স্বাধীন তথ্যসেবা — এটি সরকারি ওয়েবসাইট নয়🌍 প্রবাসী বন্ধু✈️ ড্রিম ইন্টারন্যাশনাল
প্রবাসী ইনফো

মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ২০২৬: ফি RM ১,২০০, বেতন RM ৫,০০০, অনলাইন যা

স্পেশাল প্রকাশ: ৬ নভেম্বর ২০২৬·পড়তে ৭ মিনিট
মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ২০২৬: ফি RM ১,২০০, বেতন RM ৫,০০০, অনলাইন যা

কুইক আンサー: নভেম্বর ২০২৬ itibারে মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য পূর্ণভাবে চালু আছে। নতুন evisa.my পোর্টাল দিয়ে পাসপোর্ট ও অ্যাপ্লিকেশন রেফারেন্স দিয়ে রিয়েল-টাইমে স্ট্যাটাস চেক করা যায়। ইমপ্লয়মেন্ট পাস (EP)-এর ন্যূনতম মাসিক বেতন RM ৫,০০০ (প্রায় ১.২৫ লাখ টাকা), প্রসেসিং ফি RM ১,২০০ (প্রায় ৩০ হাজার টাকা), এবং ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে কম-দক্ষতা খাতের জন্য কলিং ভিসা পুনরায় চালু হয়েছে।

মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ২০২৬: ফি RM ১,২০০, বেতন RM ৫,০০০, অনলাইন যা

মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ২০২৬: কী নতুন?

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট এবং গৃহ মন্ত্রণালয় সম্মিলিতভাবে ঘোষণা করেছেন যে ২০২৬ সালে EP, TEP এবং নতুন কলিং ভিসা — তিনটি ক্যাটাগরিই গ্রহণযোগ্য। সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশি ৪৫,০০০ জন বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ধারক হিসেবে কাজ করছেন (২০২৫ সালে ৩৮,০০০)। প্রধান পরিবর্তনগুলো:

প্রবাসী বন্ধু অ্যাপ
প্রবাসী বন্ধু অ্যাপ এখন প্লে স্টোরেনামাজ, টাকার রেট, সোনার দাম, দূতাবাস, সব এক অ্যাপে, ফ্রি
⬇ ডাউনলোড
  • EP ন্যূনতম বেতন: RM 5,000 (২০২৫-এ RM 4,500 ছিল)।
  • অনলাইন স্ট্যাটাস চেক: evisa.my পোর্টাল মার্চ ২০২৬ থেকে চালু।
  • কলিং ভিসা পুনরায় চালু: ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে, কম-দক্ষতা খাতের জন্য নতুন যোগ্যতা মানদণ্ড।
  • প্রসেসিং টাইম (জুলাই ২০২৬ আপডেট): EP ৭-১০ কর্মদিবস, TEP ৫-৭ কর্মদিবস, কলিং ভিসা ৩-৫ কর্মদিবস।
  • বৈধতা: EP সর্বোচ্চ ৫ বছর (রিনিউয়েবল), TEP ২ বছর, কলিং ভিসা ১ বছর।

মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট অনলাইন যাচাই পদ্ধতি (evisa.my)

নতুন পোর্টাল দিয়ে মিনিটেই স্ট্যাটাস জানতে পারেন। ধাপগুলো:

  1. ব্রাউজারে https://evisa.my খুলুন।
  2. “Work Permit Status” বা “Check Visa Status” অপশন বেছে নিন।
  3. পাসপোর্ট নম্বর এবং অ্যাপ্লিকেশন রেফারেন্স নম্বর (Application Reference Number) ঠিকমতো টাইপ করুন।
  4. ক্যাপচা সমাধান করে “Submit” বাটনে ক্লিক করুন।
  5. ফলাফলে আপনার ওয়ার্ক পারমিটের বর্তমান অবস্থা (Approved, Pending, Rejected) দেখাবে।

টিপস: যদি এরর দেখায়, তবে পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ১৮ মাস বাকি আছে কিনা এবং রেফারেন্স নম্বর সঠিক কিনা যাচাই করুন।

মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ফি বিশ্লেষণ ২০২৬ (RM → BDT অনুমানিক: ১ RM ≈ ২৫ BDT)

ভিসা প্রকার প্রসেসিং ফি (RM) প্রায় বিয় টাকা (BDT) মেডিকেল টেস্ট (RM) এজেন্সি সার্ভিস চার্জ (BDT) মোট অনুমানিক খরচ (BDT)
Employment Pass (EP) RM 1,200 ≈ ৩০,০০০ RM 150 (≈ ৩,৯০০) ৫,০০০–৮,০০০ ≈ ৩৮,৯০০–৪১,৯০০
Temporary Employment Pass (TEP) RM 800 ≈ ২০,০০০ RM 150 (≈ ৩,৯০০) ৫,০০০–৮,০০০ ≈ ২৮,৯০০–৩১,৯০০
Calling Visa (কম-দক্ষতা) RM 600 ≈ ১৫,০০০ RM 150 (≈ ৩,৯০০) ৫,০০০–৮,০০০ ≈ ২৩,৯০০–২৬,৯০০

নোট: এজেন্সি চার্জ Jakwan Travels-এর আগস্ট ২০২৬-এর ঘোষণা অনুযায়ী। মোট খরচ কম-বেশি হতে পারে যদি অতিরিক্ত ডকুমেন্ট অনুবাদ বা কুরিয়ার খরচ যোগ হয়।

এমপ্লয়মেন্ট পাস (EP) বনাম কলিং ভিসা: পার্থক্য এক নজরে

বিষয় Employment Pass (EP) Calling Visa
ন্যূনতম মাসিক বেতন RM 5,000 RM 2,500
বৈধতা সর্বোচ্চ ৫ বছর (রিনিউয়েবল) সর্বোচ্চ ১ বছর
যোগ্যতা খাত দক্ষ/পেশাদার (ইঞ্জিনিয়ার, আইটি, হেলথকেয়ার, ফিন্যান্স) কম-দক্ষতা (কারখানা, নির্মাণ, কৃষি, প্যাকেজিং)
ডিপেন্ডেন্ট পাস উপলব্ধ (স্ত্রী/সন্তান) নেই
রিনিউয়াল নিয়ম বেতন ও চুক্তি রিনিউ করলে সম্ভব ১ বছর পর পুনরায় আবেদন দরকার
প্রসেসিং টাইম ৭-১০ কর্মদিবস ৩-৫ কর্মদিবস

মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট

  • পাসপোর্ট (ন্যূনতম ১৮ মাস মেয়াদ বাকি)।
  • নিযুক্তি পত্র / চুক্তিপত্র (Offer letter / Employment contract) — কোম্পানির লেটারহেডে স্বাক্ষরিত।
  • সরকারি অনুমোদিত ক্লিনিক থেকে মেডিকেল রিপোর্ট (RM 150 খরচ)।
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (বাংলাদেশ থেকে)।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ (যদি প্রয়োজন হয়) — ইংরেজি বা মালায় ভাষায় অনুবাদিত।
  • পাসপোর্ট সাইজ ফটোগ্রাফ (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ৩৫mm x ৪৫mm)।

সকল ডকুমেন্ট ইংরেজি বা মালায় ভাষায় অনুবাদিত হলে প্রসেসিং দ্রুত হয়।

প্রসেসিং টাইম এবং বিলম্বের কারণ

ভিসা প্রকার স্ট্যান্ডার্ড প্রসেসিং টাইম সাধারণ বিলম্বের কারণ
Employment Pass (EP) ৭-১০ কর্মদিবস ডকুমেন্টে ত্রুটি, মেডিকেল টেস্টের কিউ, পাসপোর্ট মেয়াদ কম, এজেন্সির পক্ষ থেকে কাগজপত্র জমা দিতে দেরি
Temporary Employment Pass (TEP) ৫-৭ কর্মদিবস এমপ্লয়ারের কোটা ফুল, মেডিকেল রিপোর্ট পৌঁছাতে দেরি
Calling Visa ৩-৫ কর্মদিবস অনলাইন ফর্মে ভুল তথ্য, পেমেন্ট কনফার্মেশন দেরি

সময়মতো সব কাগজ পূরণ করলে প্রসেসিং ফাস্ট হয়। আবেদন জমা দেওয়ার আগে একবার immigration.gov.my থেকে লেটেস্ট চেকলিস্ট দেখে নিন।

মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট রিনিউয়াল প্রক্রিয়া ২০২৬

EP ধারকরা মেয়াদ শেষ হওয়ার ৩ মাস আগে থেকে রিনিউয়াল আবেদন করতে পারেন। রিনিউয়ালের জন্য নিম্নলিখিত শর্তাবলী পূরণ করতে হয়:

  • বর্তমান নিযুক্তিকর্তার সাথে চুক্তি নবায়ন বা নতুন চুক্তি।
  • বেতন RM 5,000 বা তার বেশি থাকতে হবে।
  • পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ১৮ মাস বাকি থাকতে হবে।
  • মেডিকেল টেস্ট পুনরায় দিতে হবে (RM 150)।
  • ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হবে।

রিনিউয়াল ফি EP-এর জন্য RM 1,200 (প্রথমবার এর মতোই)। TEP-এর ক্ষেত্রে রিনিউয়াল সম্ভব নয়, মেয়াদ শেষ হলে নতুন আবেদন দরকার। কলিং ভিসা ১ বছরের পর পুনরায় আবেদন করতে হয়।

শ্রমিক অধিকার ও সুরক্ষা: যেন জানেন

মালয়েশিয়ায় কাজ করার সময় বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিম্নলিখিত অধিকার রয়েছে:

  • ন্যূনতম বেতন পাওয়ার অধিকার (EP-এর জন্য RM 5,000, কলিং ভিসার জন্য RM 2,500)।
  • সাপ্তাহিক ৪৮ ঘন্টার বেশি কাজ করালে ওভারটাইম বেতন।
  • বছরে ১১ দিন পাবলিক হোলিডে এবং ৮ দিন বার্ষিক ছুটি।
  • বিমা ও চিকিৎসা সুবিধা (SOCSO এবং EIS)।
  • পাসপোর্ট নিজে রাখার অধিকার — নিযুক্তিকর্তা পাসপোর্ট জব্দ করতে পারবে না।

যদি কোনো সমস্যা হয়, তবে বাংলাদেশ দূতাবাস (কুয়ালালামপুর) বা প্রোবাসী কল সেন্টার (১৬১১১) এ যোগাযোগ করুন।

প্রতারণা থেকে সাবধান থাকুন

কোনো এজেন্সি বা ব্রোকার যদি “গ্যারান্টি” দিয়ে বেশি টাকা চায় বা ফেইক ভিসা দেওয়ার কথা বলে, সেটা প্রতারণা। সর্বদা সরকারি পোর্টাল immigration.gov.my এবং বাংলাদেশ শ্রম ও রোজগার মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আপডেট যাচাই করুন। যেকোনো সমস্যা হলে প্রোবাসী কল সেন্টার (১৬১১১) বা নিকটস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করুন।

সাধারণ ভুল এড়ানোর টিপস

অনেক আবেদনকারীরা সাধারণ কিছু ভুলের কারণে বিলম্ব বা প্রত্যাখ্যানের সম্মুখীন হন। নিচে কিছু সাধারণ ভুল এবং সেটি এড়ানোর উপায় দেওয়া হলো:

  • পাসপোর্ট মেয়াদ কম রাখা: আবেদন করার আগে নিশ্চিত করুন যে পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ১৮ মাস বাকি আছে। মেয়াদ কম থাকলে ইমিগ্রেশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবেদন বাতিল করতে পারে।
  • রেফারেন্স নম্বর ভুল টাইপ করা: evisa.my পোর্টালে Application Reference Number কপি-পেস্ট করুন, হাত থেকে লিখবেন না। একক অক্ষরের ভুলও স্ট্যাটাস চেক ব্যর্থ করতে পারে।
  • মেডিকেল রিপোর্ট সময়মতো জমা না দেওয়া: সরকারি অনুমোদিত ক্লিনিক থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পর ৭ দিনের মধ্যে আপলোড করুন। দেরি হলে প্রসেসিং টাইম বাড়ে।
  • অনুবাদ ছাড়া ডকুমেন্ট জমা দেওয়া: শিক্ষাগত সনদ বা চুক্তিপত্র যদি বাংলায় থাকে, তবে ইংরেজি বা মালায় ভাষায় অনুবাদিত কপি জমা দিন। অনুবাদ না থাকলে ইমিগ্রেশন অফিসার অতিরিক্ত সময় নিতে পারে।
  • এজেন্সি ফি স্পষ্ট না করা: যেকোনো এজেন্সির সাথে চুক্তি করার আগে সার্ভিস চার্জ, কুরিয়ার খরচ এবং সম্ভাব্য অতিরিক্ত খরচ লিখিতভাবে নিন।

এই টিপসগুলো মেনে চললে আপনার আবেদন প্রক্রিয়া অনেকটাই সুগম হবে।

ধাপে ধাপে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া (evisa.my পোর্টাল)

নিচে evisa.my পোর্টালের মাধ্যমে Employment Pass (EP) আবেদন করার সম্পূর্ণ ধাপগুলো দেওয়া হলো। এই গাইডটি আপনাকে প্রতিটি স্ক্রিনে কী করবেন তা বুঝতে সাহায্য করবে।

  1. অ্যাকাউন্ট তৈরি: evisa.my-এ যান, “Register” বাটনে ক্লিক করুন, ইমেইল, ফোন নম্বর এবং পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে রেজিস্টার করুন। ইমেইল ভেরিফিকেশন লিংকে ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করুন।
  2. লগইন এবং “New Application” বেছে নিন: লগইন করার পর ড্যাশবোর্ড থেকে “New Application” → “Employment Pass” সিলেক্ট করুন।
  3. নিযুক্তিকর্তার তথ্য পূরণ: কোম্পানির নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর (SSM নম্বর), ঠিকানা এবং যোগাযোগ ব্যক্তির নাম দিন। কোম্পানির লেটারহেডে স্বাক্ষরিত Offer Letter আপলোড করুন।
  4. আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য: পাসপোর্ট ডিটেইলস, জন্ম তারিখ, জাতীয়তা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কাজের অভিজ্ঞতা লিখুন। সকল ফিল্ড ইংরেজিতে পূরণ করুন।
  5. ডকুমেন্ট আপলোড: পাসপোর্ট কপি, ফটোগ্রাফ, মেডিকেল রিপোর্ট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং শিক্ষাগত সনদ (অনুবাদসহ) PDF ফরম্যাটে আপলোড করুন। প্রতিটি ফাইল ২ MB-এর নিচে রাখুন।
  6. ফি পেমেন্ট: প্রসেসিং ফি RM 1,200 অনলাইন ব্যাংকিং, কredit/ডেবিট কার্ড বা FPX-এর মাধ্যমে দিন। পেমেন্ট কনফার্মেশন স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করুন।
  7. সাবমিট এবং রেফারেন্স নম্বর সংরক্ষণ: “Submit” ক্লিক করার পর একটি Application Reference Number জেনারেট হবে। এটি নোট করুন বা প্রিন্ট আউট নিন; ভবিষ্যতে স্ট্যাটাস চেকের জন্য এটি লাগবে।
  8. স্ট্যাটাস ট্র্যাক: প্রতিদিন একবার evisa.my-এ লগইন করে “Check Status” এ রেফারেন্স নম্বর দিন। যদি “Pending” দেখায়, তবে কতক্ষণ বাকি আছে তা পোর্টালে দেখাবে।
  9. অনুমোদন পাওয়ার পর: Approved হলে ই-ভিসা PDF ডাউনলোড করুন, প্রিন্ট করে পাসপোর্টের সাথে রাখুন। মালয়েশিয়া এয়ারপোর্টে আগমনের সময় ইমিগ্রেশন অফিসারকে দেখান।

স्मরণীয়: প্রতিটি ধাপে যদি কোনো এরর মেসেজ আসে, তবে পোর্টালের “Help” সেকশন বা ইমিগ্রেশন হেল্পলাইন (+603-8000-8000) এ যোগাযোগ করুন।

আপনার জন্য আরও পড়ুন

Frequently asked questions

মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ২০২৬-এ বাংলাদেশির জন্য ন্যূনতম বেতন কত?

ইমপ্লয়মেন্ট পাস (EP)-এর জন্য ন্যূনতম মাসিক বেতন RM ৫,০০০ (প্রায় ১.২৫ লাখ টাকা) এবং কলিং ভিসার জন্য RM ২,৫০০।

মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট অনলাইন কীভাবে যাচাই করব?

evisa.my পোর্টালে যান, 'Work Permit Status' বেছে নিন, পাসপোর্ট নম্বর এবং অ্যাপ্লিকেশন রেফারেন্স নম্বর দিন, ক্যাপচা সমাধান করে সাবমিট করুন।

মালয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিটের প্রসেসিং ফি ২০২৬-এ কত?

EP-এর জন্য RM ১,২০০ (≈৩০,০০০ টাকা), TEP-এর জন্য RM ৮০০ (≈২০,০০০ টাকা), কলিং ভিসার জন্য RM ৬০০ (≈১৫,০০০ টাকা)। মেডিকেল টেস্ট RM ১৫০ আলাদা।

কলিং ভিসা কবে থেকে পুনরায় চালু হয়েছে?

১ আগস্ট ২০২৬ থেকে কম-দক্ষতা খাতের জন্য কলিং ভিসা পুনরায় চালু হয়েছে।

ওয়ার্ক পারমিট রিনিউয়ালের জন্য কী কী লাগে?

চুক্তি নবায়ন, বেতন RM ৫,০০০+, পাসপোর্ট মেয়াদ ১৮ মাস+, মেডিকেল টেস্ট (RM ১৫০), অনলাইন আবেদন।

ছবি: Walkerssk / Wikimedia Commons, CC0; Nazriahmad9 / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0

💬 মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রশ্ন বা অভিজ্ঞতা লিখে প্রথম মন্তব্যটি করুন।

আপনার মন্তব্য বা প্রশ্ন লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন