সার্বিয়া ভিসা নিয়ে বহু বাংলাদেশি কর্মীর মনে ভুল ধারণা রয়েছে, তবে সত্য হলো সার্বিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান উপদ্বীপের একটি স্বাধীন দেশ হলেও এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা সেনজেনের সদস্য নয়। ২০২৬ সালের হালনাগাদ নিয়ম অনুযায়ী দেশটিতে কাজের জন্য ক্যাটাগরি ‘ডি’ ভিসার সরকারি ফি ৮০ ইউরো (প্রায় ১১,৫০০ টাকা) এবং নতুন ডিজিটাল পোর্টালের মাধ্যমে এর প্রসেসিং সম্পন্ন হতে গড়ে ১৫ থেকে ২০ কর্মদিবস সময় লাগে। বর্তমানে সার্বিয়ায় বৈধ ওয়ার্ক পারমিটের জন্য একজন নন-ইইউ কর্মীর ন্যূনতম গ্রস বেতন মাসিক ৬০০ ইউরো হওয়া বাধ্যতামূলক।
সার্বিয়া কি ইউরোপ কান্ট্রি? ৩টি বড় সত্য
আন্তর্জাতিক ভূগোল অনুযায়ী সার্বিয়া শতভাগ ইউরোপীয় একটি রাষ্ট্র। এটি বলকান অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং এর উত্তর সীমান্তে হাঙ্গেরি, পূর্বে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া, দক্ষিণে উত্তর মেসিডোনিয়া ও কসোভো এবং পশ্চিমে মন্টিনিগ্রো, বসনিয়া ও ক্রোয়েশিয়া অবস্থিত। অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মানচিত্রে সার্বিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের সার্বভৌম দেশ হিসেবে স্বীকৃত।

তবে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য এখানে তিনটি বড় সত্য মাথায় রাখা জরুরি:
- ভৌগোলিক সত্য: সার্বিয়া ইউরোপ মহাদেশের অংশ, কোনো এশীয় বা ইউরেশীয় বিভ্রান্তি এখানে নেই। এর রাজধানী বেলগ্রেড ইউরোপের অন্যতম প্রাচীন শহর।
- রাজনৈতিক সত্য: ভৌগোলিকভাবে ইউরোপ হলেও সার্বিয়া রাজনৈতিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে ইইউর মুক্ত চলাচলের সুবিধা সার্বিয়ায় কার্যকর নয়।
- সীমান্ত সত্য: সার্বিয়া ইউরোপের সেনজেন জোনের অংশ নয়। তাই সার্বিয়ার ভিসা দিয়ে অন্য কোনো ইউরোপীয় দেশে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ অবৈধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ।
সার্বিয়া ওয়ার্ক পারমিট শর্ত ২০২৬
সার্বিয়ায় চাকরির জন্য ক্যাটাগরি ‘ডি’ লং স্টে ভিসা প্রয়োজন হয়। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে সার্বিয়ান অভিবাসন কর্তৃপক্ষ অনলাইন ভিসা আবেদন পোর্টাল চালু করায় সার্বিয়া ভিসা প্রসেসিং আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বচ্ছ ও দ্রুত হয়েছে। বাংলাদেশের নিজস্ব কোনো দূতাবাস সার্বিয়ায় সরাসরি সব কার্যক্রম পরিচালনা না করলেও ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত সার্বিয়ান দূতাবাস বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা আবেদন নিষ্পত্তি করে। আবেদনকারীদের বাংলাদেশে অনুমোদিত এজেন্সি (যেমন স্টিকার ভিসা বাংলাদেশ) বা সরাসরি সার্বিয়ান পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হয়।
ওয়ার্ক পারমিটের মূল শর্তাবলী ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
- বৈধ জব অফার ও চুক্তিপত্র: সার্বিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিবাসন অধিদপ্তর (Serbian Ministry of Interior) অনুমোদিত সার্বিয়ান কোনো মালিকের কাছ থেকে পাঠানো মূল কর্মসংস্থান চুক্তিপত্র।
- ন্যূনতম বেতন শর্ত: চাকরির চুক্তিতে ২০২৬ সালের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কর্মীর মোট গ্রস বেতন ন্যূনতম ৬০০ ইউরো উল্লেখ থাকতে হবে।
- পাসপোর্টের মেয়াদ: সার্বিয়ায় প্রবেশের সম্ভাব্য তারিখ থেকে পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস বা তার বেশি থাকতে হবে এবং অন্তত দুটি ফাঁকা পাতা থাকতে হবে।
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স: বাংলাদেশ পুলিশের কাছ থেকে প্রাপ্ত ডিজিটাল ভেরিফাইড ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, যা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত হতে হবে।
- শিক্ষাগত ও অভিজ্ঞতার সনদ: পদভেদে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক কাজের অভিজ্ঞতার সনদ ও শিক্ষাগত সনদ ইংরেজিতে অনুবাদ ও সত্যায়িত কপি।
- স্বাস্থ্য বীমা: সার্বিয়ায় পৌঁছানোর পর প্রাথমিক সময়ের জন্য কার্যকর আন্তর্জাতিক চিকিৎসা বীমা।
ভিসা ফি বাবদ সরকারিভাবে ধার্য রয়েছে ৮০ ইউরো (প্রায় ১১, ৫০০ টাকা)। এর সঙ্গে স্থানীয় অনুমোদিত সাবমিশন এজেন্সির প্রসেসিং চার্জ হিসেবে সাধারণত প্রায় ২,৫০০ টাকা অতিরিক্ত খরচ হয়। ২০২৬ সালের নতুন অনলাইন কাঠামোর সুবাদে কাগজপত্র সঠিক থাকলে এখন সার্বিয়া ভিসা প্রসেসিং টাইম মাত্র ১৫ থেকে ২০ কর্মদিবসে নেমে এসেছে, যা আগে ৩০ থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত লাগত। অতিরিক্ত তথ্যের জন্য আপনি BMET official website ভিজিট করে সরকারি নির্দেশিকা দেখে নিতে পারেন। আপনি আরও জানতে পারেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকা সম্পর্কে, যা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের বিএমইটি গাইড পোস্টটি পড়তে পারেন।
সার্বিয়ায় কাজের গড় বেতন কত?
সার্বিয়ায় কাজের ক্ষেত্রভেদে বেতনে ভিন্নতা রয়েছে। দেশটিতে বিদেশি কর্মীদের জন্য আইনগতভাবে ন্যূনতম গ্রস বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০০ ইউরো। কর ও সামাজিক সুরক্ষা কেটে নেওয়ার পর একজন কর্মী সাধারণ খাতে প্রায় ৪৮০ থেকে ৫২০ ইউরো নেট বেতন হাতে পান। তবে কর্মীর দক্ষতা ও সেক্টরের ওপর ভিত্তি করে মাসিক বেতন ৬০০ থেকে ১,২০০ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে।
- নির্মাণ ও সাধারণ শ্রমিক: ৫০০ থেকে ৬৫০ ইউরো নেট। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সার্বিয়ান নিয়োগকর্তা প্রাথমিক আবাসন এবং এক বেলার খাবার সরবরাহ করেন।
- কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ: ৫২০ থেকে ৭০০ ইউরো। মৌসুমি কাজের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের সুযোগ বেশি থাকে।
- উৎপাদন ও কারখানা কর্মী: ৬০০ থেকে ৮০০ ইউরো। টেক্সটাইল, মোটর যন্ত্রাংশ বা প্যাকিং কারখানায় কাজের সুযোগ রয়েছে।
- ভারী যানচালক ও মেকানিক: ৮০০ থেকে ১,২০০ ইউরো। বিশেষায়িত ভারী লাইসেন্সধারী দক্ষ চালকরা তুলনামূলক ভালো আয় করতে পারেন।
- আইটি ও প্রকৌশল: ১,০০০ থেকে ১,৫০০ ইউরো বা তার বেশি। তবে এই খাতে উচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা বাধ্যতামূলক।
সার্বিয়ায় বসবাসের খরচ কত?
সার্বিয়ায় থাকার খরচ পশ্চিম ইউরোপের তুলনায় অনেকটাই সাশ্রয়ী। আন্তর্জাতিক জীবনযাত্রার ব্যয় পরিমাপক ডাটাবেজ Numbeo-এর ২০২৬ সালের হালনাগাদ তথ্য অনুসারে, সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডের কস্ট অব লিIVING ইনডেক্স প্রায় ৫৫। একক ব্যক্তির জন্য বেলগ্রেডে প্রতি মাসে আনুমানিক প্রায় ৬৫০ ইউরো ব্যয় হতে পারে, যদি তিনি সম্পূর্ণ নিজের খরচে বসবাস করেন।
ব্যয়ের একটি সাধারণ মাসিক খসড়া নিচে তুলে ধরা হলো:
📅আপনি কত দিন ধরে প্রবাসে?প্রবাসী বন্ধুতে হিসাব করুন, নিজের ছবিসহ কার্ড বানিয়ে পরিবারকে পাঠান — ফ্রিকার্ড বানান →- বাসা ভাড়া (এক কক্ষের সাধারণ ফ্ল্যাট): প্রায় ৩৫০ ইউরো (শহরের কেন্দ্রস্থলের বাইরে নিলে ভাড়া কিছুটা কম পড়ে)।
- ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, আবর্জনা): প্রায় ৮০ ইউরো। শীতকালে হিটিং বিলের কারণে এটি কিছুটা বাড়তে পারে।
- খাবার ও মুদি খরচ: প্রায় ১৫০ ইউরো (বাসায় নিজেরা রান্না করে খেলে)।
- স্থানীয় যাতায়াত: প্রায় ৭০ ইউরো (মাসিক গণপরিবহন পাস)।
তবে সাধারণ প্রবাসী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। বেশিরভাগ কোম্পানি কর্মীদের জন্য যৌথ থাকার ব্যবস্থা (শেয়ার্ড অ্যাকোমোডেশন) বিনামূল্যে প্রদান করে। আবাসন ও যাতায়াত কোম্পানি বহন করলে একজন কর্মীর ব্যক্তিগত খরচ মাসে ১৫০ থেকে ২০০ ইউরোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব, যার ফলে বেতনের একটি ভালো অংশ সঞ্চয় করা যায়।
২০২৫ সালের সার্বিয়া‑বাংলাদেশ রেমিট্যান্স তথ্য
বিশ্বব্যাংকের অভিবাসন ও রেমিট্যান্স ডাটাবেজের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ পঞ্জিকাবর্ষে সার্বিয়া থেকে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রায় ১২.৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এই পরিসংখ্যানটি প্রমাণ করে যে সার্বিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতি আগের চেয়ে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
পূর্বে সার্বিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা নগণ্য থাকলেও গত কয়েক বছরে নির্মাণ, পোশাক কারখানা এবং লজিস্টিক খাতে কর্মী নিয়োগ বৃদ্ধির ফলে দেশটিতে একটি প্রবাসী সম্প্রদায় গড়ে উঠেছে। তবে যেকোনো দেশ থেকেই রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে সবসময় বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেল বা সরকার অনুমোদিত মানি ট্রান্সফার অপারেটর ব্যবহার করা উচিত। হুন্ডি বা অবৈধ পথে অর্থ পাঠালে অর্থ হারানোর ঝুঁকির পাশাপাশি আইনগত বিপদে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
সার্বিয়া বনাম আশেপাশের দেশ: ভিসা ফি, বেতন ও প্রসেসিং সময়
ইউরোপে কর্মী হিসেবে যাওয়ার আগে সার্বিয়ার সাথে অন্যান্য প্রতিবেশী বালকান ও মধ্য ইউরোপীয় দেশের নিয়মনীতির তুলনা করা অত্যন্ত জরুরি। নিচের সারণিতে ২০২৬ সালের সর্বশেষ তথ্যের তুলনামূলক বিবরণ দেওয়া হলো:
| দেশের নাম | ইইউ স্ট্যাটাস | সরকারি ভিসা ফি | ন্যূনতম বেতন শর্ত | গড় প্রসেসিং সময় |
|---|---|---|---|---|
| সার্বিয়া | নন-ইইউ (সদস্য নয়) | €৮০ (≈ ১১,৫০০ টাকা) | €৬০০ | ১৫–২০ কার্যদিবস |
| মন্টিনিগ্রো | নন-ইইউ (প্রার্থী দেশ) | €৭০ (≈ ১০,০০০ টাকা) | €৫৫০ | ২৫–৩৫ কার্যদিবস |
| উত্তর মেসিডোনিয়া | নন-ইইউ (প্রার্থী দেশ) | €৬০ (≈ ৮,৬০০ টাকা) | €৫০০ | ২০–৩০ কার্যদিবস |
| ক্রোয়েশিয়া | ইইউ ও সেনজেন সদস্য | €৮০ (≈ ১১,৫০০ টাকা) | €১,২০০ | ৬০–৯০ কার্যদিবস |
