Key takeaways
- পাসপোর্ট নাম্বার ও জাতীয়তা দিয়েই কুয়েত ভিসা চেক করা যায়, ভিসা নাম্বার লাগে না।
- শুধুমাত্র অফিশিয়াল MOI ওয়েবসাইট (moi.gov.kw) ও ‘Kuwait MOI’ অ্যাপ ব্যবহার করুন।
- ভিসা চেক সম্পূর্ণ বিনামূল্যে; কোনো ফি বা দালাল এড়িয়ে চলুন।
- ভিসা না পেলে ডাটা এন্ট্রি ভুল, অ্যাক্টিভেশন বাকি বা সিস্টেম আপডেটের কারণ হতে পারে।
- ২০২৬ সালে কুয়েতে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষ এবং ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সময় ২-৪ সপ্তাহ।
কুয়েত ভিসা চেক করতে চাইলে আপনাকে এখন আর ভিসা নাম্বার মনে রাখতে হবে না—শুধু পাসপোর্ট নাম্বার ও জাতীয়তা দিলেই অফিশিয়াল MOI ওয়েবসাইট বা অ্যাপে ভিসার স্ট্যাটাস, মেয়াদ ও ধরণ দেখতে পাবেন। ২০২৬ সালে কুয়েত সরকার নতুন ‘ডিজিটাল ভিসা স্ট্যাম্প’ এবং অত্যাধুনিক ই-সার্ভিসেস চালু করেছে, ফলে অনলাইন যাচাই এখন আগের চেয়ে বহুগুণ নির্ভুল ও নিরাপদ। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে—তাই কোনো তৃতীয় পক্ষকে টাকা দেবেন না, কারণ এগুলো অনানুষ্ঠানিক ও ঝুঁকিপূর্ণ।
মূল বিষয়:
- পাসপোর্ট নাম্বার ও জাতীয়তা (Bangladeshi) বসিয়েই কুয়েত ভিসা চেক করা যায়, ভিসা নাম্বারের প্রয়োজন নেই।
- অফিশিয়াল ওয়েবসাইট moi.gov.kw ও ‘Kuwait MOI’ মোবাইল অ্যাপই একমাত্র নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।
- ভিসা চেক বিনামূল্যে; ফি চাওয়া ওয়েবসাইট বা দালাল এড়িয়ে চলুন।
- ভিসা না পেলে ডাটা এন্ট্রি ভুল, অ্যাক্টিভেশন বাকি বা সিস্টেম আপডেটের কারণ হতে পারে, অস্থির না হয়ে নিয়োগকর্তা বা দূতাবাসে যোগাযোগ করুন।
- ২০২৬ সালে কুয়েতে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষ, এবং ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সময় ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

কুয়েত ভিসা চেক কী এবং কেন জরুরি?
কুয়েত ভিসা চেক মানে কুয়েত সরকারের ইমিগ্রেশন ডাটাবেজে আপনার ওয়ার্ক পারমিট বা ভিসার বর্তমান অবস্থা যাচাই করা। বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য এটি কতটা জরুরি, তা বলে শেষ করতে পারব না। কারণ, সম্প্রতি ভুয়া ভিসা বা এজেন্সি জালিয়াতির ঘটনা বেড়েছে। তাই দেশ ছাড়ার আগে কিংবা চাকরি শুরু করার পূর্বমুহূর্তেও একটি অনলাইন চেক আপনাকে প্রতারণা থেকে বাঁচাতে পারে।
২০২৬ সালে কুয়েত তার ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। গত বছর (২০২৫) পুরোদমে চালু হওয়া আপগ্রেডেড MOI ই-সার্ভিসেস প্ল্যাটফর্ম এখন পাসপোর্ট-ভিত্তিক তাৎক্ষণিক ভেরিফিকেশন দেয়। একইসঙ্গে চলতি বছরে ‘ডিজিটাল ভিসা স্ট্যাম্প’ চালু হওয়ায় ফিজিক্যাল স্টিকার বা সিলমোহরের প্রয়োজনীয়তা প্রায় শেষ। এর ফলে বিদেশি কর্মীদের আইনি অবস্থান নিশ্চিত করতে অনলাইন চেক-ই এখন একমাত্র ভরসা।
আইনিভাবে কুয়েতে প্রবেশ করলেও, যদি আপনার ভিসা ডাটাবেজে সক্রিয় না থাকে, তাহলে আপনি গ্রেপ্তার ও নির্বাসিত হতে পারেন। তাই প্রতিবার দেশে ফেরার পর ভিসা নবায়ন হলে, নতুন চাকরি নিলে, এমনকি স্পনসর পরিবর্তন করলেও আপনি কুয়েত ভিসা চেক করে নেবেন। পাশাপাশি ‘হোয়াইট কার্ড’ (স্বাস্থ্য বীমা) আপনার ভিসার সঙ্গেই সংযুক্ত হয়, কাজেই ভিসা চেকের মাধ্যমেই আপনি নিজের বীমা স্ট্যাটাসও জেনে নিতে পারবেন।
পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে কুয়েত ভিসা চেক করার ধাপে ধাপে নিয়ম
২০২৬ সালের হিসাবে এটি সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। আপনার দরকার হবে মাত্র একটি ইন্টারনেট সংযোগ ও বৈধ পাসপোর্ট। মোবাইল থেকে ‘কুয়েত MOI’ অ্যাপ ব্যবহার করলে কাজটি আরও দ্রুত হবে। নিচে ওয়েবসাইট ও অ্যাপ—দুটির জন্যই একত্রে ধাপগুলো দেওয়া হলো।
ধাপ ১: অফিশিয়াল পোর্টালে যান
ওয়েবসাইটের জন্য ব্রাউজারে moi.gov.kw লিখে প্রবেশ করুন। অনেক সময় সাইটটি আরবিতে খোলে, তাহলে ওপরের দিকে ইংরেজি সিলেক্ট করুন। মোবাইল ব্যবহারকারীরা Google Play বা Apple Store থেকে ‘Kuwait MOI’ অ্যাপ ডাউনলোড করুন। সন্দেহজনক কোনো লিংক বা অ্যাপ নয়—অফিশিয়াল অ্যাপের ডেভেলপার অবশ্যই ‘Ministry of Interior – Kuwait’ হবে।
ধাপ ২: ভিসা সেবার অপশন খুঁজুন
হোমপেজে ‘E-Services’ অথবা ‘Visa Services’-এর বাটনে ক্লিক করুন। মোবাইল অ্যাপে নিচের মেন্যু থেকেই ‘Visa Inquiry’ পাবেন। পুরোনো পোর্টালে হয়তো ‘Departments’ থেকে ‘General Department of Residency’ ঢুকে ‘Visa Inquiry’ পেতে হতো, কিন্তু ২০২৬ এর সংস্করণে সরাসরি মূল পেইজেই অপশনটি দেয়া থাকে।

ধাপ ৩: পাসপোর্টের তথ্য দিন
এখানে তিনটি ফিল্ড দেখতে পাবেন:
- Passport Number – আপনার পাসপোর্টে যেমন লেখা আছে ঠিক সেভাবে টাইপ করুন (বড় হাতের অক্ষর ও সংখ্যা ঠিক রেখে) ।
- Nationality – ড্রপডাউন থেকে ‘Bangladesh’ বা ‘Bangladeshi’ সিলেক্ট করুন।
- Date of Birth (ঐচ্ছিক) – অনেক সময় জন্মতারিখ চায়, আবার কখনো চায় না। না চাইলে ফাঁকা রাখুন। তবে তথ্য সঠিক হতে হবে।
ভিসা নাম্বারের কোনো ফিল্ড দেখলে সেটি পূরণ করবেন না; পাসপোর্ট নাম্বার দিয়েই সার্চ হবে।
ধাপ ৪: ভেরিফিকেশন ও সার্চ
ছবি-সহ ক্যাপচা বা ‘I’m not a robot’ চেকবক্স পূরণ করে ‘Search’ বা ‘Inquiry’ বাটনে ক্লিক করুন। কখনো-বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) চাইতে পারে, যা আপনার ফোন নম্বরে (যদি রেজিস্টার্ড থাকে) বা ইমেইলে যাবে। OTP দিলে সার্চ সম্পন্ন হয়।
ধাপ ৫: ফলাফল পড়ুন ও প্রিন্ট করুন
সবকিছু ঠিক থাকলে পরবর্তী স্ক্রিনে আপনার ভিসার বিস্তারিত দেখাবে:
- ভিসার ধরন (কর্মসংস্থান/পর্যটন ইত্যাদি)
- স্পনসরের নাম ও আইডি
- ইস্যুর তারিখ ও মেয়াদ শেষের তারিখ
- বর্তমান স্ট্যাটাস: Active/Under Process/Expired
- হোয়াইট কার্ড (স্বাস্থ্য বীমা) নম্বর ও মেয়াদ
এই পেইজটি স্ক্রিনশট বা পিডিএফ করে রাখতে পারেন, দরকারে প্রিন্ট নিতে পারেন।
মনে রাখবেন: কুয়েত ভিসা চেকের এই পদ্ধতি শুধু বৈধ ও সক্রিয় ভিসার ক্ষেত্রেই কাজ করবে। যদি আপনার ভিসা ক্যানসেল্ড হয় বা এখনও ইস্যু না হয়, তাহলে ‘No data found’ দেখাবে।
কুয়েত ভিসা চেক কি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে?
হ্যাঁ, কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল পোর্টাল ও অ্যাপে কুয়েত ভিসা চেক সম্পূর্ণ ফ্রি। কোনো ধরনের ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং বা টাকা জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ২০২৬ সালেও এই নীতি অপরিবর্তিত। কিন্তু অনেক সময় তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট ভিসা চেকের নামে ৫-১০ ডলার পর্যন্ত ফি নিয়ে থাকে। এসব সাইটে আপনার পাসপোর্টের ছবি, জন্মতারিখসহ ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এগুলো একেবারেই ব্যবহার করবেন না।
এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া বা ইউটিউবে কিছু ভিডিওতে ভিসা চেকের বিনিময়ে টাকা দাবি করা হয়। এগুলোও প্রতারণা। একমাত্র moi.gov.kw এবং সরকারি অ্যাপ ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যম বিশ্বাসযোগ্য নয়। কোনো বাংলাদেশি এজেন্সি বা দালাল যদি বলে যে ‘আমি আপনার ভিসা চেক করে দিচ্ছি ৫০০ টাকায়’, তাহলে বুঝবেন সে আসলে সরকারি ফ্রি সাইট থেকেই তথ্য দেখিয়ে দিচ্ছে। তাই নিজেই শিখে নিন, টাকা বাঁচান।

কুয়েত ভিসা অনলাইনে না পেলে করণীয়
সব তথ্য সঠিক দিয়েও যদি ‘No Result Found’ বা ‘Invalid Information’ দেখায়, তাহলে আতঙ্কিত হবেন না। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
- পুনরায় তথ্য যাচাই করুন: পাসপোর্ট নাম্বার, ইংরেজি বানান ও জাতীয়তা ঠিক আছে কিনা দেখুন। জাতীয়তা ‘Bangladesh’ না হয়ে ‘Bangladeshi’ সিলেক্ট করার কারণে অনেক সময় ফলাফল আসে না।
- ভিসা অ্যাক্টিভেশন হয়েছে কি না নিশ্চিত হন: কুয়েতি নিয়োগকর্তা ভিসা ইস্যু করার পর অভিবাসন অফিস বা দূতাবাসে একটি অ্যাক্টিভেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এটা হতে ২৪-৪৮ ঘণ্টা লাগতে পারে। তাই ভিসা পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে চেক না করে একটু অপেক্ষা করুন।
- স্পনসর বা নিয়োগকর্তার সঙ্গে কথা বলুন: অনেক সময় ভিসার ফাইল নম্বর বা কোনো তথ্য ভুল থাকে। আপনার কুয়েতি স্পনসরই MOI-তে সংশোধন করাতে পারেন।
- বাংলাদেশ হাইকমিশন, কুয়েত: কুয়েতে অবস্থানরত বাংলাদেশ হাইকমিশন সরাসরি সহায়তা দেয়। তাদের ওয়েবসাইট bhckuwait.org থেকে যোগাযোগের নম্বর ও ইমেইল নিয়ে পরামর্শ নিন।
- বিএমইটি-র সহায়তা নিন: দেশে থাকা অবস্থায় ভিসা চেক করতে সমস্যা হলে বিএমইটি (বাংলাদেশ কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো)-র bmet.gov.bd ওয়েবসাইট বা নিকটস্থ অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

কুয়েত ওয়ার্ক ভিসা পেতে কতদিন লাগে?
২০২৬ সালের গড় চিত্র বলছে, বাংলাদেশ থেকে কুয়েতের ওয়ার্ক ভিসা ইস্যু হতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর ২ থেকে ৪ সপ্তাহ সময় লাগে। এই সময়ের মধ্যে কুয়েতের শ্রম মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন, চিকিৎসা পরীক্ষা এবং নিরাপত্তা ক্লিয়ারেন্স সম্পন্ন হয়। অবশ্য নিচের কারণে সময় কমবেশি হতে পারে:
- নিয়োগকর্তার দ্রুততা: স্পনসর যদি দ্রুত সব কাগজপত্র ও ফি জমা দেয়, তবে প্রক্রিয়া তরান্বিত হয়।
- বিএমইটি ছাড়পত্র: বাংলাদেশের এজেন্সি যদি বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ও ছাড়পত্র তাড়াতাড়ি পায়, তাহলে কুয়েতি ভিসা দ্রুত পৌঁছায়।
- হোয়াইট কার্ড: ২০২৪ থেকে বাধ্যতামূলক হোয়াইট কার্ড (স্বাস্থ্য বীমা) এখন ভিসা প্রক্রিয়ারই অংশ। বীমা পলিসি কিনতে অতিরিক্ত এক-দুই দিন লাগে।
- হঠাৎ নীতি পরিবর্তন: কুয়েত কখনো কখনো ভিসা কোটায় পরিবর্তন আনে, বিশেষ করে দেশভিত্তিক কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে। তাই ভিসা আবেদনের আগে সর্বশেষ তথ্য জেনে নিন।
তাই ভিসা আসতে দেরি হলে অস্থির না হয়ে যোগাযোগের মাধ্যম খোলা রাখুন। এ সময়ে নিয়মিত কুয়েত ভিসা চেক করে দেখতে পারেন স্ট্যাটাস ‘Under Process’ থেকে ‘Active’ হয়েছে কি না।
কুয়েত ভিসা চেকের জন্য ভিসা নাম্বার ছাড়া কি সম্ভব?
অবশ্যই সম্ভব, এবং ২০২৬ সালে এটিই সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। MOI-র আপগ্রেডেড ই-সার্ভিসেস প্ল্যাটফর্ম এখন পাসপোর্ট-ভিত্তিক সার্চকেই প্রাধান্য দেয়। ভিসা নাম্বার ঐচ্ছিক; যদি দেন, তাহলে রেজাল্ট আরও নির্ভুল হবে, কিন্তু ছাড়াও ভিসার বিস্তারিত তথ্য দেখা যায়।
মোবাইল অ্যাপেও একই সুবিধা রয়েছে। অনেকের কাছে ভিসা নাম্বার মুখস্থ থাকে না, বিশেষ করে যারা বদলি বা নবায়নের সময় পার করছেন। তাদের জন্য পাসপোর্ট নাম্বার-ই যথেষ্ট। তবু ডাটাবেজে কারও একাধিক ভিসা থাকলে ভিসা নাম্বার দিয়ে সার্চ করাই ভালো, কারণ পাসপোর্ট দিয়ে সার্চ করলে সর্বশেষ ভিসাটিই দেখাবে।
কুয়েত ভিসা ভেরিফিকেশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও অ্যাপ
জাল ওয়েবসাইট থেকে বাঁচতে নিচের লিংক ও মাধ্যমগুলোই শুধু ব্যবহার করুন। এগুলো কুয়েত সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রিত।
- ওয়েবসাইট: https://moi.gov.kw (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
- মোবাইল অ্যাপ: ‘Kuwait MOI’ – iOS ও Android উভয় প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যায়। অ্যাপ ইনস্টল করার পর লাইভ লোকেশন বা ক্যামেরার অনুমতি চাইলে দেবেন না; ভিসা চেকের জন্য এগুলোর দরকার নেই।
- অতিরিক্ত সূত্র: PACI (Public Authority for Civil Information) ওয়েবসাইটেও কিছু তথ্য মেলে, তবে সরাসরি ভিসা স্ট্যাটাস দেখতে MOI-ই প্রয়োজন।
- দূতাবাস: কুয়েতস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাইট bhckuwait.org থেকে জরুরি সহায়তার নম্বর ও ইমেইল পাবেন।
মনে রাখবেন, MOI সাইট বা অ্যাপ ছাড়া কেউ যদি অন্য কোনো ওয়েব ঠিকানা দেয়, তা বিশ্বাস করবেন না। সবসময় ঠিকঠাক URL দেখে প্রবেশ করুন।
Frequently asked questions
পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে কুয়েত ভিসা চেক করা যায়?
হ্যাঁ, কুয়েতের MOI ওয়েবসাইট বা অ্যাপে পাসপোর্ট নাম্বার ও জাতীয়তা দিয়ে সহজেই ভিসা চেক করা যায়। ভিসা নাম্বার ঐচ্ছিক।
কুয়েত ভিসা চেক করতে কত টাকা লাগে?
কুয়েত ভিসা চেক সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। অফিশিয়াল MOI পোর্টাল বা অ্যাপে কোনো ফি নেই। ফি চাইলে তা প্রতারণা।
কুয়েত ভিসা চেকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট কোনটি?
কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট https://moi.gov.kw এবং ‘Kuwait MOI’ মোবাইল অ্যাপই একমাত্র নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।
কুয়েত ভিসা চেকে No Result Found দেখালে কী করব?
তথ্য পুনরায় যাচাই করুন, ভিসা অ্যাক্টিভেশনের জন্য ২৪-৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন, স্পনসর বা নিয়োগকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন, প্রয়োজনে বাংলাদেশ হাইকমিশন বা বিএমইটি-র সাহায্য নিন।