দক্ষিণ কোরিয়া ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬: ৯ হাজার কোটা, EPS লটারি গাইড

দক্ষিণ কোরিয়া ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬: ৯ হাজার EPS কোটা, TOPIK I লেভেল ২, E-৯/D-১০ ভিসা, বেতন ও BOESL আবেদন প্রক্রিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়া ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬ সালের EPS (Employment Permit System) কোটা বাংলাদেশের জন্য প্রায় ৯,০০০ হওয়ার অনুমান। আবেদন করতে হলে BOESL-এর মাধ্যমে নিবন্ধন, TOPIK I লেভেল ২ পাস এবং HRD Korea পোর্টালে লটারি অংশগ্রহণ করতে হয়। লটারি থেকে ভিসা পাওয়ার সময় সাধারণত ৬ থেকে ১৮ মাস লাগে।

দক্ষিণ কোরিয়া ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬: কী কী পরিবর্তন এসেছে?

২০২৬ সালে চারটি বড় পরিবর্তন: (১) EPS কোটা বাড়ে ৯ হাজার, (২) HRD Korea পোর্টাল এখন বাংলায়, (৩) D-১০ জব সিকার ভিসা ৬ মাসে এক্সটেনশন, (৪) TOPIK I লেভেল ২ (৮০ নম্বর) বাধ্যতামূলক। নিচে প্রতিটি বিষয় বিস্তারিত।

South Korea EPS program infographic Bangladesh workers — দক্ষিণ কোরিয়া ওয়ার্ক ভিসা
South Korea EPS program infographic Bangladesh workers

EPS কোরিয়া ২০২৬: বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কী নতুন?

EPS বা Employment Permit System হল দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি শ্রম আমদানি প্রোগ্রাম যা ১৬টি প্রেরক দেশের কর্মীদের নিয়োগ করে। বাংলাদেশ ২০০৮ সাল থেকে এই সিস্টেমের অংশ। ২০২৬ সালে চারটি বড় পরিবর্তন এসেছে যা প্রতিটি আবেদনকারীর জানা দরকার।

  • কোটা বৃদ্ধি: ২০২৪ সালে ৭,০০০, ২০২৫ সালে ৮,৫০০ এবং ২০২৬ সালে প্রায় ৯,০০০ কোটার অনুমান (MOEL ট্রেন্ড অনুযায়ী)।
  • ত্রিভাষিক HRD Korea পোর্টাল: hrdkorea.or.kr এখন কোরিয়ান, ইংরেজি এবং বাংলা — তিন ভাষায় উপলব্ধ। প্রোফাইল তৈরি, লটারি এন্ট্রি এবং ফলাফল চেক বাংলায় করা যায়।
  • D-১০ ভিসা এক্সটেনশন: জব সিকার ভিসা এখন ৬ মাসের জন্য বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, একবারে রিনিউও সম্ভব। চাকরি না পাওয়া গেলে আরও সময় পাবেন।
  • বাধ্যতামূলক TOPIK I লেভেল ২: ২০২৬ থেকে সকল নতুন আবেদনকারীর জন্য TOPIK I-এ ন্যূনতম লেভেল ২ (৮০ নম্বর) পাস করা বাধ্যতামূলক। EPS-TOPIK আলাদা পরীক্ষা, সেটি কেবল লটারি এন্ট্রির জন্য।

প্রধান সংস্থা এবং তাদের ভূমিকা

সংস্থা ভূমিকা ওয়েবসাইট
BOESL (Bangladesh Overseas Employment and Services Limited) বাংলাদেশ পক্ষ থেকে নিবন্ধন, মেডিকেল, প্রশিক্ষণ এবং প্রি-ডিপারচার ব্যবস্থা boesl.gov.bd
HRD Korea (Human Resources Development Service of Korea) EPS পোর্টাল পরিচালনা, লটারি, জব ম্যাচিং, TOPIK/EPS-TOPIK পরীক্ষা hrdkorea.or.kr
MOEL (Ministry of Employment and Labor, South Korea) নীতিনির্ধারণ, কোটা বরাদ্দ, ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা moel.go.kr
Korea Immigration Service ভিসা ইস্যু, আয়তন বর্ধন, রি-এন্ট্রি পারমিট immigration.go.kr

E-৯ এবং D-১০ ভিসার পার্থক্য

E-৯ (Non-professional Employment): EPS লটারি দিয়ে চাকরি পাওয়ার পর পাওয়া যায়। সর্বোচ্চ ৪ বছর ১০ মাস থাকা যায়, ৩ মাস বাইরে থাকলে রি-এন্ট্রি সম্ভব। চাকরি নির্দিষ্ট কোম্পানি/ফ্যাক্টরির সাথে বাঁধা।

D-১০ (Job Seeker): চাকরি না থাকেও কোরিয়া যেতে পারেন। ৬ মাস থাকা যায়, একবারে ৬ মাস আর বর্ধন সম্ভব। এই সময়ে নিজে চাকরি খুঁজে পেলে E-৯-এ কনভার্ট করতে হয়। ২০২৬ থেকে এই অপশন আরও সহজ হয়েছে।

কোনটি বেছে নেবেন? লটারি দিয়ে চাকরি নিশ্চিত হলে E-৯ সেরা। লটারি না হলে বা নিজে চাকরি খুঁজতে চাইলে D-১০ ফলব্যাক হিসেবে কাজ করে। সম্পর্কিত: বাংলাদেশ থেকে বিদেশে চাকরির পথ: সম্পূর্ণ গাইড

EPS লটারি ২০২৬ বাংলাদেশ: সময়সূচী, যোগ্যতা এবং আবেদন প্রক্রিয়া

লটারি ঘোষণা এবং আবেদনের তারিখ (২০২৬ অনুমান)

HRD Korea সাধারণত বছরে দুবার লটারি ঘোষণা করে — ফেব্রুয়ারি-মার্চ এবং আগস্ট-সেপ্টেম্বর। ২০২৬ সালের প্রথম রাউন্ডের নিবন্ধন সম্ভবত ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ শুরু হবে এবং মার্চ ২০২৬-এ শেষ। লটারি ফলাফল সাধারণত নিবন্ধন বন্ধ হওয়ার ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ পায়। দ্বিতীয় রাউন্ডের জন্য আগস্ট ২০২৬-এ নজর রাখুন। সঠিক তারিখের জন্য HRD Korea পোর্টাল এবং BOESL ওয়েবসাইট নিয়মিত চেক করুন।

যোগ্যতার শর্তাবলী

  • বয়স: ১৮ থেকে ৩৯ বছর (লটারি আবেদনের তারিখে)
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম এসএসসি বা সমমান ডিগ্রি (২০২৬ থেকে কঠোর করা হয়েছে)
  • শারীরিক ফিটনেস: EPS মেডিকেল টেস্ট পাস করতে হবে (টিবি, হিপ্যাটাইটিস, এইচআইভি, নশা পরীক্ষা সহ)
  • ভাষা: TOPIK I লেভেল ২ (৮০ নম্বর) বা EPS-TOPIK পাস (২০২৬ থেকে বাধ্যতামূলক)
  • অপরাধ রেকর্ড: বাংলাদেশ ও কোরিয়া উভয় দেশে অপরাধ রেকর্ড না থাকা উচিত

BOESL ওয়েবসাইট দিয়ে অনলাইন নিবন্ধন ধাপে ধাপে

  1. boesl.gov.bd-এ যান এবং “EPS Korea” বা “কোরিয়া EPS” মেনুতে ক্লিক করুন।
  2. “নতুন নিবন্ধন” বাটন চাপুন। এনআইডি নম্বর, জন্ম তারিখ এবং মোবাইল নম্বর দিয়ে ভেরিফাই করুন।
  3. প্রোফাইল পূরণ করুন: নাম, ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্ম অভিজ্ঞতা (যদি থাকে), পাসপোর্ট তথ্য।
  4. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করুন: এনআইডি (দুই পাশ), পাসপোর্ট (প্রথম ও শেষ পেজ), এসএসসি সনদ/এডমিট, সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ফটো (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড), মেডিকেল সনদ (নিবন্ধনের সময় দরকার নয়, পরে দিতে হবে)।
  5. নিবন্ধন ফি ১,০০০ টাকা (২০২৬ অনুমান) অনলাইন বা ব্যাংক ড্রাফট দিয়ে জমা দিন। রসিদ প্রিন্ট রাখুন।
  6. সাবমিট করার পর অ্যাপ্লিকেশন আইডি এবং পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করুন। পরবর্তী লগইনের জন্য এটা লাগবে।
Bangladeshi worker registering online BOESL laptop
Bangladeshi worker registering online BOESL laptop

HRD Korea পোর্টালে প্রোফাইল তৈরি এবং লটারি এন্ট্রি

  1. BOESL নিবন্ধন পূর্ণ হলে hrdkorea.or.kr-এ যান। ভাষা বেছে নিন “বাংলা”।
  2. “회원가입” (সদস্যতা নিবন্ধন) ক্লিক করুন। পাসপোর্ট নম্বর, ইমেইল, ফোন নম্বর দিয়ে একাউন্ট খুলুন।
  3. প্রোফাইল পূরণ করুন: BOESL-এ দেওয়া সব তথ্য এখানেও মিলিয়ে দিন। মেল না হলে লটারি এন্ট্রি বাতিল হয়ে যেতে পারে।
  4. TOPIK/EPS-TOPIK সনদ আপলোড করুন (স্ক্যান কপি)।
  5. লটারি আপ্লিকেশন পিরিয়ডে “EPS-TOPIK 신청” (EPS-TOPIK আবেদন) মেনুতে গিয়ে আবেদন করুন। লটারি এন্ট্রি ফি মূল্যহীন (২০২৬ নিয়ম)।
  6. সাবমিট করার পর “접수증” (রসিদ) ডাউনলোড/প্রিন্ট করুন। এটিই আপনার লটারি প্রুফ।

লটারি ফলাফল চেক এবং পরবর্তী পদক্ষেপ

লটারি ফলাফল HRD Korea পোর্টালে লগইন করে “결과 확인” (ফলাফল চেক) মেনুতে দেখা যায়। ফোনে SMS-ও আসে। যদি সিলেক্ট হন:

  1. BOESL-এর পক্ষ থেকে মেডিকেল টেস্টের কল আসবে (সাধারণত ১-২ মাসের মধ্যে)।
  2. মেডিকেল পাস হলে ১৬০ ঘণ্টার প্রি-ডিপারচার প্রশিক্ষণের শিডিউল দেওয়া হবে।
  3. প্রশিক্ষণ শেষে ভিসা আবেদন, এয়ার টিকেট এবং প্রস্থানের তারিখ ফিক্স হবে।
  4. পূরণ প্রক্রিয়া: লটারি → মেডিকেল → প্রশিক্ষণ → ভিসা = সাধারণত ৬ থেকে ১৮ মাস

যদি লটারি না হয়: দুঃখ করবেন না। পরবর্তী রাউন্ডের জন্য প্রস্তুতি রাখুন। TOPIK স্কোর বাড়াতে পারলে পরবর্তী বার চান্স বেশি। D-১০ ভিসা দিয়ে নিজে চাকরি খুঁজার অপশনও খোলা আছে।

TOPIK / EPS-TOPIK ২০২৬: কত নম্বর দরকার এবং কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন

২০২৬ থেকে বাধ্যতামূলক TOPIK I লেভেল ২

২০২৬ সাল থেকে সকল নতুন EPS আবেদনকারীর জন্য TOPIK I-এ লেভেল ২ (৮০ নম্বর) পাস করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর আগে EPS-TOPIK পাস করলেই চলত। এখন দুইটি আলাদা জিনিস:

  • EPS-TOPIK: লটারি এন্ট্রির জন্য দরকার। HRD Korea আয়োজন করে। স্কোর ১১০ নম্বরের উপরে হলে লটারি চান্স বাড়ে।
  • TOPIK I (সাধারণ): ন্যূনতম লেভেল ২ (৮০ নম্বর) পাস করা বাধ্যতামূলক। এটা কোরিয়ার ভাষা দক্ষতা প্রমাণ করে।

ponytail: TOPIK I লেভেল ২ পাস না হলে লটারি সিলেকশন হলেও ভিসা পাবেন না। প্রথমেই TOPIK লক্ষ্য করুন।

পরীক্ষার ফরম্যাট: শোনা এবং পড়া — দুটি সেকশন, মোট ২০০ নম্বর

সেকশন প্রশ্ন সংখ্যা নম্বর সময় প্রশ্নের ধরন
শোনা (Listening) ৩০টি ১০০ ৪০ মিনিট বহুনির্বাচনী, সংলাপ ও ঘোষণা শুনে উত্তর
পড়া (Reading) ৪০টি ১০০ ৬০ মিনিট বহুনির্বাচনী, বাক্য পূরণ, লঘু অনুচ্ছেদ পড়ে উত্তর
মোট ৭০টি ২০০ ১০০ মিনিট

লেভেল ২ পাওয়ার জন্য: মোট ৮০ নম্বর (৪০%) দরকার। শোনায় ন্যূনতম ৩০-৩৫, পড়ায় ৪৫-৫০ নম্বর লক্ষ্য করুন।

বাংলাদেশে পরীক্ষা কেন্দ্র এবং রেজিস্ট্রেশন ফি

TOPIK পরীক্ষা বাংলাদেশে বছরে দুবার হয় (এপ্রিল এবং অক্টোবর)। কেন্দ্রগুলো: ঢাকা (শের-ই-বাংলা নগর, মিরপুর), চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর। EPS-TOPIK আলাদা সময়ে হয়, সাধারণত বছরে একবার।

  • TOPIK I রেজিস্ট্রেশন ফি: ২,৫০০ টাকা (২০২৬ অনুমান)
  • EPS-TOPIK রেজিস্ট্রেশন ফি: ১,৫০০ টাকা (২০২৬ অনুমান)
  • রেজিস্ট্রেশন: www.topik.go.kr বা HRD Korea পোর্টাল থেকে অনলাইন।
TOPIK Korean language test exam room Bangladesh students
TOPIK Korean language test exam room Bangladesh students

দক্ষিণ কোরিয়া ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬: বেতন, ভাতা এবং বাঁচালো টাকা

ন্যূনতম মজুরি এবং গড় বেতন (২০২৬ অনুমান)

২০২৬ সালের দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যূনতম ঘন্টা মজুরি ১০,০৩০ KRW (প্রায় ৯৫ টাকা) ঘোষণা করা হয়েছে। মাসিক বেসিক বেতন (২০৯ ঘন্টা কাজের ভিত্তিতে) প্রায় ২.১ মিলিয়ন KRW (প্রায় ১৯,৯০০ টাকা)। ওভারটাইম, রাতের শিফট এবং ছুটির দিন কাজ করলে বেতন ২.৫-৩.০ মিলিয়ন KRW (২৩-২৮ হাজার টাকা) পর্যন্ত যেতে পারে।

বেতন কাটতি: ট্যাক্স, বীমা এবং পেনশান

কাটতি শতাংশ মাসিক পরিমাণ (২.১ মিলিয়ন KRW বেসিসে)
জাতীয় পেনশান (National Pension) ৪.৫% ৯৪,৫০০ KRW
স্বাস্থ্য বীমা (Health Insurance) ৩.৫৪৫% ৭৪,৪৪৫ KRW
কর্মক্ষতিপূরণ বীমা (Industrial Accident Insurance) কোম্পানি বহন করে
বেকারত্ব বীমা (Employment Insurance) ০.৯% ১৮,৯০০ KRW
আয়কর (Income Tax) — আনুমানিক ৩-৫% ৬৩,০০০-১,০৫,০০০ KRW
মোট কাটতি ~১২-১৪% ~২.৫-২.৯ লাখ KRW

হাতে পাওয়ার বেতন (Net Salary): প্রায় ১.৮-১.৮৫ মিলিয়ন KRW (১৭-১৭.৫ হাজার টাকা)।

পেনশান রিফান্ড: কত টাকা ফেরত পাবেন?

জাতীয় পেনশান (National Pension) বাংলাদেশি কর্মীরা দেশ ফেরার সময় রিফান্ড ক্লেইম করতে পারেন। ২০২৬ সালে ৪.৫% কাটা হলে ৪ বছর ১০ মাসে মোট জমা প্রায় ৫.৪ মিলিয়ন KRW (প্রায় ৫১ হাজার টাকা)। রিফান্ড পাওয়ার জন্য কোরিয়া ছেড়ার ৫ বছরের মধ্যে আবেদন করতে হয়। বিস্তারিত: National Pension Service

প্রবাসী কর্মী কোরিয়া জীবনযাত্রা খরচ: কত টাকা লাগবে?

খরচের খাত অনুমানিক খরচ (বাংলাদেশি টাকা) মন্তব্য
BOESL নিবন্ধন ফি ১,০০০ একবারে
TOPIK I পরীক্ষা ফি ২,৫০০ প্রতি চেষ্টা
EPS-TOPIK পরীক্ষা ফি ১,৫০০ প্রতি চেষ্টা
মেডিকেল টেস্ট (EPS 지정 병원) ৮,০০০-১০,০০০ বাংলাদেশে
প্রি-ডিপারচার প্রশিক্ষণ (১৬০ ঘণ্টা) ৫,০০০-৭,০০০ BOESL কেন্দ্রে
পাসপোর্ট (নতুন/রিনিউ) ৪,০০০-৮,০০০ ১০ বছরের জন্য
ভিসা ফি (E-৯) ৫,০০০-৬,০০০ কোরিয়ান দূতাবাসে
এয়ার টিকেট (ঢাকা-সিউল) ৩৫,০০০-৫০,০০০ মৌসুমি ভিন্নতা
প্রাথমিক বাসা ভাড়া/সিকিউরিটি ডিপোজিট ০-২০,০০০ অনেক কোম্পানি বাসা দেয়
মোট অনুমানিক খরচ ৬২,০০০-১,০৯,৫০০

টিপস: অনেক কোম্পানি এয়ার টিকেট এবং প্রাথমিক বাসা ভাড়া বহন করে। চাকরির অফার লেটার পাওয়ার আগে বড় টাকা খরচ করবেন না।

দক্ষিণ কোরিয়া ওয়ার্ক ভিসা ২০২৬: thường gặp প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন: EPS লটারি ২০২৬ বাংলাদেশের জন্য কত কোটা?

উত্তর: ২০২৬ সালে বাংলাদেশের জন্য EPS কোটা প্রায় ৯,০০০ হওয়ার অনুমান। চূড়ান্ত সংখ্যা MOEL ঘোষণা করবে।

প্রশ্ন: TOPIK I লেভেল ২ পাস না করলে কী হবে?

উত্তর: ২০২৬ থেকে TOPIK I লেভেল ২ (৮০ নম্বর) বাধ্যতামূলক। লটারি সিলেকশন হলেও এই সনদ ছাড়া ভিসা প্রসেসিং হবে না।

প্রশ্ন: E-৯ ভিসায় কতদিন থাকা যায়?

উত্তর: সর্বোচ্চ ৪ বছর ১০ মাস। ৩ মাসের জন্য বাইরে থাকলে রি-এন্ট্রি পারমিট নিয়ে ফিরে আসা যায়।

প্রশ্ন: D-১০ ভিসা দিয়ে চাকরি পেলে E-৯-এ কনভার্ট করতে কত সময় লাগে?

উত্তর: সাধারণত ২-৪ সপ্তাহ। কোম্পানির জব অফার লেটার এবং কন্ট্রাক্ট দিয়ে ইমিগ্রেশন অফিসে আবেদন করতে হয়।

প্রশ্ন: পেনশান রিফান্ড কীভাবে ক্লেইম করব?

উত্তর: কোরিয়া ছেড়ার পর NPS ওয়েবসাইট বা দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করুন। পাসপোর্ট, অ্যালিেন রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং ব্যাংক একাউন্ট তথ্য লাগবে। ৫ বছরের মধ্যে ক্লেইম না করলে টাকা ফেরত পাবেন না।

প্রশ্ন: পরিবারকে কোরিয়া নিয়ে যাওয়া যায় কি?

উত্তর: E-৯ ভিসায় পরিবার 데려 যাওয়ার অনুমতি নেই। D-১০ বা অন্য ভিসা ক্যাটাগরিতে সম্ভব হতে পারে, তবে সেটি আলাদা প্রক্রিয়া।

চাবি পয়েন্ট গুলো এক নজরে

  • কোটা: ২০২৬ সালে প্রায় ৯,০০০ সিট — আগের বছরের চেয়ে বেশি সুযোগ।
  • ভাষা: TOPIK I লেভেল ২ (৮০ নম্বর) এখন বাধ্যতামূলক, EPS-TOPIK শুধু লটারি এন্ট্রির জন্য।
  • ভিসা: লটারি হলে E-৯ (৪ বছর ১০ মাস), লটারি না হলে D-১০ (৬ মাস + ৬ মাস এক্সটেনশন) ফলব্যাক।
  • বেতন: হাতে পাওয়ার প্রায় ১৭-১৭.৫ হাজার টাকা/মাস, পেনশান রিফান্ড প্রায় ৫১ হাজার টাকা ফেরত।
  • খরচ: প্রস্থান আগে ৬২ হাজার থেকে ১ লাখ ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে — কোম্পানি কর্তৃক বহন হয় অনেকাংশ।

সর্বশেষ হালনাগাদ: আগস্ট ২০২৬। অফিসিয়াল ঘোষণার জন্য MOEL এবং HRD Korea পোর্টাল নিয়মিত চেক করুন।

Frequently asked questions

EPS লটারি ২০২৬ বাংলাদেশের জন্য কত কোটা?

২০২৬ সালে বাংলাদেশের জন্য EPS কোটা প্রায় ৯,০০০ হওয়ার অনুমান। চূড়ান্ত সংখ্যা MOEL ঘোষণা করবে।

TOPIK I লেভেল ২ পাস না করলে কী হবে?

২০২৬ থেকে TOPIK I লেভেল ২ (৮০ নম্বর) বাধ্যতামূলক। লটারি সিলেকশন হলেও এই সনদ ছাড়া ভিসা প্রসেসিং হবে না।

E-৯ ভিসায় কতদিন থাকা যায়?

সর্বোচ্চ ৪ বছর ১০ মাস। ৩ মাসের জন্য বাইরে থাকলে রি-এন্ট্রি পারমিট নিয়ে ফিরে আসা যায়।

D-১০ ভিসা দিয়ে চাকরি পেলে E-৯-এ কনভার্ট করতে কত সময় লাগে?

সাধারণত ২-৪ সপ্তাহ। কোম্পানির জব অফার লেটার এবং কন্ট্রাক্ট দিয়ে ইমিগ্রেশন অফিসে আবেদন করতে হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *