Key takeaways
- ২০২৬ সালে ওমান ওয়ার্ক ভিসার জন্য বাধ্যতামূলক ডিজিটাল চুক্তি যাচাই ও ব্যাংক লেনদেন ভিত্তিক বেতন ব্যবস্থা চালু হয়েছে।
- বাংলাদেশ থেকে আবেদনে বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও গামকা মেডিকেল সম্পন্ন করতে হবে; প্রক্রিয়াকরণ সময় গড়ে ৬-১০ সপ্তাহ।
- দক্ষ কর্মীদের মাসিক বেতন ২০০-৪০০ রিয়াল (প্রায় ৬০,০০০-১,২০,০০০ টাকা) এবং নির্দিষ্ট পেশায় এনওসি ছাড়া চাকরি পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে।
- কোনো অননুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা আনবেন না; সবসময় অফিসিয়াল সূত্র (ROP, BMET) যাচাই করুন।
ওমান ওয়ার্ক ভিসা হলো একটি অনুমতিপত্র যা একজন বাংলাদেশি কর্মীকে বৈধভাবে ওমানে কাজ করার সুযোগ দেয়। ২০২৬ সালে ওমান সরকার বেশ কিছু নতুন নিয়ম চালু করেছে—ডিজিটাল চুক্তি যাচাই, বাধ্যতামূলক ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে বেতন পরিশোধ এবং নির্দিষ্ট খাতে নো-আপত্তি (NOC) ছাড়াই চাকরি বদলানোর সুযোগ। একজন দক্ষ কর্মী এখন মাসিক ২০০-৪০০ ওমানি রিয়াল (প্রায় ৬০,০০০-১,২০,০০০ টাকা) বেতনের আশা করতে পারেন, কিন্তু আবেদন প্রক্রিয়ায় সঠিক নিয়ম-কানুন জানা জরুরি। ওমান ওয়ার্ক ভিসার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের এই পরিবর্তনগুলো কর্মীদের জন্য নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করছে।

ওমান ওয়ার্ক ভিসা কী এবং কেন প্রয়োজন?
ওমান ওয়ার্ক ভিসা (বলতে গেলে ‘এমপ্লয়মেন্ট ভিসা’) হলো ওমানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শ্রম মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত একটি ভিসা, যা একজন বিদেশি নাগরিককে ওমানে কোনো নিয়োগকর্তার অধীনে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি দেয়। ওমানে বৈধ কাজের জন্য এই ভিসা ছাড়া কোনো বিদেশি কর্মী অবস্থান করতে পারবেন না, তাই এটি প্রতিটি কর্মীর জন্য অপরিহার্য। ভিসার মেয়াদ সাধারণত দুই বছর, যা নিয়মিত নবায়নযোগ্য। ওমান ওয়ার্ক ভিসা কেবলমাত্র একটি স্পন্সরশিপ-ভিত্তিক ভিসা, অর্থাৎ নিয়োগকর্তাই মূল আবেদনকারী এবং তিনি ওমানের স্থানীয় স্পন্সর। ভিসার ধরন অনুযায়ী (পেশাভিত্তিক, অস্থায়ী বা চুক্তিভিত্তিক) এর শর্তাদি ভিন্ন হতে পারে। এই ভিসা ছাড়া কাজ করলে সেটি অবৈধ অভিবাসন হিসেবে গণ্য হয় এবং জরিমানা, কারাদণ্ড বা নির্বাসনের মতো শাস্তি হতে পারে।
২০২৬ সালে ওমান ওয়ার্ক ভিসার নতুন কী কী নিয়ম চালু হয়েছে?
আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ওমান ওয়ার্ক ভিসা পদ্ধতিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। এগুলো প্রবাসী কর্মীদের অধিকার রক্ষা ও প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে চালু করা হয়েছে:
- ডিজিটাল চুক্তি যাচাই (Digital Contract Verification): এখন ভিসা ইস্যুর আগে কর্মীর সঙ্গে নিয়োগকর্তার চুক্তি অনলাইনে যাচাই করা বাধ্যতামূলক। ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয়ের পোর্টালে এই চুক্তি জমা দিতে হয় এবং ভিসার আবেদনের আগে তা অনুমোদিত হতে হয়। কর্মী তাঁর দেওয়া তথ্য যাচাই করতে পারবেন।
- বেতন সুরক্ষা ব্যবস্থা (Wage Protection System): ২০২৬ সালে সম্পূর্ণরূপে চালু হয়েছে যে সব প্রবাসী কর্মীর বেতন সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করতে হবে। নগদ বেতন প্রদান কমিয়ে আনা হয়েছে এবং নিয়ম ভেঙে নগদে বেতন দিলে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা ধার্য হবে। ফলে বেতন নিয়ে বিরোধ কমেছে।
- নো-আপত্তি (NOC) ছাড়াই চাকরি পরিবর্তনের সুযোগ সম্প্রসারণ: নির্দিষ্ট কিছু দক্ষ পেশায় (যেমন: শিক্ষকতা, স্বাস্থ্যসেবা, প্রকৌশল, আইটি) এখন কর্মীরা পূর্বের নিয়োগকর্তার কোনো এনওসি ছাড়াই চাকরি পরিবর্তন করতে পারেন। সাধারণ ও অদক্ষ শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এখনও কিছু শর্ত প্রযোজ্য হলেও, চুক্তির মেয়াদ পূরণ সাপেক্ষে পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
- নিয়োগকর্তার জন্য টায়ার্ড কোটা ফি: যে সব কোম্পানিতে প্রবাসী কর্মীর সংখ্যা বেশি, তাদের ভিসা কোটা ফি বেশি দিতে হয়। এটি প্রবাসী শ্রমিক নির্ভরতা কমাতে এবং স্থানীয় কর্মসংস্থান বাড়াতে নেওয়া হয়েছে।
ওমান ওয়ার্ক ভিসার প্রধান ধরনসমূহ
ওমান ওয়ার্ক ভিসা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দেওয়া হয়। সাধারণত যে ভিসাগুলো বাংলাদেশিদের জন্য প্রযোজ্য:
- এমপ্লয়মেন্ট ভিসা (Employment Visa): নির্দিষ্ট নিয়োগকর্তার অধীনে দীর্ঘমেয়াদি চাকরির জন্য, মেয়াদ ২ বছর।
- 템পোরারি ওয়ার্ক ভিসা (Temporary Work Visa): স্বল্পমেয়াদি প্রকল্প বা চুক্তির জন্য, সাধারণত ৬ মাস থেকে ১ বছর।
- ইঞ্জিনিয়ারিং ভিসা (Engineering Visa): প্রকৌশল ও কারিগরি পেশার জন্য বিশেষায়িত ভিসা।
- ড্রাইভিং ভিসা (Driving Visa): ভারী ও হালকা যানবাহন চালকদের জন্য, আলাদা শর্ত ও টেস্ট প্রয়োজন।
- গৃহকর্মী ভিসা (Domestic Worker Visa): বাসা-বাড়িতে কাজের জন্য, বিশেষ নিয়মাবলি প্রযোজ্য।
বাংলাদেশ থেকে ওমান ওয়ার্ক ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া (ধাপে ধাপে)
বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ওমান ওয়ার্ক ভিসা পেতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখবেন, ভিসাটি নিয়োগকর্তাই স্পন্সর করেন, তাই বৈধ নিয়োগকর্তা বা অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।
- চাকরি খোঁজা ও প্রস্তাব গ্রহণ: সরাসরি অনলাইনে ওমানি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করুন অথবা বাংলাদেশের বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চাকরি খুঁজুন। নিয়োগকর্তা আপনাকে একটি জব অফার লেটার ও চুক্তিপত্র দেবেন। ভালোভাবে বেতন, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য সুবিধা যাচাই করে নিন। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত এজেন্সি তালিকা দেখে নিন।
- ডিজিটাল চুক্তি যাচাই: নিয়োগকর্তা আপনার সাথে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি শ্রম মন্ত্রণালয়ের অনলাইন সিস্টেমে (https://www.mol.gov.om) আপলোড করবেন। কর্তৃপক্ষ চুক্তি যাচাই করে অনুমোদন দিলে ভিসা প্রক্রিয়া শুরু হবে। কর্মীও ইমেইলে চুক্তির কপি পাবেন।
- বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স: বাংলাদেশের সকল কর্মীকে বিএমইটি (জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। বিএমইটির ওয়েবসাইটে (https://www.bmet.gov.bd) অনলাইন নিবন্ধন করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, মেডিকেল পরীক্ষা ও প্রাক-প্রস্থান প্রশিক্ষণের সময়সূচী নিন। বিএমইটির সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বোঝার জন্য আমাদের বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন গাইড পড়ুন।
- মেডিকেল পরীক্ষা ও প্রশিক্ষণ: বিএমইটি কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গামকা পরীক্ষা (GAMCA মেডিকেল) সম্পন্ন করুন। এরপর বিএমইটির বাধ্যতামূলক ওরিয়েন্টেশন ওয়ার্কশপে অংশ নিন। এই প্রশিক্ষণ ওমানের সংস্কৃতি ও শ্রম আইন সম্পর্কে ধারণা দেবে।
- ভিসা স্ট্যাম্পিং ও টিকিট: নিয়োগকর্তা আপনার ভিসার আবেদন Royal Oman Police (ROP)-এর ই-ভিসা পোর্টালে (https://evisa.rop.gov.om) জমা দেবেন। ভিসা অনুমোদিত হলে, আপনাকে পাসপোর্টে স্ট্যাম্প দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের ওমান দূতাবাসে জমা দিতে হবে। এরপর এয়ার টিকিট নিয়ে ওমানের উদ্দেশ্যে রওনা দিন।

ওমান ওয়ার্ক ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় নথি
ওমান ওয়ার্ক ভিসার আবেদনের জন্য নিচের নথিগুলো প্রস্তুত রাখতে হবে। প্রতিটি নথি সঠিকভাবে প্রস্তুত না করলে ভিসা বিলম্ব বা বাতিল হতে পারে।
- মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস বাকি, পর্যাপ্ত ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে)
- পাসপোর্ট সাইজের ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ২ কপি, সাম্প্রতিক তোলা)
- জব অফার লেটার ও স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্র (ইংরেজি ও আরবিতে অনূদিত)
- বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও ট্রেনিং সার্টিফিকেট (ওরিয়েন্টেশন শেষে দেওয়া হয়)
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (সদ্য ইস্যুকৃত, সাধারণত ৩ মাসের মধ্যে)
- স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল রিপোর্ট (গামকা অনুমোদিত, নির্দিষ্ট রোগমুক্তির প্রমাণ)
- নিয়োগকর্তার বৈধতা ও ঠিকানা প্রমাণক (যেমন: CR, মিউনিসিপ্যাল লাইসেন্স – নিয়োগকর্তা সরবরাহ করবেন)
এছাড়া, কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট প্রয়োজন হতে পারে, বিশেষ করে দক্ষ পেশায়।
ওমান ওয়ার্ক ভিসার খরচ ২০২৬
ওমান ওয়ার্ক ভিসার ফি নির্ভর করে ভিসার ধরন ও দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের ওপর। সাধারণত, ভিসা স্ট্যাম্পিং ফি ২০ থেকে ৫০ ওমানি রিয়াল (প্রায় ৬,০০০-১৫,০০০ টাকা)। তবে নিয়োগকর্তার মোট খরচ—যা মেডিকেল বীমা, সরকারি রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য চার্জসহ—১৫০ থেকে ২৫০ রিয়াল পর্যন্ত হতে পারে। অনেক নিয়োগকর্তা এই খরচ বহন করলেও, কখনও কখনও অতিরিক্ত ফি কর্মীর কাছ থেকে নেওয়ার ঘটনা ঘটে, যা অবৈধ। ওমানের আইন অনুযায়ী, ভিসা ফি নিয়োগকর্তার বহন করার কথা। কর্মীর কাছ থেকে কোনো রিক্রুটমেন্ট ফি নেওয়া বেআইনি। নিচের টেবিলে একটি সাধারণ হিসাব দেওয়া হলো:
| খরচের ধরন | পরিমাণ (ওমানি রিয়াল) | মন্তব্য |
|---|---|---|
| ভিসা স্ট্যাম্পিং ফি | ২০-৫০ | প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক ফি |
| মেডিকেল বীমা ও রেজিস্ট্রেশন | ১০০-১৫০ | বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য বীমা |
| কর্মী নিয়োগ ট্যাক্স/লেবার ফি | ৩০-৫০ | কোম্পানির মাপ অনুযায়ী পরিবর্তনশীল |
| জরুরি প্রক্রিয়াকরণ (এক্সপ্রেস) | অতিরিক্ত ৫০-১০০ | ২-৪ সপ্তাহের জন্য |
সূত্র: রয়্যাল ওমান পুলিশ ই-ভিসা পোর্টাল এবং বাংলাদেশের শ্রমিক রিক্রুটিং এজেন্সি সমূহের গড় চার্জ। উল্লেখ্য, সরকারি ফি পরিবর্তনশীল, সর্বশেষ তথ্যের জন্য প্রাসঙ্গিক ওয়েবসাইট দেখুন।

ওমান ওয়ার্ক ভিসা প্রসেসিং টাইম
ওমান ওয়ার্ক ভিসার প্রক্রিয়াকরণ সময় নির্ভর করে নিয়োগকর্তার নথি প্রস্তুতি ও সরকারি দপ্তরের কাজের চাপের ওপর। সাধারণত, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ৬ থেকে ১০ সপ্তাহ সময় লাগে। কিন্তু জরুরি ভিত্তিতে আবেদন করলে (এক্সপ্রেস প্রসেসিং) তা ২ থেকে ৪ সপ্তাহে সম্পন্ন হতে পারে, যদিও এর জন্য অতিরিক্ত ফি দিতে হবে। বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও মেডিকেল পরীক্ষার সময়সীমাও এর সাথে যোগ হয়। তাই পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে গড়ে ২ থেকে ৩ মাস সময় রাখা উচিত। ঈদ বা সরকারি ছুটির মৌসুমে প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত বিলম্ব হতে পারে।
ওমানে মাসিক বেতন কত? (বেতন কাঠামো ২০২৬)
ওমানে চাকরির বেতন পদ, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, একজন সাধারণ অদক্ষ শ্রমিক মাসে ১২০ থেকে ১৮০ রিয়াল পেতে পারেন, যেখানে একজন দক্ষ কারিগর বা টেকনিশিয়ান ২০০ থেকে ৪০০ রিয়াল বেতনের আশা করতে পারেন। পেশাজীবী (ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, ম্যানেজার) পদে বেতন ৫০০ থেকে ১৫০০ রিয়াল পর্যন্ত হয়। ওমান ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে যাওয়া কর্মীদের জন্য এই বেতন কাঠামো জেনে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ, যাতে নিয়োগকর্তার সাথে আলোচনায় সুবিধা হয়। নিচের টেবিলে একটি সাধারণ ধারণা দেওয়া হলো:
| পেশার স্তর | মাসিক বেতন (ওমানি রিয়াল) | মাসিক বেতন (প্রায় টাকায়) |
|---|---|---|
| অদক্ষ শ্রমিক (নির্মাণ, কৃষি) | ১২০-১৮০ | ৩৬,০০০-৫৪,০০০ |
| কারিগর/টেকনিশিয়ান | ২০০-৩০০ | ৬০,০০০-৯০,০০০ |
| ড্রাইভার (ভারী/হালকা) | ১৮০-২৮০ | ৫৪,০০০-৮৪,০০০ |
| দক্ষ পেশাজীবী (ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার) | ২৫০-৪০০ | ৭৫,০০০-১,২০,০০০ |
| উচ্চতর পেশা (প্রকৌশলী, শিক্ষক) | ৫০০-১,০০০ | ১,৫০,০০০-৩,০০,০০০ |
| স্বাস্থ্যসেবা (নার্স, ডাক্তার) | ৭০০-১,৫০০ | ২,১০,০০০-৪,৫০,০০০ |
ওমানে অনেক কোম্পানি থাকা-খাওয়ার সুবিধা, চিকিৎসা বীমা ও বছরে একবার দেশে যাওয়ার বিমান টিকিট দিয়ে থাকে। এগুলো চুক্তিতে স্পষ্ট উল্লেখ থাকা জরুরি।
ওমান ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে প্রতারণা ও সতর্কতা
ওমান ওয়ার্ক ভিসা পাওয়ার জন্য অনেকেই প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়েন। ২০২৬ সালে কিছু সাধারণ প্রতারণার ধরন ও প্রতিরোধে করণীয়:
- জাল ভিসা বা অফার লেটার: অনেক দালাল কম খরচে ভিসার প্রলোভন দেখান। কখনোই আগাম টাকা দেবেন না। নিয়োগকর্তার নাম, CR নম্বর ও ফোন নম্বর যাচাই করুন। ওমানি শ্রম মন্ত্রণালয় ও ROP পোর্টালে ভিসার সত্যতা যাচাই করুন।
- অতিরিক্ত রিক্রুটমেন্ট ফি: ওমানি আইনে নিয়োগকর্তাকে ভিসা ফি বহন করতে হয়। কেউ আপনার কাছ থেকে
Frequently asked questions
ওমান ওয়ার্ক ভিসার জন্য বয়স সীমা কত?
অদক্ষ পদের জন্য সাধারণত বয়স ১৮-৪৫ বছর নির্ধারিত। অত্যন্ত দক্ষ পেশাজীবীদের ক্ষেত্রে ৬০ বছর পর্যন্ত বয়স গ্রহণযোগ্য, তবে তা পেশা ও ভিসা নীতিমালার ওপর নির্ভর করে।
ওমান ওয়ার্ক ভিসা কি স্ব-স্পন্সরড হতে পারে?
না, ওমান ওয়ার্ক ভিসা সবসময় একজন বৈধ ওমানি নিয়োগকর্তা বা প্রতিষ্ঠান স্পন্সর করে। ফ্রিল্যান্স বা স্বাধীন ভিসার সুযোগ বর্তমানে নেই। তবে কিছু ফ্রি-জোন কর্তৃপক্ষ বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ ভিসা দেয়।
ওমানে পাসপোর্ট জমা দেওয়া কি বাধ্যতামূলক?
আইন অনুযায়ী, কর্মীর পাসপোর্ট নিজের কাছেই রাখা উচিত। তবে কিছু নিয়োগকর্তা প্রশাসনিক কারণে জমা নেওয়ার চেষ্টা করেন, যা মানবাধিকার লঙ্ঘন হতে পারে। প্রয়োজনে দূতাবাসের সাহায্য নিন।
ওমান ওয়ার্ক ভিসার মেয়াদ কত বছর?
সাধারণত ২ বছর, যা নিয়োগকর্তা ও কর্মীর সম্মতিতে পুনরায় ২ বছরের জন্য নবায়ন করা যায়।