| জার্মানি | ইইউ ও সেনজেন সদস্য | €১০০ (≈ ১৪,৪০০ টাকা) | €২,২০০+ | ৯০–১২০ কার্যদিবস |
সারণি থেকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে, সার্বিয়ায় ভিসা প্রসেসিং সময় পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপের দেশগুলোর চেয়ে দ্রুত এবং খরচও তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত। তবে জার্মানি বা ক্রোয়েশিয়ার মতো ইইউভুক্ত দেশের তুলনায় সার্বিয়ায় বেতন কাঠামো সীমিত। তাই নিজের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতার স্তর বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
প্রবাসী কর্মীদের জন্য কিছু জরুরি সতর্কতা
ইউরোপীয় ইউনিয়নে ঢুকিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কোনো দালালকে অতিরিক্ত টাকা দেবেন না। সার্বিয়া কোনো ট্রানজিট পয়েন্ট নয়; সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে হাঙ্গেরি বা রোমানিয়া যাওয়ার চেষ্টা করলে গ্রেপ্তার ও কারাদণ্ড হতে পারে। সার্বিয়ায় পৌঁছানোর পর সার্বিয়ান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিবাসন শাখা থেকে সময়মতো আবাসিক অনুমতিপত্র (বোরোভাক) নবায়ন নিশ্চিত করুন। ভিসা প্রাপ্তির পর বিএমইটি (জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) থেকে স্মার্ট কার্ড ও বহির্গমন ছাড়পত্র নিয়ে বৈধ পথে বিদেশে পাড়ি জমান। সার্বিয়া ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে যেকোনো ধাপে প্রতারণা এড়াতে हमेशा সরকারি চ্যানেল অনুসরণ করা উচিত।
সার্বিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করার সময় আপনাকে অবশ্যই দেশটির আইনকানুন, ভাষা এবং স্থানীয় সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে হবে। অনেক সময় কর্মীরা ভাষা না জানার কারণে কর্মক্ষেত্রে নানা সমস্যার মুখোমুখি হন। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে ইংরেজিতে যোগাযোগ দক্ষতা এবং কাজের মৌলিক শব্দগুলো শিখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সার্বিয়ান আইন অনুযায়ী যেকোনো বিদেশি কর্মীকে কাজের পাশাপাশি নির্ধারিত স্বাস্থ্য বীমা ও ট্যাক্স প্রক্রিয়ার আওতায় থাকতে হয়, যা নিয়োগকর্তার মাধ্যমে সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। সঠিক ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে সার্বিয়ায় কর্মজীবন নিরাপদ ও লাভজনক হতে পারে।
সর্বোপরি, বিদেশ যাত্রার পুরো প্রক্রিয়ায় দালাল চক্র থেকে দূরে থাকুন এবং নিজে সচেতন হোন। সরকারি নোটিশ ও অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমেই কেবল লেনদেন করুন। আপনার সার্বিয়া প্রবাস জীবন সফল ও নিরাপদ হোক এটাই কাম্য।
Frequently asked questions
সার্বিয়া ভিসার সরকারি ফি কত?
২০২৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী সার্বিয়া ভিসার ক্যাটাগরি 'ডি' এর সরকারি ফি ৮০ ইউরো বা প্রায় ১১,৫০০ টাকা।
সার্বিয়া ওয়ার্ক পারমিটের জন্য ন্যূনতম বেতন কত?
সার্বিয়ায় বৈধ ওয়ার্ক পারমিটের জন্য একজন নন-ইইউ কর্মীর ন্যূনতম গ্রস বেতন মাসিক ৬০০ ইউরো হওয়া বাধ্যতামূলক।
সার্বিয়া কি সেনজেনভুক্ত দেশ?
না, সার্বিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা সেনজেন জোনের অংশ নয়।
ছবি: Petar Milošević / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0; Vlada Marinković / Wikimedia Commons, CC BY-SA 3.0
💬 মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রশ্ন বা অভিজ্ঞতা লিখে প্রথম মন্তব্যটি করুন।








আপনার মন্তব্য বা প্রশ্ন লিখুন