আরব নিটামারত সিস্টেম আপডেটের কারণে নতুন ওয়ার্ক ভিসা ইস্যু বন্ধ রেখেছে। তবে পুরনো ভিসা বৈধ রয়েছে।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা কবে খুলবে?
মালয়েশিয়া সরকার রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি নিয়ে জটিলতা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছে। কবে খুলবে তা নিশ্চিত নয়। বিএমইটির ওয়েবসাইটে হালনাগাদ তথ্য দেখুন।
বিকল্প দেশে যেতে কত খরচ হতে পারে?
খরচ দেশ ও এজেন্সির উপর নির্ভর করে। সাধারণত ১-৪ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। তবে প্রতারণা এড়াতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সি বেছে নিন।
ভিসা বন্ধ থাকলে কি আগের ভিসা বৈধ থাকবে?
হ্যাঁ, ভিসা বন্ধ থাকলেও ইতিমধ্যে ইস্যু করা ভিসা তার মেয়াদ পর্যন্ত বৈধ থাকে। তবে ভিসার শর্ত অনুযায়ী দেশে প্রবেশের সময়সীমা আছে, তাই দ্রুত ব্যবস্থা নিন।