স্বাধীন তথ্যসেবা — এটি সরকারি ওয়েবসাইট নয়🌍 প্রবাসী বন্ধু✈️ ড্রিম ইন্টারন্যাশনাল
প্রবাসী ইনফো

মালয়েশিয়া ভিসা খরচ ২০২৬: জিজি ১.৫ লাখ ও প্রাইভেট এজেন্সির ফি

স্পেশাল প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬·পড়তে ৬ মিনিট
মালয়েশিয়া ভিসা খরচ ২০২৬: জিজি ১.৫ লাখ ও প্রাইভেট এজেন্সির ফি

মালয়েশিয়া ভিসা খরচ ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী সরকারি জিজি (G2G) চ্যানেলে সর্বমোট ১.৫ থেকে ২ লাখ টাকা এবং রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২.৫ থেকে ৩ লাখ টাকা। বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুসারে কোনো অনুমোদিত এজেন্সি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে পারে না।

মালয়েশিয়া ভিসা খরচ ২০২৬: জিজি ১.৫ লাখ ও প্রাইভেট এজেন্সির ফি

মালয়েশিয়া ভিসা খরচ ২০২৬: জিজি চ্যানেল ১.৫-২ লাখ, প্রাইভেট ২.৫-৩ লাখ

২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কাজের ভিসা নিয়ে যাওয়ার প্রধান দুটি মাধ্যম রয়েছে। প্রথমটি হলো দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ভিত্তিক সরকারি জিটুজি (G2G) প্রক্রিয়া এবং দ্বিতীয়টি হলো বাইরা অনুমোদিত বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি। বাংলাদেশ সরকারের জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET) নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট প্রসেসিং খরচ ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

প্রবাসী বন্ধু অ্যাপ
প্রবাসী বন্ধু অ্যাপ এখন প্লে স্টোরেনামাজ, টাকার রেট, সোনার দাম, দূতাবাস, সব এক অ্যাপে, ফ্রি
⬇ ডাউনলোড

অন্যদিকে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (BAIRA) তালিকাভুক্ত বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো সাধারণ কর্মীদের কাছ থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে অসাধু মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালদের কারণে এই খরচ অন্যায়ভাবে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়। তবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়-এর গ্যাজেট অনুযায়ী অতিরিক্ত ফি দাবি করা সম্পূর্ণ বেআইনি। বিদেশযাত্রার প্রাথমিক প্রস্তুতি ও পাসপোর্ট তৈরি সংক্রান্ত খরচের স্বচ্ছ ধারণার জন্য আমাদের ই-পাসপোর্ট ফি ও আবেদন প্রক্রিয়া দেখে নিতে পারেন।

চ্যানেল সর্বোচ্চ খরচ (বিডিটি) খরচে অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহ প্রক্রিয়ার সময়
জিজি (G2G) সরকারি ১,৫০,০০০ – ২,০০,০০০ ভিসা, মেডিকেল, বিএমইটি প্রশিক্ষণ, এয়ার টিকেট, বিমা ৩০-৪৫ দিন
প্রাইভেট এজেন্সি (বাইরা) ২,৫০,০০০ – ৩,০০,০০০ (কিছু কেসে ৬,০০,০০০) ভিসা, মেডিকেল, প্রশিক্ষণ, এয়ার টিকেট, সার্ভিস চার্জ ১৫-২৫ দিন

জিজি (G2G) চ্যানেল vs প্রাইভেট এজেন্সি: খরচের পার্থক্য কী এবং কেন?

সরকারি জিজি চ্যানেলের প্রক্রিয়া: প্রোবাশী.gov.bd থেকে আবেদন

জিজি (Government-to-Government) চ্যানেল হলো বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের সরাসরি চুক্তি। এখানে কোনো বাইরের দালাল বা মধ্যস্থ থাকে না। আবেদন করতে হয় probashi.gov.bd ওয়েবসাইটে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করে। তারপর বিএমইটি (BMET) থেকে প্রশিক্ষণ নিতে হয়, মেডিকেল টেস্ট দিতে হয় নির্দিষ্ট হাসপাতালে, এবং সব শেষে ভিসা ইস্যু হয়ে টিকেট কাটা হয়।

জিজি চ্যানেলের সুবিধা: খরচ কম, সরকারি নজরদারি থাকে, প্রতারণার ভয় কম, কন্ট্রাক্ট স্পষ্ট থাকে। কিন্তু সময় লাগে ৩০ থেকে ৪৫ দিন। অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের পর কল-আপ পাওয়াতে কিছুটা অপেক্ষা করতে হতে পারে।

প্রাইভেট এজেন্সি (বাইরা সদস্য) কেন বেশি টাকা নেয়?

বাইরা (Bangladesh Association of International Recruiting Agencies) সদস্য এজেন্সিগুলো সরকারি লাইসেন্স ধরে কাজ করে। তারা দাবি করে যে, তারা “সার্ভিস চার্জ”, “প্রসেসিং ফি”, “ডকুমেন্টেশন খরচ” ইত্যাদির নামে অতিরিক্ত টাকা নেয়। কিন্তু বাস্তবে, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী মালয়েশিয়ার কেসে প্রাইভেট এজেন্সি কোনো অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ নিতে পারবে না — এটি ২০২৩ সালের গেজেটে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তবে অনেক এজেন্সি “ফাস্ট ট্র্যাক”, “গ্যারান্টি”, “কোম্পানির সাথে সরাসরি যোগাযোগ” ইত্যাদি নামে কর্মীদের ভুল করে ২ লাখের বেশি টাকা নেয়। কিছু কেসে “ভিসা না হলে টাকা ফেরত” বলেও টাকা ফেরত দেয় না। এজন্য সতর্ক থাকা জরুরি। বিদেশে চাকরির জন্য বিভিন্ন দেশের নিয়োগ ব্যবস্থার পাশাপাশি তুলনামূলক খরচের ধারণা পেতে সৌদি আরব কাজের ভিসা খরচ সংক্রান্ত তথ্য জেনে রাখতে পারেন।

দুই চ্যানেলের সময় পার্থক্য

  • জিজি চ্যানেল: ৩০-৪৫ দিন (অনলাইন আবেদন → কল-আপ → প্রশিক্ষণ → মেডিকেল → ভিসা → টিকেট)
  • প্রাইভেট এজেন্সি: ১৫-২৫ দিন (তারা নিজের নেটওয়ার্ক দিয়ে দ্রুত প্রসেস করে)

সময় কম পেতে অনেকেই প্রাইভেট এজেন্সি বেছে নেন, কিন্তু বেশি টাকা দেওয়ায় পরবর্তীতে ঋণ চাপ বা আর্থিক সংকটে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। নতুন কর্মীদের জন্য জিজি চ্যানেলই নিরাপদ এবং অর্থবচতকারী।

মালয়েশিয়া ভিসা খরচ ২০২৬: ধাপে ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া (G2G চ্যানেল)

সরকারি জিজি চ্যানেলের মাধ্যমে মালয়েশিয়া ভিসা পাওয়ার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়। প্রতিটি ধাপে কত সময় লাগে এবং কী কাগজপত্র লাগে তা নিচে দেওয়া হলো:

  1. অনলাইন রেজিস্ট্রেশন: probashi.gov.bd পোর্টলে নিবন্ধন করুন। এখানে আপনার পাসপোর্ট নম্বর, জন্ম তারিখ, যোগাযোগ নম্বর এবং ইমেইল দিতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের পর একটি রেফারেন্স নম্বর পাবেন।
  2. কল-আপ ও ডিমান্ড লেটার: রেজিস্ট্রেশনের ৭-১৪ দিনের মধ্যে আপনাকে কল-আপ পেতে পারে। কল-আপ পেলে মালয়েশিয়ান কোম্পানির ডিমান্ড লেটার এবং নিয়োগপত্র সংগ্রহ করুন।
  3. বিএমইটি প্রশিক্ষণ: আপনার জেলার বিএমইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ১৫ দিনের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ নিন। প্রশিক্ষণ ফি প্রায় ৫,০০০-৭,০০০ টাকা। প্রশিক্ষণ শেষে সার্টিফিকেট পাবেন।
  4. মেডিকেল টেস্ট: GAMCA বা FOMEMA অনুমোদিত হাসপাতালে মেডিকেল টেস্ট দিন। খরচ প্রায় ৮,০০০-১২,০০০ টাকা। রিপোর্ট অনলাইনে সাবমিট হয়।
  5. ভিসা প্রসেসিং: মেডিকেল ফিট পেলে ভিসা আবেদন জমা দিন। মালয়েশিয়া দূতাবাস থেকে ভিসা ইস্যু হতে ৭-১০ দিন লাগে।
  6. টিকেট ও বিমা: ভিসা পাওয়ার পর বিমান টিকেট কিনুন (প্রায় ৩৫,০০০-৪৫,০০০ টাকা) এবং প্রবাসী কল্যাণ বিমা করুন (২,৫০০-৩,০০০ টাকা)।
  7. প্রস্থান: স্মার্ট কার্ড/বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন শেষে আপনি প্রস্থান করতে পারেন।

প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে সরকারি ফি বাদে কোনো অতিরিক্ত টাকা দিতে হয় না। বিস্তারিত জানতে জিজি ভিসা আবেদন গাইড পড়ুন।

মালয়েশিয়া ভিসা খরচ বাড়াতে পারে এমন লুকানো খরচ ও সতর্কতা

অনেক সময় কর্মীরা সরকারি ফি বাদে অনানুষ্ঠানিক খরচে পড়ে। নিচের লুকানো খরচগুলো থেকে সতর্ক থাকুন:

  • দালালি কমিশন: সাব-এজেন্ট বা মধ্যস্থ ৫০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করতে পারে। সরাসরি প্রোবাশী পোর্টাল ব্যবহার করলে এই খরচ বাঁচানো যায়।
  • জাল মেডিকেল সার্টিফিকেট: কিছু অপ্রতিষ্ঠিত ক্লিনিক নকল মেডিকেল রিপোর্ট দেয়া থেকে বাঁচতে GAMCA/FOMEMA অনুমোদিত কেন্দ্রে যান।
  • প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাইরের খরচ: বিএমইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বাদে যেকোনো প্রাইভেট ট্রেনিং সেন্টার থেকে সার্টিফিকেট নেওয়া বেআইনি।
  • টিকেটের দাম বাড়িয়ে বিক্রি: কিছু এজেন্সি টিকেটের আসল দামের চেয়ে ১০,০০০-১৫,০০০ টাকা বেশি নেয়। নিজে অনলাইন থেকে টিকেট বুক করুন।

এই লুকানো খরচ এড়াতে সব লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলে করুন এবং রসিদ সংরক্ষণ করুন।

মালয়েশিয়া কাজের ভিসা নেওয়ার আগে জানা দরকার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

  1. কন্ট্রাক্টের ভাষা: নিয়োগপত্র বা কন্ট্রাক্ট ইংরেজি বা মালয় ভাষায় থাকে। বাংলা অনুবাদ না থাকলে বুঝতে সমস্যা হতে পারে। সাইন করার আগে কন্ট্রাক্ট ভালোভাবে পড়ে বুঝুন।
  2. ন্যূনতম বেতন গ্যারান্টি: মালয়েশিয়া সরকার ১,৭০০ রিঙ্গিত ন্যূনতম বেতন নিশ্চিত করেছে। কোম্পানি এর কম দিলে শিকায়ত করুন।
  3. চিকিৎসা সুবিধা: অধিকাংশ কোম্পানি বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়, কিন্তু কিছু কেসে কর্মীকে আংশিক খরচ বহন করতে হয়। এটি কন্ট্রাক্টে স্পষ্ট থাকতে হবে।
  4. ছুটি ও ওভারটাইম: সাপ্তাহিক ১ দিন ছুটি এবং বছরে ১১ দিন পাবলিক হলিডে। ওভারটাইমের হার মৌলিক বেতনের ১.৫ গুণ।
  5. ভিসা রিনিউয়াল: কাজের ভিসা সাধারণত ২ বছরের জন্য ইস্যু হয়। রিনিউয়ালের খরচ কোম্পানি বহন করে, কিন্তু কর্মীর পাসপোর্ট মেয়াদ থাকতে হবে।

মালয়েশিয়া ভিসা খরচে কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকে? — বিস্তারিত ব্রেকডাউন

সরকারি জিজি চ্যানেলের ১.৫-২ লাখ টাকার মধ্যে নিচের সব খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে। কোনো আলাদা টাকা দিতে হয় না:

খরচের খানা প্রায়োগিক পরিমাণ (বিডিটি) টীকা
ভিসা প্রসেসিং ফি (মালয়েশিয়া সরকার) ~২৫,০০০ – ৩০,০০০ সরকারি ফি, নন-রিফান্ডেবল
মেডিকেল টেস্ট (GAMCA/FOMEMA অনুমোদিত হাসপাতাল) ~৮,০০০ – ১২,০০০ ডাক্তারি যাচাই, এক্স-রে, রক্ত যাচাই সহ
বিএমইটি (BMET) প্রশিক্ষণ খরচ ~৫,০০০ – ৭,০০০ ১৫ দিনের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ, সার্টিফিকেট সহ
এয়ার টিকেট (ঢাকা → কুয়ালালামপুর) ~৩৫,০০০ – ৪৫,০০০ ইকোনোমি ক্লাস, সিজন অনুযায়ী কম-বেশি হয়
প্রবাসী কল্যাণ বিমা (Wage Earners’ Welfare Board) ~২,৫০০ – ৩,০০০ বাধ্যতামূলক বিমা, ৩ বছরের জন্য
স্মার্ট কার্ড / বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন ~১,০০০ – ১,৫০০ এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন সুবিধার জন্য
মোট আনুমানিক খরচ ~১,৫০,০০০ – ২,০০,০০০ সরকারি ফিক্সড সর্বোচ্চ সীমা

গুরুত্বপূর্ণ: উপরের টেবিলের পরিমাণগুলো আনুমানিক এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রযোজ্য। সঠিক ফি জানতে BMET অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা প্রোবাশী পোর্টাল চেক করুন।

মালয়েশিয়া ভিসা রিনিউয়াল ও এক্সটেনশন খরচ ২০২৬

মালয়েশিয়ায় কাজের ভিসা সাধারণত ২ বছরের জন্য দেওয়া হয়। রিনিউয়াল বা এক্সটেনশনের জন্য নিচের খরচ প্রযোজ্য:

  • ভিসা রিনিউয়াল ফি: মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন কর্তৃক নির্ধারিত প্রায় ২০০-৩০০ রিঙ্গিত (প্রায় ৫,০০০-৭,৫০০ টাকা)। এটি সাধারণত কোম্পানি বহন করে।
  • পাসপোর্ট এক্সটেনশন: পাসপোর্ট মেয়াদ খত্ম হলে বাংলাদেশ হাই কমিশন থেকে রিনিউয়াল করাতে হয়। খরচ প্রায় ৪,০০০-৫,০০০ টাকা।
  • মেডিকেল রি-চেক: কিছু কেসে রিনিউয়ালের সময় মেডিকেল রি-চেক করতে হয়, খরচ প্রায় ৩,০০০-৫,০০০ টাকা।

রিনিউয়ালের জন্য কমপক্ষে মেয়াদ শেষের ৩০ দিন আগে আবেদন করুন। বিস্তারিত জানতে Malaysia Immigration Department দেখুন।

মালয়েশিয়া ভিসা খরচ তুলনা: অন্যান্য দেশের সাথে (সৌদি, সিঙ্গাপুর, কাতার)

মালয়েশিয়া ভিসা খরচ অন্যান্য জনপ্রিয় গন্তব্যের সাথে তুলনা করলে মালয়েশিয়া তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। নিচে একটি তুলনামূলক টেবিল দেওয়া হলো (২০২৬ সালের অনুমানিক খরচ):

Frequently asked questions

মালয়েশিয়া ভিসা খরচ কত হতে পারে ২০২৬ সালে?

২০২৬ সালের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী সরকারি জিটুজি মাধ্যমে মালয়েশিয়া ভিসা খরচ সর্বোচ্চ ১.৫ থেকে ২ লাখ টাকা। বেসরকারি এজেন্সির ক্ষেত্রে এই খরচ ২.৫ থেকে ৩ লাখ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।

মালয়েশিয়া কাজের ভিসা পেতে কত দিন সময় লাগে?

জিটুজি সরকারি চ্যানেলে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ৩০ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগে। বেসরকারি অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করলে সাধারণত ১৫ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ভিসা ও বিমান টিকিট পাওয়া যায়।

মেডিকেল টেস্টে আনফিট হলে খরচের টাকা কি ফেরত পাওয়া যায়?

মেডিকেল টেস্ট ফি অফেরতযোগ্য। তবে ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য এজেন্সিতে জমা দেওয়া মূল টাকার সিংহভাগ শর্তসাপেক্ষে ফেরত পাওয়ার আইনি অধিকার কর্মীর রয়েছে।

কোন মাধ্যমে মালয়েশিয়া যাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ?

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত সরকারি জিটুজি এবং 'আমি প্রবাসী' অ্যাপ নিয়ন্ত্রিত চ্যানেল সবচেয়ে নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং ঝুঁকিমুক্ত।

ছবি: Pradana Aumars (talk · contribs) / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0; Department of State. Office of the Undersecretary for Management. Bureau of Over / Wikimedia Commons, Public domain

💬 মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রশ্ন বা অভিজ্ঞতা লিখে প্রথম মন্তব্যটি করুন।

আপনার মন্তব্য বা প্রশ্ন লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন

দেশ সরকারি চ্যানেল খরচ (বিডিটি) প্রাইভেট এজেন্সি খরচ (বিডিটি) ন্যূনতম মাসিক বেতন (বিডিটি)
মালয়েশিয়া ১,৫০,০০০ – ২,০০,০০০ ২,৫০,০০০ – ৩,০০,০০০ ৪৩,০০০ – ৪৬,০০০
সৌদি আরব ১,৮০,০০০ – ২,২০,০০০ ৩,০০,০০০ – ৪,০০,০০০ ৫০,০০০ – ৫৫,০০০
সিঙ্গাপুর ২,০০,০০০ – ২,৫০,০০০