ওমান ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬: নিয়ম, বেতন ও খরচের গাইড

ওমান ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬-এর নতুন নিয়ম, খরচ, বেতন ও প্রসেসিং সময় জানুন। বিএমইটি ক্যাপ ৮৪,০০০ টাকা, গ্রিন ভিসা ও ফ্যামিলি স্পনসরশিপের শর্তসহ।

Key takeaways

  • ওমান ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬-এ পেতে নিয়োগকর্তার অনুমোদন ও চাকরির প্রস্তাব বাধ্যতামূলক
  • বৈধ পথে মোট খরচ ১,২০,০০০-১,৫০,০০০ টাকা; বিএমইটি ক্যাপ ৮৪,০০০ টাকা
  • প্রসেসিং সময় ৫-৭ কার্যদিবস, তবে বাংলাদেশি প্রক্রিয়ায় আরও ২-৪ সপ্তাহ লাগে
  • পরিবার নিতে মাসিক বেতন ১,০০০ ওমানি রিয়াল হতে হবে
  • ওভারস্টে করলে দৈনিক ১০ ওমানি রিয়াল জরিমানা ও জেল/নির্বাসনের ঝুঁকি

ওমান ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬-এ পেতে চাইলে প্রথমেই আপনার একটি বৈধ চাকরির প্রস্তাব থাকতে হবে ওমানি নিয়োগকর্তার কাছ থেকে, যিনি ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন নেবেন। নতুন ডিজিটাল ই-ভিসা সিস্টেমে অনলাইনে আবেদন করা যায়, প্রসেসিং হয় ৫-৭ কার্যদিবসে, আর ভিসা ফি মাত্র ৫০ ওমানি রিয়াল (প্রায় ১২,৫০০ টাকা)। বাংলাদেশ থেকে পুরো প্রক্রিয়ার খরচ সরকারি ক্যাপ অনুযায়ী ৮৪,০০০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। তবে প্রতারণা এড়াতে সরকারি সূত্র যাচাই করা জরুরি।

মূল তথ্য একনজরে

  • ২০২৬-এ ওমান ওয়ার্ক ভিসা পেতে বাধ্যতামূলক চাকরির প্রস্তাব ও নিয়োগকর্তার অনুমোদন লাগে।
  • ই-ভিসা সিস্টেম চালু; আবেদন থেকে পাসপোর্ট স্ট্যাম্পিং—সবই অনলাইনে, সময় ৫-৭ দিন।
  • বাংলাদেশি কর্মীদের রিক্রুটমেন্ট খরচ সর্বোচ্চ ৮৪,০০০ টাকা (বিএমইটি নির্ধারিত) ধার্য করা হয়েছে।
  • পরিবার নিয়ে যেতে চাইলে মাসিক বেতন কমপক্ষে ১,০০০ ওমানি রিয়াল (২,৫০,০০০ টাকা) হতে হবে।
  • ওভারস্টে করলে দৈনিক ১০ ওমানি রিয়াল জরিমানাসহ জেল বা নির্বাসন হতে পারে।

২০২৬ সালে ওমান ওয়ার্ক ভিসার নতুন নিয়ম কী কী?

Oman Ministry of Labour building Muscat — ওমান ওয়ার্ক ভিসা
Oman Ministry of Labour building Muscat

২০২৬ সালে ওমান তাদের শ্রমবাজার আধুনিকায়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে, যা সরাসরি বিদেশি কর্মীদের প্রভাবিত করবে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো ওমান গ্রিন ভিসা চালু, দক্ষ কর্মীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের সুযোগ। এটি উচ্চশিক্ষিত বা অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের জন্য, যেখানে ভিসা মেয়াদ ৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং পরিবার স্পনসর করা সহজ হয়।

জানুয়ারি ২০২৬ থেকে নতুন শ্রম আইন অনুযায়ী, বিদেশি কর্মী নিয়োগের সময় নিয়োগকর্তাকে স্বাস্থ্য বীমা ও আবাসনের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করতে হবে। ফলে কর্মীরা মৌলিক সুবিধা নিয়ে নিশ্চিত হয়ে আসতে পারেন। এছাড়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল ই-ভিসা সিস্টেম চালু হয়েছে—আবেদন, ফি জমা, স্ট্যাটাস চেক সবই ‘তাশিল’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনলাইনে করা যাচ্ছে। এতে প্রসেসিং সময় দ্রুততর হয়েছে।

ওমানাইজেশন নীতি-ও ২০২৬-এ আরও কঠোর হয়েছে; নির্মাণ, খুচরা বিক্রয়, এবং প্রশাসনিক খাতসহ বেশ কিছু সেক্টরে স্থানীয় (ওমানি) কর্মী নিয়োগের বাধ্যবাধকতা বেড়েছে। ফলে চাহিদা কমতে পারে কিছু অদক্ষ কাজে, তবে ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, এবং আইটি প্রফেশনালদের মতো দক্ষ কর্মীদের চাহিদা এখনও উচ্চ। বিস্তারিত জানতে ওমান শ্রম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট নিয়মিত চেক করা জরুরি।

ওমান ওয়ার্ক ভিসার খরচ কত? (বিস্তারিত খরচের তালিকা)

Bangladeshi worker passport and money
Bangladeshi worker passport and money

ওমান ওয়ার্ক ভিসা পেতে প্রধান খরচ দুটি ধাপে হয়—একটি ওমানে ভিসা স্ট্যাম্পিং ও মেডিকেল, আরেকটি বাংলাদেশে রিক্রুটমেন্ট প্রক্রিয়ায়। ওমানের নিজস্ব ফি তুলনামূলক কম, কিন্তু দালাল বা অবৈধ এজেন্সি অনেক সময় অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয়। ২০২৬-এর হালনাগাদ খরচ নিচের টেবিলে দেওয়া হলো:

খরচের ধরণ পরিমাণ (ওমানি রিয়াল) প্রায় টাকায় (BDT)
ওয়ার্ক ভিসা ফি (ই-ভিসা) ৫০ OMR ১২,৫০০
মেডিকেল টেস্ট (ওমানে) ২০-৩০ OMR ৫,০০০-৭,৫০০
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (বাংলাদেশ) ৫০০-১,০০০
বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ও স্মার্ট কার্ড ২,০০০-৩,০০০
এয়ার টিকেট (বাংলাদেশ-মাস্কাট) ৪০,০০০-৬০,০০০
রিক্রুটিং এজেন্সির ফি (সরকারি ক্যাপ) সর্বোচ্চ ৮৪,০০০* (পুরো প্রসেসসহ)
মোট সম্ভাব্য খরচ ১,২০,০০০ – ১,৫০,০০০ (বৈধ পথে)

*বিএমইটি নির্ধারিত রিক্রুটমেন্ট খরচের সর্বোচ্চ সীমা ৮৪,০০০ টাকা (ভিসা, মেডিকেল, ট্রেনিং ইত্যাদি মিলিয়ে)। তবে এয়ার টিকেট আলাদাভাবে কর্মীকে বহন করতে হতে পারে। যেকোনো এজেন্সি এর বেশি চাইলে বিএমইটি বা বায়রা-এ অভিযোগ করুন।

ওমানে কাজের ভিসার জন্য ন্যূনতম বেতন কত?

Oman construction worker salary
Oman construction worker salary

ওমানে বিদেশি কর্মীদের জন্য কোনো সরকারি ন্যূনতম মজুরি নেই, তবে বাস্তবে যে বেতন অফার করা হয় তা বিভিন্ন পেশাভেদে আলাদা। ২০২৬-এর হিসাব অনুযায়ী, আনঅস্কিল্ড (সাধারণ) শ্রমিক যেমন নির্মাণ বা কৃষি খাতে মাসিক বেতন ১৫০-২৫০ ওমানি রিয়াল (প্রায় ৩৭,৫০০-৬২,৫০০ টাকা)। দক্ষ কর্মী বা টেকনিশিয়ানরা (ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, এসি মেকানিক) সাধারণত ৩০০-৪০০ ওমানি রিয়াল (৭৫,০০০-১,০০,০০০ টাকা) পেয়ে থাকেন।

পেশা মাসিক গড় বেতন (OMR) প্রায় টাকায় (BDT)
সাধারণ নির্মাণ শ্রমিক ১৫০ – ২০০ ৩৭,৫০০ – ৫০,০০০
কৃষি শ্রমিক / ক্লিনার ১৫০ – ১৮০ ৩৭,৫০০ – ৪৫,০০০
ইলেকট্রিশিয়ান ৩০০ – ৩৫০ ৭৫,০০০ – ৮৭,৫০০
প্লাম্বার ৩০০ – ৩৫০ ৭৫,০০০ – ৮৭,৫০০
এসি মেকানিক / ওয়েল্ডার ৩৫০ – ৪০০ ৮৭,৫০০ – ১,০০,০০০
হালকা গাড়ির চালক ২৫০ – ৩০০ ৬২,৫০০ – ৭৫,০০০

মনে রাখবেন, বেতন চুক্তিপত্রে উল্লেখ থাকবেই, এবং নিয়োগকর্তা কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে শ্রম মন্ত্রণালয় ভিসা অনুমোদন করে। পরিবার নিয়ে যেতে চাইলে অবশ্য বেতন হতে হবে ন্যূনতম ১,০০০ ওমানি রিয়াল (প্রায় ২,৫০,০০০ টাকা)।

ওমান ওয়ার্ক ভিসায় পরিবার নিয়ে যাওয়া যাবে কি?

Oman family visa sponsorship
Oman family visa sponsorship

জি, ২০২৬ সালে ওমান ওয়ার্ক ভিসাধারীরা নির্দিষ্ট শর্তে পরিবার (স্বামী/স্ত্রী ও সন্তান) নিয়ে যেতে পারেন। এর জন্য আবেদন করতে হবে ফ্যামিলি জয়েনিং ভিসা-র আওতায়। প্রধান শর্তগুলো হলো:

  • আপনার মাসিক বেতন হতে হবে ন্যূনতম ১,০০০ ওমানি রিয়াল (প্রায় ২,৫০,০০০ টাকা)। গ্রিন ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই সীমা শিথিল হতে পারে।
  • নিয়োগকর্তা আপনাকে পরিবারসহ আবাসন দিচ্ছেন, অথবা আপনার বেতন এমন হতে হবে যাতে আপনি নিজে ভাড়া বহন করতে পারেন।
  • পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য স্বাস্থ্য বীমা ও মেডিকেল টেস্ট বাধ্যতামূলক।
  • স্পনসরকৃত পরিবারের সদস্যরা ওমানে কাজ করতে পারবেন না, আলাদা ওয়ার্ক পারমিট না নিলে।

আবেদন অনলাইনে আরওপি (রয়্যাল ওমান পুলিশ) পোর্টাল বা তাশিল সিস্টেমের মাধ্যমে করতে হবে। ফ্যামিলি ভিসার ফি জনপ্রতি ২০-৩০ ওমানি রিয়াল।

ওমান ওয়ার্ক ভিসার মেডিকেল টেস্টের প্রয়োজনীয়তা কী?

ওমানে যাওয়ার আগে ও পরে—দুইবারই মেডিকেল পরীক্ষা দিতে হয়। বাংলাদেশে বিএমইটি অনুমোদিত যেকোনো মেডিকেল সেন্টার থেকে প্রথম টেস্ট করাতে হবে (সাধারণত বুকের এক্স-রে, রক্ত পরীক্ষা, হেপাটাইটিস বি ও সি, এইচআইভি, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি)। ওমানে পৌঁছানোর পর ৩০ দিনের মধ্যে আবার সরকারি হাসপাতাল বা অনুমোদিত ক্লিনিকে দ্বিতীয় টেস্ট বাধ্যতামূলক; এতে যক্ষ্মা (টিবি) ও অন্যান্য সংক্রামক রোগ বিশেষভাবে দেখা হয়।

খরচ: বাংলাদেশে মেডিকেল ফি ২,০০০-৫,০০০ টাকা; ওমানে গড়ে ২০-৩০ ওমানি রিয়াল (প্রায় ৫,০০০-৭,৫০০ টাকা)। কোন রিপোর্ট পজিটিভ এলে ভিসা বাতিল বা ডিপোর্ট হতে পারে, তাই স্বাস্থ্যসচেতন থাকুন।

ওমান ওয়ার্ক ভিসা প্রসেসিংয়ে কত দিন লাগে?

২০২৬-এর ই-ভিসা সিস্টেম চালু হওয়ায় ওমান ওয়ার্ক ভিসা প্রসেসিং অত্যন্ত দ্রুত হয়েছে। নিয়োগকর্তা ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর অনলাইনে আবেদন করলে, কাগজপত্র সঠিক থাকা সাপেক্ষে ৫-৭ কার্যদিবসের মধ্যে ভিসা ইস্যু হয়ে যায়। তবে বাংলাদেশের রিক্রুটিং প্রক্রিয়া (মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, বিএমইটি স্মার্ট কার্ড, ট্রেনিং ইত্যাদি) শেষ করতে আরও ২-৪ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

মনে রাখবেন, তাশিল প্ল্যাটফর্মে (তাশিল) আবেদনের পর স্ট্যাটাস অনলাইনে ট্র্যাক করা যায়। কোন তথ্য ভুল হলে অথবা ডকুমেন্ট অসম্পূর্ণ থাকলে প্রসেসিং থমকে যেতে পারে—তাই সতর্কতা জরুরি।

ওমানাইজেশন নীতি কী এবং বিদেশি কর্মীদের উপর এর প্রভাব কী?

ওমানাইজেশন হলো ওমান সরকারের একটি দীর্ঘমেয়াদি নীতি, যার লক্ষ্য স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে চাকরিতে অগ্রাধিকার দিয়ে বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভরতা কমানো। ২০২৬-এ এই নীতি আরও সম্প্রসারিত হয়েছে—নির্মাণ, পরিবহন, দোকান-পাট, এমনকি কিছু অফিস সহায়ক পদেও নির্দিষ্ট কোটা পূরণ করতে নিয়োগকর্তাদের বাধ্য করা হচ্ছে।

ফলে যেসব খাতে দক্ষতার চাহিদা কম, সেখানে বিদেশি কর্মী নিয়োগ আগামী দিনে কমতে পারে। তবে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন (টেকনিশিয়ান, ইঞ্জিনিয়ার, নার্স) ও অভিজ্ঞ কর্মীদের চাহিদা রয়েই গেছে। তাই সম্ভাব্য প্রবাসীদের উচিত নিজেকে দক্ষ করে তোলা এবং প্রশিক্ষণ নেওয়া। ওমান যাওয়ার আগে বিএমইটি’র ওয়েবসাইটে দেশভিত্তিক চাহিদা জেনে নিন।

ওমানে ভিসা ওভারস্টে করলে জরিমানা কী?

ওমানে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও থাকলে (ওভারস্টে) কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হয়। ২০২৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিদিনের জন্য ১০ ওমানি রিয়াল (প্রায় ২,৫০০ টাকা) জরিমানা ধার্য হয়। জরিমানা ছাড়াও দীর্ঘদিন ওভারস্টে করলে জেল, জরিমানা বা নির্বাসন—যেকোনোটি হতে পারে।

ভিসার মেয়াদ বাড়াতে চাইলে মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে ১৫ দিন আগে তাশিল বা আরওপি অফিসে আবেদন করুন। নিয়োগকর্তা চাইলে ভিসা রিনিউ করে দিতে পারেন; তবে সেটি নিয়োগকর্তার ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। ওভারস্টে এড়াতে পাসপোর্টের ভিসা স্ট্যাম্পের মেয়াদ সবসময় চোখে রাখুন।

Frequently asked questions

ওমান ওয়ার্ক ভিসা পেতে কত খরচ হয়?

বৈধ পথে মোট খরচ ১,২০,০০০ থেকে ১,৫০,০০০ টাকা হতে পারে। বিএমইটি নির্ধারিত রিক্রুটমেন্ট খরচ সর্বোচ্চ ৮৪,০০০ টাকা, এর সাথে এয়ার টিকিট ও অন্যান্য খরচ যোগ হয়।

ওমান ওয়ার্ক ভিসা প্রসেসিংয়ে কত দিন লাগে?

ওমানে ভিসা ইস্যু হতে ৫-৭ কার্যদিবস লাগে। তবে বাংলাদেশের রিক্রুটিং প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও ২-৪ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

ওমানে পরিবার নিয়ে যাওয়ার শর্ত কী?

মাসিক বেতন কমপক্ষে ১,০০০ ওমানি রিয়াল (প্রায় ২,৫০,০০০ টাকা) হতে হবে এবং নিয়োগকর্তাকে পরিবারসহ আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

ওমান গ্রিন ভিসা কী?

ওমান গ্রিন ভিসা দক্ষ কর্মীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি (৫ বছর পর্যন্ত) বসবাসের অনুমতি, যাতে পরিবার স্পনসর করা সহজ হয়।

ওমানে ভিসা ওভারস্টে করলে জরিমানা কত?

প্রতিদিন ১০ ওমানি রিয়াল (প্রায় ২,৫০০ টাকা) জরিমানা, সাথে জেল বা নির্বাসনের সম্ভাবনা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *