স্বাধীন তথ্যসেবা — এটি সরকারি ওয়েবসাইট নয়🌍 প্রবাসী বন্ধু✈️ ড্রিম ইন্টারন্যাশনাল
প্রবাসী ইনফো

মালয়েশিয়া কাজের ভিসা ২০২৬: খরচ ১.৮–২.২ লাখ টাকা

স্পেশাল প্রকাশ: ৭ নভেম্বর ২০২৬·পড়তে ৯ মিনিট
মালয়েশিয়া কাজের ভিসা ২০২৬: খরচ ১.৮–২.২ লাখ টাকা

মালয়েশিয়া কাজের ভিসা পেতে চাইলে নভেম্বর ২০২৬-এর নতুন জিটুজি (G2G) নীতিমালা ও খরচ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। কুইক অ্যানসার: নভেম্বর ২০২৬ itibারে মালয়েশিয়া জিটুজি (G2G) কলিং ভিসা বাংলাদেশি ২৫ হাজার কর্মীর জন্য খোলা আছে — সেক্টর: ম্যানুফ্যাকচারিং, প্ল্যানটেশন, কনস্ট্রাকশন। মোট খরচ ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা (সকল ফি সহ)। বাধ্যতামূলক: এমভিএসি ঢাকায় বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট, কিউআর কোডযুক্ত ভিসা স্টিকার, বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন (৪,২০০ টাকা) এবং প্রস্থানপূর্ব ব্রিফিং (PDB) সার্টিফিকেট। ভিসার সত্যতা যাচাই করুন তিনটি অফিসিয়াল পোর্টালে: imi.gov.my (VDR নম্বর), bmet.gov.bd (রেজিস্ট্রেশন), kualalumpur.mofa.gov.bd (অ্যাটেস্টেশন)। আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের বিএমইটি গাইড দেখতে পারেন।

মালয়েশিয়া কাজের ভিসা কি চালু আছে ২০২৬?

হ্যাঁ, ২০২৬ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে মালয়েশিয়ার সাথে জিটুজি (Government-to-Government) চুক্তির অধীনে ২৫ হাজার কর্মীর কোটা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই কোটা তিনটি সেক্টরের জন্য: ম্যানুফ্যাকচারিং (কারখানা), প্ল্যানটেশন (চা/পাম বাগান) এবং কনস্ট্রাকশন (নির্মাণ কাজ)। ভিসার প্রাথমিক বৈধতা ২ বছর, যা নিয়োগকর্তার স্পন্সরশিপ এবং লেভি (LEVY) ফি বিনিময়ে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত নবীকরণ করা যায়। আবেদনকারীর বয়স সীমা ১৮ থেকে ৪৫ বছর, মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের (Jabatan Imigresen Malaysia) নিয়ম অনুযায়ী।

প্রবাসী বন্ধু অ্যাপ
প্রবাসী বন্ধু অ্যাপ এখন প্লে স্টোরেনামাজ, টাকার রেট, সোনার দাম, দূতাবাস, সব এক অ্যাপে, ফ্রি
⬇ ডাউনলোড

গত বছরের তুলনায় এই বছর বড় পরিবর্তন হলো: আগস্ট ২০২৬-এ বিএমইটির (Bureau of Manpower, Employment and Training) নতুন অনলাইন ভেরিফিকেশন API চালু করা হয়েছে, যা রিয়েল-টাইমে ভিসা এবং রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির লাইসেন্স যাচাই করতে দেয়। এছাড়া ২০২৫ থেকে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন কিউআর কোডযুক্ত ভিসা স্টিকার চালু করেছে, যা কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (KLIA) আগমনের সময় স্ক্যান করা হয়।

মালয়েশিয়া কাজের ভিসা ২০২৬: খরচ ১.৮–২.২ লাখ টাকা

মালয়েশিয়া কাজের ভিসা খরচ ২০২৬: জিটুজি বনাম প্রাইভেট এজেন্সি

খরচের পার্থক্য বুঝতে নিচের টেবিলটি দেখুন। সব আঙ্কड़ा নভেম্বর ২০২৬ itibারের, সরকারি বিজ্ঞপ্তি এবং প্রত্যাবর্তিত কর্মীদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে।

মেট্রিক জিটুজি (G2G) রুট প্রাইভেট এজেন্সি রুট
মোট আনুমানিক খরচ (বিডি টাকা) ১,৮০,০০০ – ২,২০,০০০ ২,৫০,০০০ – ৩,৫০,০০০
ভিসা ফি, মেডিক্যাল, বীমা, বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন, এয়ারফেয়ার সামিলিত সামিলিত (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হিডেন চার্জ থাকে)
বয়স সীমা ১৮–৪৫ বছর ১৮–৪৫ বছর
ন্যূনতম মাসিক বেতন (এমওয়ার) ১,৫০০ (প্রায় ৩৫,০০০ টাকা) ১,৫০০ (প্রায় ৩৫,০০০ টাকা)
জিটুজি কোটা ২০২৬–২৭ ২৫ হাজার কর্মী প্রযোজ্য নয়
ভিসা বৈধতা ২ বছর (১০ বছর পর্যন্ত নবীকরণযোগ্য) ২ বছর (১০ বছর পর্যন্ত নবীকরণযোগ্য)

জিটুজি রুটে খরচ কম থাকার কারণ: কোনো মধ্যস্থ এজেন্ট কমিশন নেই, সরকারি নিরীক্ষায় পারদর্শিতা থাকে। কিন্তু প্রাইভেট এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়া সময় অনেকের অভিজ্ঞতা হলো — এডভান্স টাকা নেওয়ার পর ভিসা না মিলা, নকল কলিং লেটার দেওয়া, বা মালয়েশিয়া পৌঁছালে নিয়োগকর্তা খুঁজে পাওয়া না যাওয়া। তাই সম্ভব হলে জিটুজি পথেই যান। বিএমইটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট bmet.gov.bd-তে জিটুজি রিক্রুটমেন্টের লাইভ আপডেট পাওয়া যায়।

মালয়েশিয়া কাজের ভিসায় যেতে কত বছর বয়স লাগে?

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, কাজের ভিসার জন্য আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ ৪৫ বছর হতে হবে। এই সীমা উভয় জিটুজি এবং প্রাইভেট রুটের জন্য একই। কিছু কেসে দক্ষ কর্মী (skilled worker) ক্যাটেগরিতে ৫০ বছর পর্যন্ত বয়স ধারন করা হয়েছে, তবে সেটি নিয়োগকর্তার বিশেষ আবেদন এবং ইমিগ্রেশনের অনুমোদন সাপেক্ষে। সাধারণ শ্রমিকের জন্য ৪৫ বছর হার্ড লিমিট।

মালয়েশিয়া কাজের ভিসা আবেদন কিভাবে করব? ধাপে ধাপে গাইড

  1. জিটুজি সার্কুলার খুঁজুন: বিএমইটির ওয়েবসাইট (bmet.gov.bd) বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাইট (mewoe.gov.bd) থেকে লেটেস্ট জিটুজি বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড করুন। সেখানে সেক্টর, কোটা, আবেদনের শেষ তারিখ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা থাকে।
  2. অনলাইন আবেদন জমা দিন: বিএমইটির অনলাইন পোর্টালে প্রোফাইল বানিয়ে আবেদন করুন। এখানে পাসপোর্ট, শিক্ষাগত যোগ্যতা, হাতের ছায়া, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (গত ৬ মাসের) আপলোড করতে হয়।
  3. মেডিকেল টেস্ট: বিএমইটি অনুমোদিত হাসপাতাল/ক্লিনিক থেকে মেডিকেল করুন (TB, HIV, হিপেটাইটিস B/C, গর্ভাবস্থা টেস্ট ইত্যাদি)। রিপোর্ট অনলাইনে সাবমিট করুন। মেডিকেল ফি প্রায় ৩,৫০০–৪,০০০ টাকা।
  4. ভিডিআর (VDR) নম্বর পাওয়া: নিয়োগকর্তা মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশনে আপনার জন্য Visa with Reference (VDR) আবেদন করবে। অনুমোদন হলে একটি ১৩-ডিজিটের VDR নম্বর ইস্যু হবে। এই নম্বর ছাড়া কোনো ভিসা আসল নয়। VDR নম্বর পাওয়ার পরেই বাকি টাকা জমা দিন।
  5. এমভিএসি ঢাকায় বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট: VDR পাওয়ার পর Malaysia Visa Application Centre (MVAC), ঢাকা (VFS Global চালিত) এ আপয়েন্টমেন্ট নিয়ে বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ ও ছবি) দিন। এটি ২০২৬ থেকে বাধ্যতামূলক।
  6. ভিসা স্টিকার সংগ্রহ: বায়োমেট্রিকের ৫-৭ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্টে কিউআর কোডযুক্ত ভিসা স্টিকার লাগবে। স্টিকারটি ভালোভাবে চেক করুন: নাম, পাসপোর্ট নম্বর, VDR নম্বর, নিয়োগকর্তার নাম, সেক্টর, মেয়াদ।
  7. বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ও PDB: প্রস্থানের আগে বিএমইটি অফিস বা অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করুন (ফি ৪,২০০ টাকা) এবং প্রস্থানপূর্ব ব্রিফিং (PDB) ক্লাস করুন। PDB সার্টিফিকেট বিমানবন্দরে চেক-ইন সময় চাইবে।
  8. প্রস্থান: টিকেট, পাসপোর্ট, ভিসা, PDB সার্টিফিকেট, মেডিকেল রিপোর্ট, বীমার কাগজ — সব কপি রাখুন।

জাল ভিসা চেনার উপায়: ২০২৬ সালের নতুন ফরড অ্যালার্ট

প্রত্যাবর্তিত কর্মীদের সাক্ষাৎকারে ২০২৬ সালের সর্বাধিক পাওয়া যাচ্ছে এই জালিয়াতির প্যাটার্নগুলো:

  • ভিডিআর নম্বর ছাড়া ‘কলিং ভিসা’ পিডিএফ: এজেন্ট একটি পিডিএফ পাঠাবে যেখানে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন লোগো থাকবে, কিন্তু ১৩-ডিজিটের VDR নম্বর থাকবে না। সেটি নকল।
  • পুরো টাকা এডভান্স চাওয়া: আসল প্রক্রিয়ায় VDR পাওয়ার পরেই বাকি টাকা দেওয়া হয়। যেই এজেন্ট প্রথমে ৩-৪ লাখ টাকা দাবি করবে, সে ৯৯% ফরড।
  • মেডিক্যাল/বায়োমেট্রিক ছাড়া ভিসা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি: “আমরা সব হ্যান্ডেল করব, তোমাকে শুধু টাকা দিতে হবে” — এই কথা শুনলে বুঝুন জাল।
  • নকল বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর: এজেন্ট একটি নম্বর দেবে যা bmet.gov.bd-তে সার্চ দিলে শো করবে না। সবসময় নিজে যাচাই করুন।
  • ভিসা স্টিকার বিনা কিউআর কোড: ২০২৫ থেকে সব ওয়ার্ক ভিসায় কিউআর কোড থাকে। কিউআর কোড নেই মানে পুরনো স্টিকার বা নকল।

তিনটি অফিসিয়াল পোর্টালে যাচাই করুন (স্ক্রিনশট নিন):

  1. Malaysia Immigration e-Visa Portal: imi.gov.my → “Check Visa Status” → VDR নম্বর ও পাসপোর্ট নম্বর দিন। ভালো থাকলে “Approved” দেখাবে।
  2. BMET Online Verification: bmet.gov.bd → “Worker Verification” → রেজিস্ট্রেশন নম্বর বা পাসপোর্ট নম্বর দিন। এখানে আপনার রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির লাইসেন্স ও স্ট্যাটাস দেখাবে।
  3. Bangladesh High Commission Kuala Lumpur: kualalumpur.mofa.gov.bd → “Attestation/Verification” সেকশনে ভিসা কপি আপলোড করুন। হাই কমিশন ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে কনফার্ম করবে।

বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ও প্রস্থানপূর্ব ব্রিফিং (PDB)

বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ছাড়া মালয়েশিয়া যাওয়া আইনত غيرকানুনি। রেজিস্ট্রেশন ফি ৪,২০০ টাকা (২০২৬ রেট), যা অনলাইনে বা বিএমইটি অফিসে জমা দেওয়া যায়। রেজিস্ট্রেশন হলে একটি ইউনিক নম্বর মেলে, যা পাসপোর্টের সাথে লিংক থাকে। এছাড়া PDB ক্লাস বাধ্যতামূলক — এটি সাধারণত ১ দিনের, যেখানে মালয়েশিয়ার শ্রম আইন, অধিকার, জরুরি যোগাযোগ নম্বর (হাই কমিশন: +60-3-2161-8822), ট্রাফিক নিয়ম, সাংস্কৃতিক মর্যাদা ইত্যাদি শেখানো হয়। PDB সার্টিফিকেট ছাড়া বিমান থেকে চড়ানো হবে না। বিএমইটির নতুন API (আগস্ট ২০২৬) দিয়ে এখন রেজিস্ট্রেশন স্ট্যাটাস রিয়েল-টাইমে চেক করা যায়।

এমভিএসি ঢাকায় বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট: কী জানতে হবে

Malaysia Visa Application Centre (MVAC), ঢাকা — এটি VFS Global পরিচালনা করে। অবস্থান: গুলশান-১, রোড-৯০, হাউস-১০ (পুরনো কানাডা হাই কমিশন ভবন)। আপয়েন্টমেন্ট অনলাইনে নিতে হয়: vfsglobal.com → Malaysia → Bangladesh → Biometric Enrollment। ফি: প্রায় ৮৫০ টাকা (সার্ভিস চার্জ আলাদা)। নিতে হব: পাসপোর্ট (মূল+কপি), VDR প্রিন্ট, ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ফটো (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড), আপয়েন্টমেন্ট কনফার্মেশন স্লিপ। বায়োমেট্রিক দেওয়ার সময় আঙুলের ছাপ স্পষ্ট নাওয়াতে হবে, অন্যথায় রিজেক্ট হতে পারে। ২০২৬-এ অনেক কর্মী আঙুলের ছাপ খারাপ থাকায় পুনরায় যেতে হয়েছে। হাত ধুয়ে ভালো করে সুকান, তেল/লশন ব্যবহার করবেন না।

কিউআর কোড ভিসা যাচাই কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে

মালয়েশিয়া পৌঁছালে KLIA ইমিগ্রেশন কাউন্টারে অফিসার আপনার পাসপোর্টের ভিসা স্টিকারের কিউআর কোড স্ক্যান করবে। স্ক্যান করলে আপনার নাম, পাসপোর্ট নম্বর, VDR নম্বর, নিয়োগকর্তার নাম, সেক্টর, ভিসার মেয়াদ — সব দেখাবে। যদি কিউআর কোড স্ক্যান না হয় বা ডেটা মেলে না, আপনাকে ডিটেনশন রুমে পাঠানো হতে পারে। তাই ঢাকা থেকে যাওয়ার আগেই নিজে ফোন দিয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করে নিন (Google Lens বা কোনো QR স্ক্যানার অ্যাপ দিয়ে)। ডেটা যদি সঠিক হয়, তবেই শান্ত থাকুন। অনেক জালিয়া ভিসায় কিউআর কোড থাকে কিন্তু সেটি অন্য কারো ডেটা দেখায়।

মালয়েশিয়া কাজের ভিসা আপডেট ২০২৬: নতুন কী?

  • জিটুজি কোটা ২৫ হাজার: জুলাই ২০২৬ ঘোষণা, আগস্ট থেকে প্রক্রিয়া শুরু।
  • বায়োমেট্রিক বাধ্যতামূলক: সব নতুন ওয়ার্ক ভিসা আবেদনকারীর জন্য MVAC ঢাকায়।
  • কিউআর কোড স্টিকার: ২০২৫ থেকে চালু, ২০২৬-এ সব ভিসায় স্ট্যান্ডার্ড।
  • বিএমইটি API লঞ্চ: আগস্ট ২০২৬-এ অনলাইন ভেরিফিকেশন API, যা রিয়েল-টাইমে রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি এবং কর্মীর স্ট্যাটাস চেক দেয়।
  • লেভি (LEVY) ফি আপডেট: নিয়োগকর্তা প্রতি বছর লেভি ফি দেবে (সেক্টর অনুযায়ী ১,২০০–১,৮৫০ এমওয়ার)। কর্মী থেকে লেভি নেওয়া গৈরকানুনি।
  • ন্যূনতম বেতন ১,৫০০ এমওয়ার: ২০২৬ সালের মে মাস থেকে কার্যকরী, ওভারটাইম ও ভাতা আলাদা।

রেমিট্যান্স পাঠানোর নিয়ম ও লেভি ফি

আয় করুন বাংলাদেশে আনতে হলে সবসময় ফরমাল ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করুন: সোনালী ব্যাংক, ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক ইত্যাদি বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত MTO (যেমন bKash Remittance, Rocket Remittance)। হুন্ডি/অনাযত চ্যানেল ব্যবহার করলে টাকা গুমশুদা হয়, আইনি সমস্যা হয়, এবং ভবিষ্যতে ভিসা নবীকরণে বাধা আসে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসে ৫,০০০ ডলার পর্যন্ত কাগজপত্র ছাড়া পাঠানো যায়, তার উপরে ইনভয়েস/কন্ট্রাক্ট লাগে। মালয়েশিয়া থেকে টাকা পাঠানোর সময় SWIFT কোড, একাউন্ট নাম্বার, শাখার নাম সঠিক দিন।

লেভি (LEVY) ফি নিয়োগকর্তার দায়িত্ব। যদি নিয়োগকর্তা আপনার বেতন থেকে লেভি কাটে, তাহলে সেটি গৈরকানুনি — বাংলাদেশ হাই কমিশন কুয়ালালামপুরে শিকায়ত করুন (+60-3-2161-8822, email: consular.kualalumpur@mofa.gov.bd)।

প্রশ্নোত্তর (FAQ)

  • প্রশ্ন: মালয়েশিয়া কাজের ভিসা কবে খুলবে 2026?
    উত্তর: জুলাই ২০২৬-এ জিটুজি কোটা ঘোষণা হয়েছে, আবেদন প্রক্রিয়া আগস্ট থেকে চলছে। বিএমইটির ওয়েবসাইটে লেটেস্ট সার্কুলার চেক করুন।
  • প্রশ্ন: মালয়েশিয়া কাজের ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে 2026?
    উত্তর: জিটুজি রুটে ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা (সকল খরচ সহ)। প্রাইভেট এজেন্সিতে ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
  • প্রশ্ন: মালয়েশিয়া কাজের ভিসায় যেতে কত বছর বয়স লাগে?
    উত্তর: ১৮ থেকে ৪৫ বছর (মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন নিয়ম)। দক্ষ কর্মী কেসে ৫০ বছর পর্যন্ত সম্ভব, তবে সেটি এক্সেপশন।
  • প্রশ্ন: মালয়েশিয়া কাজের ভিসা আবেদন কিভাবে করব?
    উত্তর: বিএমইটির অনলাইন পোর্টালে প্রোফাইল বানিয়ে আবেদন করুন, মেডিকেল দিন, VDR নম্বর পান, এমভিএসি ঢাকায় বায়োমেট্রিক দিন, ভিসা স্টিকার সংগ্রহ করুন, বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ও PDB করুন।
  • প্রশ্ন: মালয়েশিয়া কাজের ভিসা কি চালু আছে?
    উত্তর: হ্যাঁ, জিটুজি কলিং ভিসা ২৫ হাজার কোটায় ২০২৬-২৭ সালে চালু আছে। নির্বাচিত সেক্টর: ম্যানুফ্যাকচারিং, প্ল্যানটেশন, কনস্ট্রাকশন।
  • প্রশ্ন: জালিয়া ভিসা চেনার উপায় কী?
    উত্তর: VDR নম্বর imi.gov.my-তে চেক করুন, বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন bmet.gov.bd-তে যাচাই করুন, হাই কমিশন থেকে অ্যাটেস্টেশন নিন। কিউআর কোড স্ক্যান করুন। পুরো টাকা আগে দাবি করা, মেডিক্যাল/বায়োমেট্রিক ছাড়া ভিসা দেওয়ার কথা — এগুলো জালের চিহ্ন।
  • প্রশ্ন: বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ছাড়া ভিসা পাওয়া যায় কি?
    উত্তর: না, বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ও PDB সার্টিফিকেট ছাড়া প্রস্থান করা আইনত গৈরকানুনি। বিমানবন্দরে আপনাকে রোকা হবে।

চাবি পয়েন্ট (Key Takeaways)

  • নভেম্বর ২০২৬ itibারে মালয়েশিয়া জিটুজি কলিং ভিসা ২৫ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর জন্য খোলা — সেক্টর: ম্যানুফ্যাকচারিং, প্ল্যানটেশন, কনস্ট্রাকশন।
  • ভিসা যাচাই করুন তিনটি অফিসিয়াল পোর্টালে: imi.gov.my (VDR নম্বর), bmet.gov.bd (রেজিস্ট্রেশন), kualalampur.mofa.gov.bd (অ্যাটেস্টেশন)।
  • বাধ্যতামূলক: এমভিএসি ঢাকায় বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট, কিউআর কোডযুক্ত ভিসা স্টিকার, বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন (৪,২০০ টাকা) এবং PDB সার্টিফিকেট।
  • জিটুজি রুটে মোট খরচ ১.৮–২.২ লাখ টাকা; প্রাইভেট এজেন্সি ২.৫–৩.৫ লাখ টাকা চায় এবং জালিয়াতির ঝুঁকি বেশি।
  • যে এজেন্ট VDR ছাড়া পুরো টাকা চায় বা মেডিক্যাল/বায়োমেট্রিক ছাড়া ভিসা দিতে বলে — সে ১০০% ফরড। টাকা দেবেন না, নিকটস্থ পুলিশ স্টেশন বা বিএমইটি-এ শিকায়ত করুন।

Frequently asked questions

মালয়েশিয়া কাজের ভিসা কবে খুলবে 2026?

জুলাই ২০২৬-এ জিটুজি কোটা ঘোষণা হয়েছে, আবেদন প্রক্রিয়া আগস্ট থেকে চলছে। বিএমইটির ওয়েবসাইটে লেটেস্ট সার্কুলার চেক করুন।

মালয়েশিয়া কাজের ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে 2026?

জিটুজি রুটে ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা (সকল খরচ সহ)। প্রাইভেট এজেন্সিতে ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

মালয়েশিয়া কাজের ভিসায় যেতে কত বছর বয়স লাগে?

১৮ থেকে ৪৫ বছর (মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন নিয়ম)। দক্ষ কর্মী কেসে ৫০ বছর পর্যন্ত সম্ভব, তবে সেটি এক্সেপশন।

মালয়েশিয়া কাজের ভিসা আবেদন কিভাবে করব?

বিএমইটির অনলাইন পোর্টালে প্রোফাইল বানিয়ে আবেদন করুন, মেডিকেল দিন, VDR নম্বর পান, এমভিএসি ঢাকায় বায়োমেট্রিক দিন, ভিসা স্টিকার সংগ্রহ করুন, বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ও PDB করুন।

ছবি: Pradana Aumars (talk · contribs) / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0; Benjy8769 / Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0

💬 মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রশ্ন বা অভিজ্ঞতা লিখে প্রথম মন্তব্যটি করুন।

আপনার মন্তব্য বা প্রশ্ন লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন