ভিসা চেক করার নিয়ম হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া, যা দিয়ে আপনি বিদেশে যাওয়ার আগে আপনার ভিসার অস্তিত্ব, মেয়াদ ও সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেন। ২০২৬ সালে এই কাজটি এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ, কারণ সৌদি আরব, কাতার ও মালয়েশিয়ার সরকারি পোর্টালগুলোতে কয়েক মিনিটেই যাচাই করা যায়। তবে মনে রাখবেন, দালাল বা অননুমোদিত ওয়েবসাইট নয় — শুধুমাত্র অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মেই ভিসা চেক করবেন।
ভিসা চেক করার নিয়ম: কেন এটি প্রতিটি প্রবাসীর জন্য জরুরি?
প্রতি বছর হাজার হাজার বাংলাদেশি কর্মী ভুয়া ভিসা দেখিয়ে বিপুল অঙ্কের টাকা হারান। দালালদের দেখানো কাগজপত্রকে অনেকে ‘পাকা ভিসা’ মনে করে বিশ্বাস করে ফেলেন, কিন্তু বিদেশে পৌঁছে হঠাৎ বোঝা যায় ভিসাটিই জাল। ২০২৬ সালেও এই প্রতারণা থামেনি। তাই বিদেশে যাওয়ার আগে ভিসা চেক করার নিয়ম শেখা আপনার টাকা, সময় এবং ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে পারে।
কেবল ভিসাই নয়, আপনার স্পনসর, কর্মসংস্থানের অনুমোদন এবং ইকামা বা রেসিডেন্সি পারমিটের সঠিক অবস্থাও জানা দরকার। ভিসা চেক না করলে বিদেশে গিয়ে দেখা যেতে পারে ভিসার মেয়াদ শেষ, কোম্পানির নাম পাসপোর্টের সঙ্গে মেলে না, কিংবা ভিসায় শুধু পর্যটনের অনুমতি। এতে শ্রমিকের অর্থ ও সময় নষ্ট হয়, এমনকি বিমানবন্দরে আটকেও যেতে পারেন। বাংলাদেশের বিএমইটি বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ও এই বিষয়ে সহায়তা দেয়, তবে সবচেয়ে দ্রুত উপায় হলো সেই দেশের অফিসিয়াল পোর্টালে নিজে যাচাই করে নেওয়া।
