Key takeaways
- মালয়েশিয়া ভিসা চেকের অফিসিয়াল পোর্টাল esd.imi.gov.my, যেখানে পাসপোর্ট ও রেফারেন্স নাম্বার দিয়ে স্ট্যাটাস দেখা যায়।
- ২০২৬ সালে OTP ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক, তাই নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর চালু রাখুন।
- G2G কর্মীদের জন্য BMET এবং প্রাইভেট কর্মীদের জন্য হাইকমিশন পোর্টাল বিকল্প।
- ভিসা প্রসেসিং সময় ৩-৬ সপ্তাহ, আর FOMEMA মেডিকেল ফি RM ২৫০।
- ভুয়া অ্যাপ বা ওয়েবসাইট এড়িয়ে শুধু অফিসিয়াল সোর্স ব্যবহার করুন।
মালয়েশিয়া ভিসা চেক করতে চাইলে এখন আপনার পাসপোর্ট নাম্বার আর ভিসা রেফারেন্স নম্বর দিয়েই অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে কয়েক মিনিটে সব জানা যায়। ২০২৬ সালে নতুন করে যোগ হয়েছে ৬-ডিজিটের OTP ভেরিফিকেশন, যা নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। এই গাইডে দেখাব কীভাবে esd.imi.gov.my-তে ভিসা স্ট্যাটাস চেক করবেন, বিকল্প চ্যানেলগুলো কী, আর কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন। মনে রাখবেন, ভিসা নিয়ম সময়ে সময়ে বদলায়, তাই সবশেষ আপডেটের জন্য অফিসিয়াল সোর্স যাচাই করুন।
মালয়েশিয়া ভিসা চেক কী এবং কেন প্রয়োজন?
মালয়েশিয়া ভিসা চেক মানে আপনার আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানা— জমা হয়েছে, প্রক্রিয়াধীন, নাকি অনুমোদিত। ২০২৬ সালে এই চেক এখন আরও কঠোর, কারণ OTP ছাড়া স্ট্যাটাস দেখা যায় না। নিয়মিত চেক করলে আপনি জানবেন কবে ফ্লাইটের টিকিট কাটতে হবে, আর দালালদের প্রতারণা এড়াতে পারবেন।
শুধু কর্মী নয়, নিয়োগকর্তা বা পরিবারের সদস্যরাও পাসপোর্ট নাম্বার ও রেফারেন্স থাকলে দেখতে পারেন। নিজে চেক করলে মনের ভুল দূর হয়, আর এজেন্সির দেওয়া মিথ্যা আশ্বাসে ধোঁকা খেতে হয় না। পাশাপাশি, ভিসা প্রক্রিয়ায় কোনো অগ্রগতি না হলে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকে।

পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে অনলাইনে ভিসা চেকের ধাপে ধাপে পদ্ধতি (esd.imi.gov.my)
মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের (JIM) অফিসিয়াল পোর্টাল esd.imi.gov.my। নিচের ধাপগুলো ফলো করলেই স্ট্যাটাস পেয়ে যাবেন:
- ওয়েবসাইটে যান: ব্রাউজারে টাইপ করুন esd.imi.gov.my। পৃষ্ঠায় ‘Expatriate Services Division’ লেখা দেখতে পাবেন।
- লগইন কর্নার খুঁজুন: ডানদিকে ‘Visa Status Enquiry’ বক্সে দুটি ফিল্ড থাকবে— Passport Number এবং Reference Number।
- পাসপোর্ট নাম্বার দিন: হুবহু, স্পেস বা হাইফেন ছাড়া। যেমন: B1234567। ভুল করলে স্ট্যাটাস আসবে না। পাসপোর্টের মেশিন-রিডেবল জোন (MRZ) থেকে সংখ্যা ও অক্ষর যাচাই করে নিন।
- ভিসা রেফারেন্স নাম্বার দিন: এটি ১২-ডিজিটের, সাধারণত VDR দিয়ে শুরু হয়। এজেন্সি বা নিয়োগকর্তা দেবেন।
- ক্যাপচা পূরণ ও সার্চ: ছবির অক্ষর টাইপ করে ‘Check Status’ চাপুন। ক্যাপচা কেস সেনসিটিভ নয়, তবে পরিষ্কার করে টাইপ করুন।
- OTP ভেরিফিকেশন (নতুন ২০২৬): নিবন্ধিত মোবাইলে ৬-ডিজিটের OTP যাবে। পৃষ্ঠায় টাইপ করে ‘Verify’ করুন। OTP না এলে ২ মিনিট অপেক্ষা করে ‘Resend’ চাপুন। OTP নম্বরটি ভুলে গেলে অথবা মোবাইল নম্বর পরিবর্তন হলে এজেন্সি বা নিয়োগকর্তার মাধ্যমে JIM-এ আপডেট করতে হবে।
- ফলাফল: স্ক্রিনে ‘Approved’, ‘Pending’, বা ‘Rejected’ দেখাবে। নিচে মন্তব্য থাকতে পারে, যেমন ‘Pending security clearance’।
মনে রাখবেন, এই পোর্টাল মূলত এক্সপ্যাট্রিয়েট ও দক্ষ কর্মীদের জন্য, তবে সাধারণ ওয়ার্ক পারমিটধারীদেরও রেফারেন্স থাকলে কাজ করে। পোর্টালটি মাঝে মধ্যে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ডাউন থাকতে পারে; তখন ২-৩ ঘণ্টা পর চেষ্টা করুন।
বিকল্প উপায়: BMET এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন পোর্টাল
সব কর্মী JIM-এর সরাসরি সেবা পান না, বিশেষ করে G2G (সরকারি চুক্তি) কর্মীরা। তাঁদের জন্য আছে বিকল্প প্ল্যাটফর্ম।
BMET ওয়েবসাইট (bmet.gov.bd)
বাংলাদেশের বিএমইটি (Bureau of Manpower, Employment and Training) bmet.gov.bd-তে ‘Visa Status Check’ অপশন রেখেছে। G2G কর্মীরা শুধু পাসপোর্ট নাম্বার ও জন্মতারিখ দিয়ে স্ট্যাটাস দেখতে পারেন। ‘Overseas Employment’ মেনুতে ‘Check Visa Status’ লিঙ্কে ক্লিক করে ফর্ম পূরণ করুন। BMET-এর তথ্য নির্ভরযোগ্য এবং প্রতি সপ্তাহে আপডেট হয়। সাইটটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই ব্যবহার করা যায়।
বাংলাদেশ হাইকমিশন, কুয়ালালামপুর (bdhc.org.my)
২০২৬ সালে বাংলাদেশ হাইকমিশন bdhc.org.my-এ ‘Worker Visa Verification’ সেবা চালু করেছে। এখানে পাসপোর্ট নম্বর ও ক্যাপচা দিয়ে ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের সত্যতা যাচাই করা যায়। প্রাইভেট এজেন্সির কর্মীরাও ব্যবহার করতে পারেন। হাইকমিশনের ওয়েবসাইটে ‘ভিসা যাচাই’ নামে একটি আলাদা ট্যাব রয়েছে, যেখানে প্রবেশ করলেই ফর্ম ওপেন হবে।
কোন পোর্টাল কখন ব্যবহার করবেন? G2G হলে প্রথমে BMET, প্রাইভেট হলে JIM-এর esd.imi.gov.my (রেফারেন্স থাকলে), আর সন্দেহ হলে হাইকমিশন পোর্টালে ভেরিফাই করুন।

কেন আমার ভিসা স্ট্যাটাস ‘PENDING’ দেখাচ্ছে?
‘পেন্ডিং’ দেখলে আতঙ্কিত হবেন না; মালয়েশিয়া ভিসা প্রক্রিয়ায় এটি স্বাভাবিক। সাধারণ কারণগুলো:
- সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স: প্রতিটি আবেদনকারীর পটভূমি যাচাই করা হয়, যা সময় নেয়।
- অসম্পূর্ণ কাগজপত্র: এজেন্সি বা নিয়োগকর্তা কোনো ডকুমেন্ট জমা না দিলে আটকে থাকে।
- নিয়োগকর্তার অনুমোদন: FWCMS সিস্টেমে নিয়োগকর্তাকে কোটা ও ডকুমেন্ট ভেরিফাই করতে হয়।
- উচ্চ আবেদন চাপ: ২০২৬ সালে ২ লাখ কোটা থাকায় চাপ বেশি।
সাধারণত ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত ‘পেন্ডিং’ থাকলে উদ্বেগের কিছু নেই। তবে তার বেশি হলে ব্যবস্থা নিন।
৮ সপ্তাহের বেশি PENDING হলে করণীয়:
- এজেন্সি বা নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করুন, তাঁরা FWCMS-এ আপডেট দেখতে পারেন।
- BMET হেল্পলাইনে (০১৭৭৯০০০০০) ফোন বা ইমেইল করুন।
- মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন হটলাইন +603-8000 8000 বা ইমেইল: enquiry@imi.gov.my-তে যোগাযোগ করুন।
- হাইকমিশনের ওয়ার্কার হেল্পলাইনে (কুয়ালালামপুর) ফোন করতে পারেন।

মালয়েশিয়া ওয়ার্ক ভিসা পেতে কতদিন লাগে? (প্রসেসিং টাইম ও ফি)
সাধারণ প্রসেসিং সময় ৩ থেকে ৬ সপ্তাহ (গড় ৪ সপ্তাহ)। তবে নিচের বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে সময় কম বা বেশি হতে পারে:
- নিয়োগকর্তা FWCMS-এ কত দ্রুত ডকুমেন্ট জমা দেন
- সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্সের জটিলতা
- কোটা পূরণের অবস্থা (বছর শেষে দ্রুত পূরণ হয়)
এখানে ভিসা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান (সর্বশেষ ২০২৬):
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| ভিসা প্রসেসিং সময় (VDR) | ৩–৬ সপ্তাহ, গড় ৪ সপ্তাহ |
| ভিসা ফি | RM ১,৫০০ (প্রায় BDT ৪৫,০০০); সাধারণত নিয়োগকর্তা বহন করেন |
| FOMEMA মেডিকেল ফি | RM ২৫০ (প্রায় BDT ৭,৫০০); কর্মীকে পরিশোধ করতে হয় |
| ২০২৬ সালের কোটা | প্রায় ২,০০,০০০ বাংলাদেশি কর্মীর জন্য |
| বাংলাদেশি কর্মী (প্রায়) | মালয়েশিয়ায় ১.২ মিলিয়ন |
| G2G ভিসা আবেদনের সফলতার হার | প্রায় ৯৫% |
ভিসা ফি ছাড়াও এজেন্সি ফি, মেডিকেল, প্রশিক্ষণ ফি আলাদা। যেকোনো লেনদেনের রসিদ সংরক্ষণ করুন। বিস্তারিত ফি ও সময়সীমার জন্য আমাদের মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ফি ২০২৬ আর্টিকেলটি দেখুন।
ভিসা চেক করতে কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?
অনলাইনে ভিসা স্ট্যাটাস দেখতে আপনার কাছে নিচের তথ্য থাকতে হবে:
- পাসপোর্ট: ভ্যালিডিটি অন্তত ১৮ মাস বাকি। পাসপোর্ট নম্বর হুবহু দিন।
- ভিসা রেফারেন্স নাম্বার: JIM-এ চেক করতে আবশ্যক। নিয়োগকর্তা বা এজেন্সি দেবেন।
- নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর: ২০২৬ সালে OTP আসবে যে নম্বরে, সেটি চালু রাখুন।
- জন্মতারিখ: BMET-এর মতো কিছু পোর্টালে লাগে।
কোনো ফি লাগে না; অফিসিয়াল চেক সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কেউ টাকা চাইলে সতর্ক হোন।
পাসপোর্ট নাম্বার ছাড়া কি ভিসা চেক করা যায়?
পাসপোর্ট নাম্বার ছাড়া ভিসা স্ট্যাটাস দেখা সম্ভব নয়, কারণ এটি আপনার পরিচয়ের মূল সূত্র। তবে কিছু ক্ষেত্রে:
- শুধু পুরোনো রিসিট নম্বর বা এজেন্সি রেফারেন্স দিয়ে চেক করা যায় না।
- JIM-এর esd.imi.gov.my-তে ভিসা রেফারেন্স নাম্বার থাকলে পাসপোর্ট নাম্বার আবশ্যক।
- শুধু BMET-এর G2G পোর্টালে পাসপোর্ট নাম্বার আর জন্মতারিখ দিয়েই চেক করা যায়, ভিসা রেফারেন্স ছাড়া।
তাই পাসপোর্ট ফটোকপি বা ছবি সবসময় কাছে রাখুন।
‘Visa Approved’ দেখালে এরপর কী করবেন?
ভিসা ‘Approved’ দেখালে স্বস্তি, তবে কাজ শেষ নয়। পরবর্তী ধাপগুলো:
- নিয়োগকর্তার সাথে যোগাযোগ: তাঁরা ফ্লাইটসহ অন্যান্য ব্যবস্থা করবেন।
- FOMEMA মেডিকেল: মালয়েশিয়া পৌঁছানোর ৩০ দিনের মধ্যে বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষা। পাস করলে ভিসা ‘ACTIVE’ হবে। খরচ RM ২৫০।
- ভিসা প্রিন্ট: ভ্রমণের আগে ভিসার কপি প্রিন্ট করে নিন।
- বীমা ও ট্রাভেল: এজেন্সি বা নিয়োগকর্তা সাধারণত দেখে।
মনে রাখবেন, চূড়ান্ত ওয়ার্ক পারমিট পেতে পুরো প্রক্রিয়ায় সক্রিয় থাকতে হবে। মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর পর ওয়ার্ক পারমিট ইস্যুর সম্পূর্ণ গাইডের জন্য মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়া পড়ুন।
মোবাইল অ্যাপ দিয়ে ভিসা চেক করা যায় কি?
দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমানে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বা বাংলাদেশ সরকারের কোনো অফিসিয়াল মোবাইল অ্যাপ নেই ভিসা স্ট্যাটাস চেকের জন্য। প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোরে যেসব অ্যাপ দেখতে পান তা ভুয়া এবং তথ্য চুরির আশঙ্কা থাকে। শুধুমাত্র ওয়েবসাইট (esd.imi.gov.my, bmet.gov.bd, bdhc.org.my) ব্যবহার করুন। এজেন্সির দেওয়া কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না।
মালয়েশিয়া ভিসা চেক করার সময় সতর্কতা ও সাধারণ ভুল
ভিসা স্ট্যাটাস দেখতে গিয়ে অনেকে ছোটখাটো ভুল করে বসেন, যা এড়ানো সহজ। নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখুন:
- ভুয়া ওয়েবসাইট: শুধুমাত্র অফিসিয়াল .gov.my ডোমেইন ব্যবহার করুন। esd.imi.gov.my-এর পরিবর্তে esd.imi-gov.com বা অন্য কোনো সাইটে যাবেন না।
- পাবলিক ওয়াই-ফাই: ভিসা চেকের সময় পাবলিক ওয়াই-ফাই এড়িয়ে চলুন, কারণ পাসপোর্ট ডেটা চুরির ঝুঁকি থাকে।
- OTP শেয়ার: কোনো অবস্থাতেই কাউকে OTP বলবেন না। এজেন্সি বা দালাল চাইলেও দেবেন না।
- পুরোনো তথ্য: পাসপোর্ট নবায়ন করলে পুরোনো নাম্বার কাজ করবে না। নতুন পাসপোর্টের তথ্য আপডেট করতে এজেন্সিকে বলুন।
- বহুবার চেষ্টা: একই তথ্য বারবার সার্চ করলে কিছু পোর্টাল ব্লক করতে পারে। ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন।
এসব সতর্কতা মানলে আপনার তথ্য সুরক্ষিত থাকবে এবং ভিসা চেক দ্রুত সম্পন্ন হবে।
সাধারণ সমস্যা ও সমাধান
ভিসা চেক করতে গিয়ে ছোটখাটো সমস্যায় পড়তে পারেন। জেনে নিন সমাধান:
- পাসপোর্ট নম্বর ভুল: স্পেস, হাইফেন, বা লেটার মিসিং প্রায়ই ঘটে। পাসপোর্টের মেশিন-রিডেবল জোন দেখে টাইপ করুন।
- OTP না আসা: কয়েক মিনিট অপেক্ষা, স্প্যাম ফোল্ডার চেক, নেটওয়ার্ক ঠিক আছে কিনা দেখুন। ‘Resend OTP’ চাপুন।
- ক্যাপচা ভুল: রিফ্রেশ করে নতুন ক্যাপচা আনুন।
- সাইট ডাউন: রক্ষণাবেক্ষণের সময় রাতে বা সপ্তাহান্তে সমস্যা হতে পারে। পরে চেষ্টা করুন।
- ‘Invalid Reference’ দেখায়: ভিসা রেফারেন্স নম্বর ঠিক আছে কিনা নিশ্চিত করুন, এজেন্সির সঙ্গে কথা বলুন।
যদি কোনোভাবেই সমাধান না মেলে, হাইকমিশনের ওপেন হাউসে যোগ দিন (প্রতি বৃহস্পতিবার, কুয়ালালামপুরে)।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
মালয়েশিয়া ভিসা চেক করতে কতক্ষণ লাগে?
esd.imi.gov.my-তে স্ট্যাটাস দেখতে ২-৩ মিনিট সময় লাগে। তবে OTP আসতে কয়েক সেকেন্ড দেরি হতে পারে।
ভিসা রেফারেন্স নাম্বার হারিয়ে গেলে কী করব?
আপনার নিয়োগকারী বা এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করুন। তাঁরা FWCMS থেকে রেফারেন্স নম্বর পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।
JIM ওয়েবসাইটে ‘No Record Found’ দেখালে কী করণীয়?
প্রথমে পাসপোর্ট ও রেফারেন্স নম্বর যাচাই করুন। যদি সঠিক হয়, তবে আপনার আবেদন JIM-এ জমা হয়নি। এজেন্সি বা নিয়োগকর্তার সাথে কথা বলে FWCMS সাবমিশন নিশ্চিত করুন।
G2G এবং প্রাইভেট ভিসার মধ্যে পার্থক্য কী?
G2G (সরকারি চুক্তি) ভিসা BMET-এর মাধ্যমে হয়, ফি কম এবং প্রক্রিয়া সহজ। প্রাইভেট ভিসা সরাসরি নিয়োগকর্তা বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সির মাধ্যমে হয়, ফি বেশি হতে পারে।
ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া ভিসা চেক করা যায়?
হ্যাঁ, ওয়ার্ক পারমিট ইস্যুর আগেই ভিসা স্ট্যাটাস চেক করা যায়। পোর্টালে শুধু ভিসা রেফারেন্স ও পাসপোর্ট দিলেই চলবে।
পরিশেষে, মালয়েশিয়া ভিসা চেক এখন আপনার হাতের মুঠোয়, কিন্তু তথ্যের নিরাপত্তা ও সতর্কতা জরুরি। অচেনা ওয়েবসাইটে পাসপোর্ট নম্বর দেবেন না, আর ‘গ্যারান্টি’ ভিসার প্রলোভনে পা দেবেন না। নিয়মিত স্ট্যাটাস চেক করে প্রস্তুত থাকুন, আর মালয়েশিয়ায় সুন্দর কর্মজীবনের পথে এগিয়ে যান। আপনার যাত্রা শুভ হোক।
Frequently asked questions
মালয়েশিয়া ভিসা চেক করতে কতক্ষণ লাগে?
esd.imi.gov.my-তে স্ট্যাটাস দেখতে ২-৩ মিনিট সময় লাগে। তবে OTP আসতে কয়েক সেকেন্ড দেরি হতে পারে।
ভিসা রেফারেন্স নাম্বার হারিয়ে গেলে কী করব?
আপনার নিয়োগকারী বা এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করুন। তাঁরা FWCMS থেকে রেফারেন্স নম্বর পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।
JIM ওয়েবসাইটে ‘No Record Found’ দেখালে কী করণীয়?
প্রথমে পাসপোর্ট ও রেফারেন্স নম্বর যাচাই করুন। যদি সঠিক হয়, তবে আপনার আবেদন JIM-এ জমা হয়নি। এজেন্সি বা নিয়োগকর্তার সাথে কথা বলে FWCMS সাবমিশন নিশ্চিত করুন।
G2G এবং প্রাইভেট ভিসার মধ্যে পার্থক্য কী?
G2G (সরকারি চুক্তি) ভিসা BMET-এর মাধ্যমে হয়, ফি কম এবং প্রক্রিয়া সহজ। প্রাইভেট ভিসা সরাসরি নিয়োগকর্তা বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সির মাধ্যমে হয়, ফি বেশি হতে পারে।