স্বাধীন তথ্যসেবা — এটি সরকারি ওয়েবসাইট নয়🌍 প্রবাসী বন্ধু✈️ ড্রিম ইন্টারন্যাশনাল
প্রবাসী ইনফো

সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিট ২০২৬: ফি ১৪,৫০০ টাকা ও বেতন

স্পেশাল প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬·পড়তে ৬ মিনিট
সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিট ২০২৬: ফি ১৪,৫০০ টাকা ও বেতন

কুইক অ্যানসার: ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিটের মোট সরকারি ফি SGD ১৮০ (প্রায় BDT ১৪,৫০০), বার্ষিক লেভি সেক্টর অনুযায়ী SGD ৫০০–১,২০০ এবং ন্যূনতম মাসিক বেতন SGD ১,৮০০। প্রসেসিং সময় গড়ে ৭–১০ কর্মদিন। নিচে সম্পূর্ণ ধাপ, খরচ ব্রেকডাউন এবং এজেন্সি বেছে নেওয়ার চেকলিস্ট দেওয়া আছে।

সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিট স্ট্যাটাস অনলাইনে কীভাবে চেক করবেন

কর্মী বা নিয়োগদাতা Ministry of Manpower (MOM) সিঙ্গাপুর-এর ওয়ার্ক পারমিট অনলাইন (WPOL) পোর্টালে লগইন করে রিয়েল‑টাইম স্ট্যাটাস দেখতে পারেন। প্রয়োজনীয় তথ্য: পাসপোর্ট নম্বর, ওয়ার্ক পারমিট নম্বর এবং জন্ম তারিখ। সাবমিট করার সাথে সাথে পারমিটের বর্তমান অবস্থা, মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ এবং লেভি পেমেন্ট স্ট্যাটাস দেখাবে।

প্রবাসী বন্ধু অ্যাপ
প্রবাসী বন্ধু অ্যাপ এখন প্লে স্টোরেনামাজ, টাকার রেট, সোনার দাম, দূতাবাস, সব এক অ্যাপে, ফ্রি
⬇ ডাউনলোড

বিকল্পভাবে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড চেকপয়েন্টস অথরিটি (ICA) এর ই‑চেক সেবা-এ শুধু পাসপোর্ট নম্বর দিলেই ভিসা অনুমোদন, এন্ট্রি পারমিশন এবং ওয়ার্ক পারমিটের সিঙ্ক করা ডেটা পাওয়া যায়। ২০২৬ থেকে WPOL এবং ICA পোর্টাল ইন্টিগ্রেটেড, তাই ডেটা মিসম্যাচ ন্যূনতম।

সাধারণ সমস্যা ও সমাধান: ডেটা মিসম্যাচ হলে রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করুন; সিস্টেম ডাউনটাইম হলে ১০–১৫ মিনিট পর পুনরায় চেষ্টা করুন। প্রতিবার চেক সম্পূর্ণ ফ্রি, কোনো লুকানো চার্জ নেই।

সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিট ২০২৬: ফি ১৪,৫০০ টাকা ও বেতন

সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিট ভিসার মোট খরচ ২০২৬ (বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য)

খরচের ধরণ SGD প্রায় BDT (১ SGD = ৮০.৫০ টাকা, অক্টোবর ২০২৬)
প্রসেসিং ফি ১৫০ ১২,০৭৫ টাকা
ইস্যুয়ান্স ফি ৩০ ২,৪১৫ টাকা
সরকারি মোট ফি ১৮০ ১৪,৪৯০ টাকা
প্রি‑এমপ্লয়মেন্ট মেডিকেল (MIA) ১২০ ৯,৬৬০ টাকা
এজেন্সি কমিশন (প্যাকেজের ১০–১৫%) ভেরিয়েবল ১৫,০০০–২৫,০০০ টাকা (আনুমানিক)
ট্রান্সফার ফি (যদি প্রয়োজন) ৩০–৫০ ২,৪১৫–4,025 টাকা
মেডিকেল ইনশুরেন্স (বার্ষিক) ১০০–১৫০ ৮,০৫০–১২,০৭৫ টাকা
বিমান ভাড়া (ঢাকা–সিঙ্গাপুর, একপথ) ১৫০–২৫০ ১২,০৭৫–২০,১২৫ টাকা

নোট: বিনিময় হার দিনে দিনে পরিবর্তন হয়। সর্বশেষ রেটের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা আপনার ব্যাংকের কার্ড রেট চেক করুন। সব খরচ মিলিয়ে প্রথম বছরে প্রায় BDT ৫০,০০০–৬০,০০০ বাজেট রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।

সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিট আবেদনের ধাপ‑বাই‑ধাপ প্রক্রিয়া (২০২৬ আপডেট)

  1. যোগ্যতা যাচাই: ন্যূনতম মাসিক বেতন SGD ১,৮০০, বয়স ২১–৫৫ বছর, বৈধ পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৬ মাস বাকি), কোনো ডিপেনডেন্ট (স্ত্রী/সন্তান/মা) নেই।
  2. অনুমোদিত রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি নির্বাচন: MOM এবং বাংলাদেশ শ্রম মন্ত্রালয়ের লাইসেন্সযুক্ত এজেন্সি (যেমন BestBDJob, Global Talent BD) ব্যবহার করুন। বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরে চাকরির প্রক্রিয়া পড়লে এজেন্সি বেছে নেওয়া সহজ হবে।
  3. মেডিকেল এক্সামিনেশন (MIA) বুকিং: MOM‑নির্দিষ্ট ক্লিনিকে টেস্ট দিন, ফলাফল অনলাইন আপলোড করুন। রিপোর্ট ৭ দিনের মধ্যে আপলোড না হলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
  4. WPOL‑এ অনলাইন আবেদন জমা: নিয়োগদাতা বা এজেন্সি পোর্টালে লগইন করে আবেদন সাবমিট করে, ডকুমেন্ট আপলোড করে এবং SGD ১৮০ অনলাইন পেমেন্ট করে।
  5. ICA ই‑চেক দিয়ে ভিসা অনুমোদন যাচাই: আবেদন সাবমিটের ৭–১০ কর্মদিনের মধ্যে IPA পোর্টালে স্ট্যাটাস চেক করুন। অনুমোদন পেলে ইন‑প্রinciple approval (IPA) লেটার ডাউনলোড করুন।
  6. ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু ও লেভি পেমেন্ট: সিঙ্গাপুরে এসে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিন, ইস্যু ফি (SGD ৩০) এবং সেক্টর অনুযায়ী বার্ষিক লেভি (৫০০–১,২০০ SGD) জমা দিয়ে ফিজিক্যাল কার্ড সংগ্রহ করুন।

২০২৬ সালে সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিটে কী নতুন?

  • স্যালারি থ্রেশহোল্ড বাড়ানো: ন্যূনতম বেতন SGD ১,৬০০ থেকে SGD ১,৮০০-এ উন্নত (MOM জুলাই ২০২৬ বিজ্ঞপ্তি)।
  • নতুন টিয়ার্ড লেভি স্ট্রাকচার: কন্সট্রাকশন SGD ১,২০০, মেরিন শিপইয়ার্ড SGD ৮০০, প্রসেস অ্যান্ড সার্ভিসেস SGD ৫০০ প্রতি কর্মী প্রতি বছর।
  • পোর্টাল ইন্টিগ্রেশন: WPOL এবং ICA ই‑চেক রিয়েল‑টাইম সিঙ্ক, ভেরিফিকেশন দ্রুত।
  • বাংলাদেশি কোটা বৃদ্ধি: ১২,০০০ পজিশন (২০২৫ সালের ১০,০০০ থেকে বাড়ানো)।
  • প্রসেসিং টাইম: গড়ে ৭–১০ কর্মদিন (MOM ২০২৬ রিপোর্ট অনুযায়ী)।
  • ডিজিটাল ওয়ার্ক পারমিট কার্ড: ২০২৬ থেকে ফিজিক্যাল কার্ডের পাশাপাশি ডিজিটাল ভার্সন মোবাইল অ্যাপে পাওয়া যাবে।

কি মা সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিটে যেতে পারে?

ওয়ার্ক পারমিট নীতিতে “নো ডিপেনডেন্টস” শর্ত রয়েছে — অর্থাৎ কোনো নির্ভরশীল পারিবারিক সদস্য (স্ত্রী, সন্তান, মা) এই ভিসায় আনার অনুমতি নেই। যদি মা নিজে স্কিলড কাজের জন্য যোগ্য হন, তবে আলাদা Employment Pass (EP) বা S‑Pass আবেদন করতে হবে। বিকল্প হিসেবে ডিপেন্ডেন্ট পাস বা লং‑টার্ম ভিজিট পাসের শর্ত পূরণ করলে মা সিঙ্গাপুরে থাকতে পারেন, কিন্তু সেটি ওয়ার্ক পারমিটের অধীন নয়।

সিঙ্গাপুর শিপইয়ার্ড ওয়ার্ক পারমিটের বিশেষ শর্তাবলী

  • ন্যূনতম বেতন: SGD ২,২০০ (সেক্টর-নির্দিষ্ট, সাধারণ পারমিটের চেয়ে বেশি)।
  • বার্ষিক লেভি: SGD ৮০০।
  • বয়স সীমা: ২১–৫৫ বছর।
  • কোনো ডিপেনডেন্ট অনুমোদিত নয়।
  • প্রি‑এমপ্লয়মেন্ট মেডিকেল (MIA) পাশাপাশি WSQ বা সমতুল্য নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক।

শিপইয়ার্ড সেক্টরে চাকরি খুঁজছেন? বাংলাদেশ থেকে বিদেশে চাকরির প্রক্রিয়া নিয়ে আমাদের বিস্তারিত গাইড পড়ুন।

সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিট এজেন্সি নির্বাচনের ৪-পয়েন্ট চেকলিস্ট

  1. লাইসেন্স যাচাই: MOM ও বাংলাদেশ শ্রম মন্ত্রালয়ের অফিসিয়াল তালিকায় এজেন্সির নাম আছে কিনা নিশ্চিত করুন।
  2. কমিশন রেট তুলনা: সাধারণত প্যাকেজ ফির ১০–১৫% কমিশন নেয়। কমপক্ষে ৩টি এজেন্সি থেকে লিখিত কোটেশন নিন।
  3. রিভিউ ও রেফারেন্স: পূর্ববর্তী ক্লায়েন্টের সাথে সরাসরি কথা বলুন, সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপে রিভিউ খুঁজুন।
  4. ডকুমেন্ট ফ্রড রিস্ক এড়ান: যেকোনো এজেন্সি যদি অরিজিনাল পাসপোর্ট বা সার্টিফিকেট দাবি করে রাখে, সেটি লাল সংকেত — তৎক্ষণাৎ অন্য এজেন্সি খুঁজুন।

সেক্টর‑ভিত্তিক বেতন ও লেভি তুলনা (২০২৬)

সেক্টর ন্যূনতম বেতন (SGD) বার্ষিক লেভি (SGD) গড় নেট টেক‑হোম (SGD)
কন্সট্রাকশন ১,৮০০ ১,২০০ ২,৩০০
মেরিন শিপইয়ার্ড ২,২০০ ৮০০ ২,৩০০
প্রসেস অ্যান্ড সার্ভিসেস ২,৫০০ ৫০০ ২,৩০০
ম্যানুফ্যাকচারিং ১,৮০০ ৬০০ ২,২০০
সার্ভিসেস (ক্লিনিং, সিকিউরিটি) ১,৮০০ ৫০০ ২,১০০

উপরোক্ত তথ্য MOM‑এর ২০২৬ লেভি শিডিউল এবং বাজার গড় অনুযায়ী। বিনিময় হার পরিবর্তন অনুযায়ী BDT সমতুল্য ভিন্ন হতে পারে।

সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিট রিনিউয়াল প্রক্রিয়া এবং খরচ

ওয়ার্ক পারমিট সাধারণত ২ বছরের জন্য ইস্যু হয়। মেয়াদোত্তীর্ণের ৬০ দিন আগে থেকে WPOL‑এ রিনিউয়াল আবেদন করা যায়। রিনিউয়ালের সময় নিচের শর্তাবলী পূরণ করতে হয়:

  • লেভি বকে থাকলে রিনিউয়াল হবে না — সব বকে লেভি পরিশোধ করতে হবে।
  • কর্মীর মেডিকেল ইনশুরেন্স (Work Injury Compensation Act) আপডেট থাকতে হবে।
  • নিয়োগদাতার কোটা (Dependency Ratio Ceiling) বাকি থাকতে হবে।
  • রিনিউয়াল ফি: SGD ৩০ (ইস্যু ফি) + সেক্টর অনুযায়ী বার্ষিক লেভি।

বিস্তারিত জানতে সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিট রিনিউয়াল নিয়ম পড়ুন।

সাধারণ ভুলগুলো এবং কীভাবে এড়াবেন

  • পাসপোর্ট মেয়াদ কম থাকা: আবেদন করার আগে নিশ্চিত করুন পাসপোর্টে কমপক্ষে ৬ মাস বাকি আছে।
  • মেডিকেল রিপোর্ট সময়মতো আপলোড না করা: MIA রিপোর্ট ৭ দিনের মধ্যে আপলোড না করলে আবেদন বাতিল হয়।
  • এজেন্সিকে অরিজিনাল ডকুমেন্ট দেয়া: কখনোই অরিজিনাল পাসপোর্ট, সার্টিফিকেট এজেন্সির হাতে না দিন।
  • লেভি বকে রাখা: লেভি সময়মতো জমা না দিলে পারমিট বাতিল হতে পারে এবং রিনিউয়াল বাধা পাবে।
  • নিয়োগদাতার সাথে সরাসরি যোগাযোগ না রাখা: এজেন্সির মাধ্যমে সব কথা বলা উচিত নয়; নিয়োগদাতার সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখুন।

অতিরিক্ত তথ্য ও দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তুতি (২০২৬ আপডেট)

সিঙ্গাপুরে কাজের সুযোগ পাওয়ার জন্য কেবল এজেন্সি নির্ভর হলে চলে না। নিজের দক্ষতা এবং ভাষা সংক্রান্ত প্রস্তুতিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজি ভাষার মৌলিক দক্ষতা বা স্থানীয় কাজের পরিবেশ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বহুলাংশে বেড়ে যায়। MOM-এর নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু খাতে অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করতে হয়, যা সিঙ্গাপুরে পৌঁছানোর পর কাজে লাগাতে পারবেন।

আবেদন করার পূর্বে অবশ্যই নিশ্চিত করুন যে আপনার সমস্ত শিক্ষাগত ও পেশাগত সার্টিফিকেটগুলো সঠিক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ভেরিফাইড করা আছে। অনেক সময় ভুয়া কাগজপত্রের কারণে পুরো আবেদন প্রক্রিয়া বাতিল হয়ে যায় এবং সিঙ্গাপুর সরকার ওই প্রার্থীর জন্য চিরতরে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে। তাই সর্বদা বৈধ ও আইনি পথ অনুসরণ করুন।

প্রশ্নোত্তর (FAQ)

সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিটের প্রসেসিং টাইম কত?
গড়ে ৭–১০ কর্মদিন (MOM ২০২৬ রিপোর্ট)। পিক সিজনে ১৪ দিন পর্যন্ত লাগতে পারে।
ওয়ার্ক পারমিট রিনিউয়াল কীভাবে করবেন?
মেয়াদোত্তীর্ণের ৬০ দিন আগে থেকে WPOL‑এ রিনিউয়াল আবেদন করা যায়। লেভি বকে থাকলে রিনিউয়াল হবে না। বিস্তারিত জানতে ওয়ার্ক পারমিট রিনিউয়াল নিয়ম পড়ুন।
কি ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে পার্ট‑টাইম কাজ করা যায়?
না। ওয়ার্ক পারমিট শুধু নির্দিষ্ট নিয়োগদাতার জন্য ফুল‑টাইম কাজের অনুমতি দেয়।
পাসপোর্ট মেয়াদোত্তীর্ণ হলে কী করবেন?
নতুন পাসপোর্ট নিয়ে MOM‑কে আপডেট দিন, অন্যথায় পারমিট বাতিল হতে পারে।
সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিটের জন্য কত বয়স হতে হয়?
ন্যূনতম ২১ বছর এবং সর্বোচ্চ ৫৫ বছর (সেক্টর অনুযায়ী কিছুটা ভিন্ন হতে পারে)।
ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সিঙ্গাপুরে কতদিন থাকা যায়?
সাধারণত ২ বছর, পরে রিনিউয়াল করে থাকা যায়। সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত (সেক্টর অনুযায়ী)।

Frequently asked questions

সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিটের প্রসেসিং টাইম কত?

গড়ে ৭–১০ কর্মদিন (MOM ২০২৬ রিপোর্ট)। পিক সিজনে ১৪ দিন পর্যন্ত লাগতে পারে।

ওয়ার্ক পারমিট রিনিউয়াল কীভাবে করবেন?

মেয়াদোত্তীর্ণের ৬০ দিন আগে থেকে WPOL‑এ রিনিউয়াল আবেদন করা যায়। লেভি বকে থাকলে রিনিউয়াল হবে না।

কি ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে পার্ট‑টাইম কাজ করা যায়?

না। ওয়ার্ক পারমিট শুধু নির্দিষ্ট নিয়োগদাতার জন্য ফুল‑টাইম কাজের অনুমতি দেয়।

সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিটের জন্য কত বয়স হতে হয়?

ন্যূনতম ২১ বছর এবং সর্বোচ্চ ৫৫ বছর (সেক্টর অনুযায়ী কিছুটা ভিন্ন হতে পারে)।

ছবি: Jukkabrother / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0; Basile Morin / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0

💬 মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রশ্ন বা অভিজ্ঞতা লিখে প্রথম মন্তব্যটি করুন।

আপনার মন্তব্য বা প্রশ্ন লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন